তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
Why this classification
The article reports a physical clash between two factions of the Chhatra Dal student wing at Titumir College, which resulted in an attack on a journalist.
Killed
0
Injured
1
Summary
গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে তিতুমীর কলেজে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন সাংবাদিক হামলার শিকার হন এবং তার মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে এক সাংবাদিককে মারধর ও হেনস্তার ঘটনা এবং মেয়াদত্তীর্ণ হওয়ায় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। একইসঙ্গে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমাম হোসেনকে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রদলের কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। শিগগিরই ওই ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। পৃথক আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখার সাবেক আহ্বায়ক ইমাম হোসেনকে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে তিতুমীর কলেজে ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ফেস দ্য পিপলের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি আব্দুর রহমান তালুকদার হামলার শিকার হন। এ সময় তার মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলার আবেদন করেন। এমওএইচ/এমএসএ
ধামরাইয়ে কথিত ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণ ধামরাইয়ে কথিত ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার Advertisement ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকার ধামরাইয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণ, ধর্ষণের ভিডিও চিত্রধারণ ও পুলিশের পোশাক ছিঁড়ে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় কথিত ছাত্রদল নেতা প্রান্ত হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার ধামরাই পৌর শহরের পাঠানটোলা এলাকার মিয়াবাড়ি মহল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ধামরাই থানা পুলিশ। সূত্র জানায়, ধামরাই পৌর শহরের বাসিন্দা ও সাভারের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্রীর সঙ্গে প্রতারণা করে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও চিত্রধারণ করে কথিত ওই ছাত্রদল নেতা। এরপর এ ভিডিওকে পুঁজি করে ওই ছাত্রীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয় এবং কয়েকবার তাকে ধর্ষণ করে। বুধবার ভুক্তভোগীর পরিবার ধামরাই থানা পুলিশের কাছে প্রান্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পাঠানটোলা মহল্লায় ওই কথিত ছাত্রদল নেতার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় প্রান্ত তার সহযোগীদের নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তারা এক পুলিশ সদস্যের পরনের পোশাক ছিঁড়ে লাঞ্ছিত করে। পরে বিকাল ৪টার দিকে এসআই মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে ধামরাই থানা পুলিশের ৪০ জন সদস্য অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী নাজিম কারাগারে
সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী মো. নাজিম উদ দৌলাছবি: প্রথম আলো রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে পরীক্ষা শেষে হল থেকে বের হওয়ার পর আটক শিক্ষার্থী মো. নাজিম উদ দৌলাকে (২৫) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ শুক্রবার পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিন আদালতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে নাজিমকে আদালতে তুলে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। অন্যদিকে তাঁর জামিন আবেদন করেন আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন। জামিন আবেদনের শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী বলেন, পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার সময় একদল যুবক নাজিমকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। তবে শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে নাজিমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী থানার ১১ ও ৬ নম্বর সড়কের সংযোগস্থলে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় করা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে বৃহস্পতিবার তিতুমীর কলেজ এলাকা থেকে নাজিমকে গ্রেপ্তার করে বনানী থানা-পুলিশ। নাজিম কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার জাদুচর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মো. মমিনুল ইসলামের ছেলে। আদালতে পুলিশের আবেদন সূত্রে জানা গেছে, তিতুমীর কলেজ প্রাঙ্গণে আটকের সময় ধস্তাধস্তিতে নাজিম আহত হন। পরে তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় আনা হয়। শুক্রবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কামাল হোসেন তাঁকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন আদালতশিক্ষার্থীকারাগারজামিনমামলাসরকারি তিতুমীর কলেজ
