টাকা না পেয়ে জমির স্থাপনা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 75%

Why this classification

A government land official is alleged to have demanded a bribe from a landowner and then had his shop structures demolished with a bulldozer on the night of 15 February, causing damage estimated at about 20 lakh taka. The official denies the bribe claim and says the land was listed as government property, so the allegations remain contested, but the destruction of property is a concrete, recent incident.

Reported by:SamakalSingle source
15/02/26•সফিপুর, কালিয়াকৈর

Killed

0

Injured

0

Summary

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুরে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা নাজিব আব্দুল জব্বারের বিরুদ্ধে টাকা না পেয়ে জমির মালিক আবুল কাশেমের দোকানঘর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘটে, যাতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা টাকা চাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

75% · severity 4

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Union Land Assistant Officer Najib Abdul JabbarUpazila Assistant Commissioner (Land) Fahim ShahriyarAbul Kashem (property owner)

Affected infrastructure

tin-shed shop housesgoods and materials inside the shops

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 21/02/26open original ↗

টাকা না পেয়ে জমির স্থাপনা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ

টাকা না পেয়ে জমির স্থাপনা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ছবি: সমকাল কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২০:৪৪ গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরে দাবিকৃত টাকা না পেয়ে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির স্থাপনা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সফিপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নাজিব আব্দুল জব্বারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী জমির মালিক আবুল কাশেমের অভিযোগ, সফিপুর এলাকার চার দলিল মূলে প্রায় সাড়ে ৪৭ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে ভোগ করছেন তিনি। সেখানে সম্প্রতি ভাড়া দেওয়ার জন্য আড়াই শতাংশ জমির ওপর একটি টিনশেড দোকানঘর নির্মাণ করেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সফিপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাজিব আব্দুল জব্বার ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি জমির মালিক আবুল কাশেমের কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করেন। জমির মালিক তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা দেন। পরদিন তহশীল অফিসে গিয়ে তাঁকে আরও পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে আর টাকা দিতে পারবেন না বলে জানান। এতে ওই ভূমি কর্মকর্তা ক্ষুব্ধ হয়ে পরদিন সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা করা হয়েছে বলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহিম শাহরিয়ারকে জানান। এরপর কাগজপত্র তলব না করেই গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ওই স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় জমির মালিক আবুল কাশেম ঢাকার একটি হাসপাতালে মেয়ের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় মোবাইল ফোনে তাঁর স্থাপনা না ভাঙার অনুরোধ করেন। পরদিন তাঁর ক্রয়কৃত জমির বৈধ কাগজপত্র দেখানোর সুযোগ দেওয়ার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহিম শাহরিয়ারকে অনুরোধও করেন। এরপরও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আমরা যতটুকু জানি, যেসব দাগের জমি অর্পিত দাবি করে আবুল কাশেমের স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে তা ঠিক হয়নি। পাশেই অর্পিত জমিতে গড়ে উঠা একটি স্পিনিং মিলস কর্তৃপক্ষ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করে রায় পেয়ে দখলে নিয়েছে। পরে সেই জমিতে সীমানা প্রাচীর দিয়ে শিল্প স্থাপনা গড়ে তুলেছে।  ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক আবুল কাশেম বলেন, সফিপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা নাজিব আব্দুল জব্বার আমার কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করেন। তাঁকে ১০ হাজার টাকা দিলেও তিনি আমার কাগজপত্র যাচাই না করে আমার গড়ে তোলা ১০টি দোকানঘরসহ মালপত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আব্দুল জব্বারের আগের ভূমি কর্মকর্তা তাজুল ইসলামও আমার জমি অর্পিত সম্পত্তি মনে করে আরেক ব্যক্তির কাছে লিজ দেন। সেই লিজ আবার তিনি নিজেই বাতিল করেন। সফিপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা নাজিব আব্দুল জব্বার টাকা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, জমিটি ক তপশিলে থাকায় এসিল্যান্ড স্যার ভেঙে দিয়েছেন। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা ফাহিম শাহরিয়ার বলেন, আমার কোনো ভূমি কর্মকর্তার টাকা চাওয়ার প্রমাণ পেলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবুল কাশেমের বিষয়টি শুনেছি। পরে তা মীমাংসার জন্য জমি মাপ দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আমার দপ্তরে আবেদন দিতে বলা হয়েছে। - বিষয় : - গাজীপুর