জামাইয়ের মারধরে শাশুড়ি হাসপাতালে

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

The article reports a specific, recent incident in Nababganj, Dhaka, on 28 February 2026, in which a son-in-law severely beat his 60-year-old mother-in-law, who was hospitalised with her injuries. This is a concrete physical attack, so it qualifies as violence and is classified as gender-based violence.

Reported by:JugantorSingle source
28/02/26•পাদ্রীকান্দা মাঠ, নবাবগঞ্জ

Killed

0

Injured

1

Summary

ঢাকার নবাবগঞ্জের পাদ্রীকান্দা মাঠে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জামাতা সুমন মজুমদার শাশুড়ি দুর্গা রানী বিশ্বাসকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও এলোপাতাড়ি মারধর করেন। আহত শাশুড়িকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং শ্বশুর জিতেন বিশ্বাস নবাবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Suman Majumder (son-in-law, 45)Durga Rani Biswas (mother-in-law, 60)Jitendra Biswas (father-in-law, complainant)OC Md. Anwar Alam Azad, Nababganj Police Station

Tags

Domestic ViolenceDowry Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 04/03/26open original ↗

জামাইয়ের মারধরে শাশুড়ি হাসপাতালে

জামাইয়ের মারধরে শাশুড়ি হাসপাতালে Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৮ পিএম ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় শাশুড়ি দুর্গা রানী বিশ্বাসকে (৬০) মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে জামাতা সুমন মজুমদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সুমনের বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শ্বশুর জিতেন বিশ্বাস। এর আগে সুমনের বিরুদ্ধে আরও একাধিক অভিযোগ দিয়েছেন তারা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে যন্ত্রাইল ইউনিয়নের নবগ্রাম গ্রামের মৃত হারাধন মজুমদারের ছেলে সুমন মজুমদারের (৪৫) সঙ্গে নয়নশ্রী ইউনিয়নের সাপলেজা গ্রামের জিতেন বিশ্বাসের মেয়ে কবিতা বিশ্বাসের (৩৮) বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেয়ের সুমনকে বিভিন্ন সময়ে টাকাসহ আট ভরি স্বর্ণালংকার, চারটি গরু এবং বিভিন্ন ধরণের ফার্নিচার দেন শ্বশুর জিতেন। তারপরও শ্বশুরবাড়ি থেকে আরও টাকা এনে দেওয়ার জন্য সুমন প্রায়ই তার স্ত্রীকে মারধর করতেন। টাকা না দিলেই সুমন শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে নানাভাবে হুমকি দিতেন। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার সালিশ করা হলেও এখনো সুমনের আচরণের কোনো পরিবর্তন হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মাসের শেষের দিন সকালে পাদ্রীকান্দা মাঠে সুমন তার শাশুড়ি দুর্গাকে একা পেয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। এ সময় শাশুড়ি প্রতিবাদ করলে সুমন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ ঘটনায় দুর্গা রানী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভর্তি করা হয় নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। শাশুড়ির ওপর এমন বর্বর হামালার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে সুমনকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি করেন পাদ্রীকান্দা ও সাপলেজা এলাকার বাসিন্দারা। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুমনের সঙ্গে কথা বলতে তার বাড়িতে গেলে প্রথমে তার মা বলেন, মায়ের মতো শাশুড়ির গায়ে যদি সুমন হাত তুলে থাকে এটা খুব খারাপ করেছে। এছাড়াও তিনি আরও নানা কথা তুলে ধরেন। তবে অভিযুক্ত সুমন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, আমি আমার শাশুড়িকে মারধর করিনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো করা হয়েছে সব সাজানো, মিথ্যা ও বানোয়াট। অভিযোগে তারা বলেছে আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে- কবে কোথায় কার সামনে দিয়েছে তার প্রমাণ তাদের দিতে হবে। এজন্য তো তাদের বসতে হবে। কবে কোথায় পাঁচজন নিয়ে বসবে বসুক। বসলেই সব প্রমাণ হবে। যে অন্যায় করবে তার সাজা হবে সমস্যা কী। নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. আনোয়ার আলম আজাদ জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।