অস্ত্রোপচারকালে নারীর মৃত্যু, চিকিৎসককে মারধর
Why this classification
Relatives of a woman who died during surgery at a Meherpur clinic broke up the operating theatre and furniture, and beat the doctor and his son, who was an anesthesia doctor, causing injuries that required hospital treatment. This is a concrete physical attack and vandalism incident that occurred on the night of Sunday, 15 February 2026.
Killed
0
Injured
2
Summary
মেহেরপুর শহরের মল্লিকপাড়ার মেহেরপুর ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারকালে নাসিমা খাতুনের (৫৫) মৃত্যুর পর অবহেলার অভিযোগে তাঁর স্বজনেরা ক্লিনিকে ভাঙচুর চালান এবং চিকিৎসক মিজানুর রহমান ও তাঁর ছেলে ডা. অভিককে মারধর করেন। ঘটনাটি ২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি (রোববার) রাতে ঘটে, পরে পুলিশ ও সেনাসদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
অস্ত্রোপচারকালে নারীর মৃত্যু, চিকিৎসককে মারধর
অস্ত্রোপচারকালে নারীর মৃত্যু, চিকিৎসককে মারধর ক্লিনিকে রোগীর স্বজনরা। ছবি: সমকাল মেহেরপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:২৪ মেহেরপুরে অস্ত্রোপচারকালে নাসিমা খাতুন (৫৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ তুলে তাঁর স্বজনেরা চিকিৎসকদের পিটিয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে শহরের মল্লিকপাড়ায় অবস্থিত মেহেরপুর ক্লিনিকে। রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত রোগী নাসিমা খাতুন জেলার গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউনিয়নের গাড়াবাড়িয়া গ্রামের মুজিবুর রহমানের স্ত্রী। ওই নারীর ছেলে নাজমুল হোসেনের ভাষ্য, জরায়ুর অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁর মাকে ওই ক্লিনিকে ওটিতে নেওয়া হয়। মা কথা বলতে বলতে সেখানে যান। কিন্তু অবশের ইনজেকশন পুশ করায় তিনি মারা গেছেন। এ ঘটনায় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলে তিনি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাসিমা খাতুনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর স্বজনেরা ক্লিনিকে ভাঙচুর চালায়। তারা অপারেশন থিয়েটারসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় চিকিৎসক মিজানুর রহমান ও তাঁর ছেলে ডা. অভিকেও মারধর করা হয়। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাসদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। চিকিৎসক মিজানুর রহমান রোগীর ছেলের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘অপারেশন টেবিলে নেওয়ার পর হঠাৎ রোগীর প্যানিক অ্যাটাক হয়। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। চিকিৎসায় কোনো অবহেলা ছিল না। রোগীকে অ্যানেসথেশিয়াও দেওয়া হয়নি। প্যানিক অ্যাটাকজনিত চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। অথচ রোগীর মৃত্যুর খবর শুনেই আমাকে ও আমার ছেলে অভিকে (অ্যানেসথেশিয়ার চিকিৎসক) মারধর করেছে। আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। তা ছাড়া ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে ভাঙচুর করেছে।’ এ ঘটনার তদন্ত করে বিচার দাবি করেন তিনি। মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বলেন, স্বজনেরা লাশ নিয়ে বাড়ি গেছেন। এখন পর্যন্ত মামলার বিষয়ে কেউ যোগাযোগ করেননি। মেহেরপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেহেদী হাসান দীপু বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়ে অভিযোগ দিলেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।
