নারী ভিক্ষুককে মারধরের পর মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে নির্যাতন

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a specific, recent physical assault in Lakshmipur in which two women allegedly beat a mentally unwell woman and sprayed chili powder on her body during a dispute over money. The victim's brother was also hurt when he tried to intervene, and the victim was treated at Sadar Hospital and filed a written complaint with the police, so it meets the criteria for a violent incident.

Reported by:Dhaka PostJugantorSamakalCorroborated · 3 sources
22/04/26•চররমনী মোহন ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নাসিরখাজা মাঝির বাড়ি

Killed

0

Injured

1

Summary

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২০২৬ সালের ২২ এপ্রিল সকালে ভিক্ষার প্রায় ৫ লাখ টাকা ফেরত চাওয়ার জেরে অভিযোগ অনুযায়ী ভাবি খাদিজা বেগম ও সুরভী বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ইয়াসিন নূর রিপনিকে মারধর করে শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেন। বাধা দিতে গিয়ে তার ভাই শুক্কুর আলীও আহত হন, এবং রিপনি সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

ইয়াসিন নূর রিপনি (ভুক্তভোগী)খাদিজা বেগম (অভিযুক্ত)সুরভী বেগম (অভিযুক্ত)শুক্কুর আলী (আহত ভাই)ইসমাইল মাঝি (অভিযুক্তের স্বামী)মাহমুদা বেগম (ভুক্তভোগীর মা)ওয়াহিদ পারভেজ (ভারপ্রাপ্ত ওসি, লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানা)

Tags

Domestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 13/04/26open original ↗

একাধিক নারীকে মারধর, কথিত মেয়র প্রার্থী গ্রেপ্তার

একাধিক নারীকে মারধর, কথিত মেয়র প্রার্থী গ্রেপ্তার আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ০৫:১২ লক্ষ্মীপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে একাধিক নারীকে মারধর করেছিলেন আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া ওরফে সোহাগ (৪০) নামের এক ব্যক্তি। এমন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ তাঁকে আটক করেছে। এক ভুক্তভোগীর মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আফতাবকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাহাপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের পরিবারের ওপর ৯ এপ্রিল হামলার ঘটনাটি ঘটে। ওই পরিবারের ওপর আফতাবের অনুসারীরা একাধিকবার হামলা করেছে বলে এলাকাবাসী জানান। আফতাব দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।  সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিওতে আফতাব উদ্দিনকে একের পর এক নারীকে চুল ধরে টেনে কিলঘুসি মারতে দেখা যায়। ভুক্তভোগী নারীরা চিৎকার করলেও তিনি থামেননি।  পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সাহাপুর গ্রামের মৃত ছিদ্দিক উল্যার ছেলে আফতাব একসময় ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। ছাত্র সংগঠনটির ১ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি পদেও ছিলেন। সম্প্রতি মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়ে আফতাব এলাকায় পোস্টার সাঁটিয়েছেন। কিছু বিলবোর্ডও দেখা গেছে। সাহাপুর এলাকার চানগাজী হাওলাদারের বাড়ির ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিষয়ে আফতাব উদ্দিনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুরোনো বিরোধের জেরে ৯ এপ্রিল আফতাবের নেতৃত্বে তাঁর পরিবারের সদস্যরা ইসমাইলের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় নারী সদস্যদের ওপর হামলা করা হয়। এতে আহত কয়েকজন লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরদিনও একই পরিবারের ওপর হামলা হয়। এ ঘটনায় ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী ফারহানা আক্তার (৩৫) বাদী হয়ে শনিবার লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় মামলা করেন। এতে আফতাবসহ সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন— মাহাতাব (৪৫), মো. আবির (২০), আরজু আক্তার (৩৫), হালিমা বেগম (৬০), অহিদা আক্তার (৫০) ও মো. শাকিল (৩৫)। লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ‘ভিডিওটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমরা তদন্ত শুরু করি। প্রধান আসামি আফতাবকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন-অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, ভাইরাল ভিডিওটিতে আসামিকে নারীদের মারধর করতে দেখা গেছে। নারীর প্রতি সহিংসতার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। - বিষয় : - লক্ষ্মীপুর - গ্রেপ্তার - মেয়র প্রার্থী

Source 2: Dhaka Post · 22/04/26open original ↗

নারী ভিক্ষুককে মারধরের পর মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে নির্যাতন

লক্ষ্মীপুরে ভিক্ষাবৃত্তির প্রায় ৫ লাখ টাকা চাইতে গেলে ইয়াসিন নূর রিপনি নামে এক নারী ভিক্ষুককে মারধর করা হয়েছে। এ সময় তার শরীরে মরিচের গুঁড়া দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। মানসিক ভারসাম্যহীন এ নারীকে নির্যাতন করেছে তার ভাবি খাদিজা বেগম ও সুরভী বেগম। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডর নাসিরখাজা মাঝির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী ওই নারী সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, রিপনির স্বামী নেই। এক ছেলে রয়েছে। সে মহিষ চড়াতে গিয়ে মেঘনার চরেই থাকে। অসহায় রিপনি ভিক্ষাবৃত্তি করেই চলে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। ভিক্ষা করে তিনি যা আয় করতেন সবই তার ভাইয়ের সহধর্মীনি খাদিজা ও সুরভি নিয়ে যেতেন। সম্প্রতি টাকা নিয়ে রিপনির সঙ্গে তাদের বিরোধ হয়। এতে রিপনি তার প্রায় ৫ লাখ টাকা ফেরত চায়। টাকা ফেরত চাওয়ার কারণেই ঘটনার সময় খাদিজা ও সুরভী তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে তার শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। রিপনিকে মারধরের সময় বাধা দিলে তার ভাই শুক্কুর আলীও মারধরের শিকার হয়। প্রায়ই তারা তাকে মারধর করে আসছে। স্থানীয় বাসিন্দা সালাহ উদ্দিন মাঝি, মো. সুমন ও সজিব হোসেনসহ কয়েকজন জানায়, রিপনি অসহায় একজন নারী। তার ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। তার ভাবিরা তাকে নির্যাতন করেছে। রিপনি এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তাকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী ইয়াসিন নূর রিপনি বলেন, অনেক বছর ধরে আমি ভিক্ষা করি। আমার সব টাকা খাদিজা আর সুরভি নিয়ে নেয়। তারা আমার টাকা দিচ্ছে না। ওই টাকা চাইতে গেলে তারা আমাকে মেরে শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। সুরভির স্বামী শুক্কুর আলী বলেন, রিপনিকে মারধরের সময় আমি বাধা দিতে যাই। এসময় খাদিজা ও সুরভি আমার চোখেও মরিচের গুঁড়া দেয়। একপর্যায়ে আমাকে মারধর করতে তেড়ে আসে। চোখে মরিচের গুঁড়ার কারণে আমি কিছুক্ষণের জন্য অন্ধের মতো হয়ে পড়েছিলাম। রিপনির মা মাহমুদা বেগম বলেন, আমার মেয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ৷ মাঝে মাঝে গালাগালি করে। তাই হয়তো মারধর করেছে। কিন্তু মরিচের গুঁড়া দেওয়া ঠিক হয়নি। অভিযুক্ত খাদিজা বেগমের স্বামী ইসমাইল মাঝি বলেন, আমার বোন রিপনি প্রায়ই ঝগড়া করে তাই মারামারি হয়েছে। এসময় তার শরীরে মরিচের গুঁড়া দেওয়া হয়েছে। এটা ঠিক হয়নি। লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, এ ধরনের কোনো খবর আমাদের জানা নেই। অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসান মাহমুদ শাকিল/এমএএস

Source 3: Jugantor · 22/04/26open original ↗

নারীকে ‘উলঙ্গ’ করে শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

নারীকে ‘উলঙ্গ’ করে শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ Advertisement লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪২ পিএম শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে ভিক্ষাবৃত্তির প্রায় ৫ লাখ টাকা চাইতে গেলে ইয়াসিন নূর রিপনি নামে এক নারী ভিক্ষুককে মারধর করা হয়েছে। একই সময় উলঙ্গ করে তার শরীরে মরিচের গুঁড়া দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। মানসিক ভারসাম্যহীন এ নারীকে নির্যাতন করেছে তার ভাবি খাদিজা বেগম ও সুরভী বেগম। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নাসিরখাজা মাঝির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী রিপনি সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, রিপনির স্বামী নেই। এক ছেলে রয়েছে। সে মহিষ ছড়াতে গিয়ে মেঘনার চরেই থাকে। অসহায় রিপনি ভিক্ষাবৃত্তি করেই চলে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন নারী। ভিক্ষা করে তিনি যা আয় করতেন সবই তার ভাইয়ের সহধর্মিণী খাদিজা ও সুরভী নিয়ে যেতেন। সম্প্রতি টাকা নিয়ে রিপনির সঙ্গে তাদের বিরোধ হয়। এতে রিপনি তার প্রায় ৫ লাখ টাকা ফেরত চান। টাকা ফেরত চাওয়ার কারণেই ঘটনার সময় খাদিজা ও সুরভী তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। রিপনিকে মারধরের সময় বাধা দিলে তার ভাই শুক্কুর আলীও মারধরের শিকার হন। প্রায়ই তারা তাকে মারধর করে আসছেন। স্থানীয় বাসিন্দা সালাহ উদ্দিন মাঝি, মো. সুমন ও সজিব হোসেনসহ কয়েকজন জানান, রিপনি অসহায় একজন নারী। তার ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। তার ভাবিরা তাকে নির্যাতন করেছেন। রিপনি এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তাকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী ইয়াসিন নূর রিপনি বলেন, অনেক বছর ধরে আমি ভিক্ষা করি। আমার সব টাকা খাদিজা আর সুরভী নিয়ে যেত। তারা আমার টাকা দিচ্ছে না। ওই টাকা চাইতে গেলে তারা আমাকে মেরে শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। সুরভীর স্বামী শুক্কুর আলী বলেন, রিপনিকে মারধরের সময় আমি বাধা দিতে যাই। এ সময় খাদিজা ও সুরভী আমার চোখেও মরিচের গুঁড়া দেয়। একপর্যায়ে আমাকে মারধর করতে তেড়ে আসে। চোখে মরিচের গুঁড়ার কারণে আমি কিছুক্ষণের জন্য অন্ধের মতো হয়ে পড়েছিলাম। রিপনির মা মাহমুদা বেগম বলেন, আমার মেয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ। মাঝে মাঝে গালাগালি করে। তাই হয়তো মারধর করেছে; কিন্তু মরিচের গুঁড়া দেওয়া ঠিক হয়নি। অভিযুক্ত খাদিজা বেগমের স্বামী ইসমাইল মাঝি বলেন, আমার বোন রিপনি প্রায়ই ঝগড়া করে, তাই মারামারি হয়েছে। এ সময় তার শরীরে মরিচের গুঁড়া দেওয়া হয়েছে। এটা ঠিক হয়নি। লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, এ ধরনের কোনো খবর আমাদের জানা নেই। অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।