বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন: পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a single, concrete killing: a schoolgirl's throat was slit inside a Dhaka home on Saturday, 10 January 2026, and police suspect a fleeing restaurant worker who was seen on CCTV entering the house. The event is recent, took place in Bangladesh, and involves a murder, so it qualifies as violence.

Reported by:SamakalSingle source
10/01/26•দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের 'প্রীতম ভিলা'

Killed

1

Injured

0

Summary

ঢাকার দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসায় ১০ জানুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) দশম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা আক্তারের গলাকাটা মরদেহ পাওয়া গেছে। পুলিশ লুটপাটের উদ্দেশ্যে এই হত্যার সন্দেহে বাবার রেস্তোরাঁর এক কর্মীকে খুঁজছে, যে ঘটনার পর থেকে পলাতক।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

ফাতেমা আক্তার (নিহত স্কুলছাত্রী)সজীব মিয়া (নিহতের বাবা, রেস্তোরাঁ পরিচালক)শাকিল মিয়া (নিহতের ভাই)পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী (সন্দেহভাজন)খিলগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম

Affected infrastructure

বাসা (প্রীতম ভিলা)

Tags

MurderRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 12/01/26open original ↗

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন: পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন: পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | ২০:১১ রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর বাসায় ফাতেমা আক্তার নামের এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে এই হত্যায় পুলিশের সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন একজন রেস্তোরাঁ কর্মী। তিনি ফাতেমার বাবার রেস্তোরাঁয় কাজ করেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক তিনি। সন্দেহভাজন ওই রেস্তোরাঁ কর্মীকে খুঁজছে পুলিশ।   এর আগে শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। খিলগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। ধর্ষণের আলামত রয়েছে কি–না তা পরীক্ষা করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়েটির বাবার রেস্তোরাঁয় কাজ করত, এমন একজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখছি। ঘটনার পর থেকে সে গা ঢাকা দিয়েছে।’ খিলগাঁও থানা-পুলিশ জানায়, ফাতেমা আক্তার বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকত সে। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন। দুই দিন আগে তার মা-বাবা ও ভাই হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যান। ঢাকায় ফাতেমা ও তার বোন ছিল। বিকেলে ফাতেমার বোন বাইরে যান। ফিরে এসে বোনের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। এ সময় বাসায় কেউ ছিল না। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের ক্রাইম সিন ইউনিট সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক ধারণা, ফাঁকা বাসায় লুটপাট করার টার্গেট ছিল কারও। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ওই বাসায় সন্দেহভাজন রেস্তোরাঁর কর্মীকে ঢুকতে দেখা গেছে। পুলিশের ভাষ্য, বাসায় লুটপাট করার চেষ্টা কলে হয়তো মেয়েটি বাধা দেয়। একপর্যায়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহত ফাতেমার ভাই শাকিল মিয়া সমকালকে বলেন, ‘আমাদের বাসা থেকে ৫ ভরির মতো স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৫ লাখ টাকা লুট হয়েছে। লুটপাটের উদ্দেশ্যে আমাদের রেস্তোরাঁর কর্মী আমার বোনকে খুন করতে পারে। ঘটনার পর থেকে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে ঘিরে আমাদের মূল সন্দেহ।’ - বিষয় : - মরদেহ উদ্ধার - লাশ উদ্ধার - পুলিশ - স্কুলছাত্রী খুন