সোনার দোকানে কথা-কাটাকাটি, দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে অ্যাসিডে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Narsingdi. Parties reported: Gold Shop Employees (Uday and Sourav), Local Youths (Dwip, Obaidullah, and Ahmed Sejan). Reported casualties: 0 killed and 3 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
3
Summary
নরসিংদীর রায়পুরায় আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে সোনার দোকানের দুই কর্মচারীর অ্যাসিড হামলায় তিন তরুণ দগ্ধ হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 6
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সোনার দোকানে কথা-কাটাকাটি, দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে অ্যাসিডে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ
প্রতীকী ছবিএআই নরসিংদীর রায়পুরায় আর্থিক লেনদেন–সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কথা–কাটাকাটির সময় তিন তরুণের গায়ে অ্যাসিড ছুড়ে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সোনার দোকানের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় একজনের দুই চোখসহ তিনজনেরই শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে। গতকাল বুধবার বিকেলে রায়পুরা পৌরসভার হাসিমপুর এলাকার মৌলভীবাজারে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী তিন তরুণ হলেন রায়পুরা পৌরসভার শ্রীরামপুর এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী দুলাল বিশ্বাসের ছেলে দ্বীপ বিশ্বাস (১৯), মো. শহীদুল্লাহর ছেলে ওবায়দুল্লাহ (১৯) ও রামনগরহাটি এলাকার কলিম মিয়ার ছেলে আহমেদ সেজান (১৮)। আহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা বলেন, দ্বীপ বিশ্বাসের সঙ্গে হাসিমপুরের মৌলভীবাজারের লতা স্বর্ণ শিল্পালয় নামে একটি সোনার দোকানের কর্মচারী উদয়ের আর্থিক লেনদেন–সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। গতকাল বেলা সাড়ে তিনটার দিকে দ্বীপ বিশ্বাস ওই সোনার দোকানে গেলে উদয়ের সঙ্গে কথা–কাটাকাটি হয়। এ সময় সৌরভ নামের আরেক কর্মচারীকে নিয়ে দ্বীপ বিশ্বাসকে মারধর করেন উদয়। খবর পেয়ে সেই দোকানে যান দ্বীপের দুই বন্ধু ওবায়দুল্লাহ ও সেজান। বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তাঁদের ওপর সোনার কাজে ব্যবহৃত অ্যাসিড ছুড়ে মারেন উদয় ও সৌরভ। এ ঘটনায় দ্বীপ বিশ্বাসের দুই চোখসহ তিনজনের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে একজনকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে এবং দুজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান। স্বজনেরা বিকেলেই অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় রওনা হন। বর্তমানে ওই দুই হাসপাতালেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আশরাফুর রহমান বলেন, অ্যাসিডে ঝলসে যাওয়া তিন রোগীর মধ্যে দ্বীপ বিশ্বাসের অবস্থা গুরুতর ছিল। অ্যাসিডে তাঁর দুই চোখের কর্নিয়া মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে। তাঁকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। অন্য দুজনের শরীরের বিভিন্ন অংশও অ্যাসিডে ঝলসে যাওয়ায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। এদিকে ঘটনার পরপরই দোকানের শাটারে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত দুই কর্মচারী উদয় ও সৌরভ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোনার দোকানটির মালিক কেশব রায়কে আটক করেছে রায়পুরা থানার পুলিশ। রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, ‘অর্থ লেনদেন–সংক্রান্ত বিরোধে দুই পক্ষে কথা–কাটাকাটির সময় অ্যাসিড ছুড়ে মারার ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই সোনার দোকানের মালিককে থানায় আনা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি, ভুক্তভোগীদের চিকিৎসায় ব্যস্ত স্বজনেরা। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন রায়পুরাঢাকা বিভাগনরসিংদীঅভিযোগ
