প্রেস ক্লাব থেকে বের করে যুগান্তর সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টা
Why this classification
The article describes a physical assault on a journalist by a group led by a youth leader of the Awami League, with police present but not intervening, which meets the definition of relevant violence and falls within the 14‑day recency window.
Killed
0
Injured
1
Summary
চট্টগ্রাম পটিয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক আবেদ আমিরের ওপর ২০-৩০ জনের দল হামলা করে মারধর করে। পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
93% · severity 5
Perpetrator side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
প্রেস ক্লাব থেকে বের করে যুগান্তর সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টা
প্রিন্ট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৩ এএম Advertisement Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফাইল ছবি আরও পড়ুন Advertisement চট্টগ্রামের পটিয়া প্রেস ক্লাব থেকে বের করে যুগান্তরের সাংবাদিক আবেদুজ্জমান আমিরীকে (আবেদ আমিরী) প্রকাশ্যে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেছে যুবদল নেতা এসএম রেজা ওরফে রিপনের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল। সংবাদ প্রকাশের জেরে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত যুগান্তর ও বাংলা টিভির পটিয়া প্রতিনিধি আবেদ আমিরীকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান সহকর্মীরা। ঘটনার সময় পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমাসহ একদল পুলিশ উপস্থিত থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেননি। এ নিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অভিযুক্ত এসএম রেজা ওরফে রিপন পটিয়া পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক। বর্তমানে তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, দুপুরে পটিয়া প্রেস ক্লাবে পেশাগত কাজে ব্যস্ত ছিলেন সাংবাদিকরা। এ সময় যুবদল নেতা এসএম রেজা ওরফে রিপনের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল প্রেস ক্লাবে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে তারা সেখানে অবস্থানরত অন্য সাংবাদিকদের প্রেস ক্লাব থেকে বের করে দিয়ে আবেদ আমিরীকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে নিয়ে যান। এরপর তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। আহত সাংবাদিক আবেদ আমেরী বলেন, ‘যুবদল নেতা এসএম রেজা ওরফে রিপনের নেতৃত্বে পটিয়া শ্রীমাই খাল থেকে অবৈধভাবে বালু লুটের কারণে সরকারের ১৩৩ কোটি টাকার বাঁধ ঝুঁকিতে পড়ে। এ নিয়ে ৬ মার্চ যুগান্তরে ‘শ্রীমাই খালে দুই যুবদল নেতার ধ্বংসযজ্ঞ’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এরপর পটিয়া আসনের এমপির নির্দেশে বালু লুট বন্ধ হলে রিপন আমার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। সেসময় থেকে তিনি আমার প্রাণনাশের পরিকল্পনা করেন। বিষয়টি স্থানীয় এমপি ও পটিয়া থানার ওসিকে আগেই অবগত করা হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার ওপর হামলা চালানোর সময় পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যুযুৎসু যশ চাকমাসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’ পটিয়া প্রেস ক্লাবের নেতারা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। পটিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক জানান, সাংবাদিকের ওপর হামলার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। Advertisement সম্পর্কিত খবর Advertisement Advertisement Ad Advertisement Ad Advertisement Advertisement Advertisement
