কিস্তির টাকা জোগাড় করতে হত্যার পর গয়না লুট, রাজমিস্ত্রি গ্রেপ্তার
Why this classification
A 44-year-old woman was strangled to death in an under-construction house in Feni on 12 May, and her body was hidden under a sand pile. This is a concrete murder with a clear victim and an arrested suspect, so it counts as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
ফেনী সদরের শর্শদি ইউনিয়নে গত ১২ মে নির্মাণাধীন ভবনে পানি দিতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী রিনা আক্তার (৪৪) শ্বাসরোধে খুন হন এবং তার মরদেহ বালুর স্তুপের নিচে চাপা দেওয়া হয়। ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত রাজমিস্ত্রি সাইফুল ইসলামকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
কিস্তির টাকা জোগাড় করতে হত্যার পর গয়না লুট, রাজমিস্ত্রি গ্রেপ্তার
ফেনী সদর উপজেলার শর্শদিতে নির্মাণাধীন ঘরের বালুর স্তুপের নিচে চাপা দেওয়া প্রবাসীর স্ত্রী রিনা আক্তার হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রাজমিস্ত্রি সাইফুল ইসলামকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিস্তির টাকা জোগাড় করতে হত্যার পর স্বর্ণালংকার লুটের কথাও স্বীকার করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেনী পিবিআই পুলিশ সুপার উক্য সিংহ। গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম (২৯) ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি। পিবিআই জানায়, গত ১২ মে বিকেলে শর্শদি ইউনিয়নের পশ্চিম জোয়ারকাছাড় এলাকায় প্রবাসী মোহাম্মদ মানিকের স্ত্রী রিনা আক্তার (৪৪) নির্মাণাধীন ভবনে পানি দিতে যান। সন্ধ্যার পরও তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে নির্মাণাধীন ঘরের মেঝেতে থাকা বালুর স্তুপের নিচে তার মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মহরম আলী বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রিনা আক্তার তার স্বামীর ক্রয়কৃত জমির পাশের একটি ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। পাশেই তাদের নতুন বাড়ির নির্মাণ কাজ চলছে। ঘটনার দিন বিকেলে ছোট ছেলে রাজু মাকে খুঁজতে গিয়ে নির্মাণাধীন ঘরে কর্মরত রাজমিস্ত্রি সাইফুল ইসলামকে দেখতে পান। মায়ের অবস্থান জানতে চাইলে সাইফুল তাকে ফুফুর বাড়িতে যাওয়ার কথা বলেন। একই সঙ্গে কাজের টাকাও দিতে বলেছিলেন তিনি। পরে রাজু বিষয়টি তার বোনকে জানালে তারা দুজন নির্মাণাধীন ঘরে গিয়ে বালুর নিচে মায়ের মরদেহ দেখতে পান। এ ঘটনার পর থেকে নির্মাণশ্রমিক সাইফুল ইসলাম পলাতক ছিলেন। মামলার তদন্তভার পেয়ে পিবিআই ফেনী কার্যালয়ের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করে। একপর্যায়ে বুধবার (১৩ মে) দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ বোস্তামি থানার চৌধুরী নগর আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করতে পারায় কয়েকদিন ধরে মানসিকভাবে হয়রানির মধ্যে ছিলেন। এই কিস্তির টাকা সংগ্রহের জন্য পরিকল্পিতভাবে রিনা আক্তারকে হত্যা করেন। ঘটনার দিন বিকেলে রিনা আক্তার নির্মাণাধীন ভবনে পানি দিতে গেলে স্বর্ণালঙ্কার লুটের উদ্দেশ্যে সাইফুল তাকে গলা চেপে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ঘরের ভেতরে থাকা বালুর স্তুপের নিচে চাপা দিয়ে পালিয়ে যান। হত্যার পর নিহতের কানে থাকা এক জোড়া স্বর্ণের দুল খুলে নিয়ে মোহাম্মদ আলী বাজারে সাড়ে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন বলেও স্বীকার করেন তিনি। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্বর্ণের দোকান থেকে ওই দুল উদ্ধার করেছে পিবিআই। পিবিআই ফেনীর পুলিশ সুপার উক্য সিং বলেন, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে শুক্রবার (১৫ মে) আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে। আসামি সাইফুল প্রাথমিকভাবে সব স্বীকার করেছে। আদালতে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেবেন। তারেক চৌধুরী/আরকে
স্বর্ণের কানের দুলের লোভে গৃহবধূকে গলাটিপে হত্যা করেন সাইফুল
স্বর্ণের কানের দুলের লোভে গৃহবধূকে গলাটিপে হত্যা করেন সাইফুল Advertisement নুরুজ্জামান সুমন, ফেনী প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম ফেনীতে গৃহবধূ রিনা আক্তার হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন রাজমিস্ত্রি সাইফুল হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বৃহস্পতিবার ভোরে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় ফেনী পিবিআই পুলিশ সুপার উক্য সিং যুগান্তরকে জানান, ছিনিয়ে নেওয়া স্বর্ণের কানের দুল উদ্ধারে গ্রেফতার সাইফুলকে নিয়ে অভিযানে রয়েছেন পিবিআই সদস্যরা। রাতের মধ্যে তাকে নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ফেনীতে ফেরার কথা রয়েছে। ফেনীর শর্শদীর চোছনা গ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের কক্ষে মঙ্গলবার বিকালে গৃহবধূ রিনা আক্তারকে হত্যা করে লাশ বালিতে পুঁতে রেখে পালিয়ে যায় রাজমিস্ত্রি সাইফুল হক। এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বড় ছেলে মহরম আলী আরজু বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে ফেনী মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। পিবিআই পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছে সাইফুল হক। তিনি একাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল হক পুলিশকে জানান, ঘটনার দিন বিকেলে রিনা আক্তারের নির্মাণাধীন ঘরে সে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিল। ওই সময় রিনা আক্তার ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য আসেন। তখন তার কানে স্বর্ণের দুল দেখে সাইফুলের ভেতর লোভ দেখা দেয়। নির্মাণাধীন ওই ঘরের আশপাশে বাড়িঘর না থাকায় নিরিবিলিতে সে কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে। কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার সময় রিনা আক্তার বাধা দিলে শুরু হয় দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি। একপর্যায়ে গলাটিপে ধরলে নিস্তেজ হয়ে যান রিনা আক্তার। পরে ঘরের বালি খুঁড়ে গর্ত করে লাশ পুঁতে রেখে পালিয়ে যায় সে। সাইফুল পুলিশকে জানিয়েছেন, হত্যা করা তার উদ্দেশ্য ছিল না। কানের দুল ছিনিয়ে নিতে গলা চেপে ধরলে দম বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি। পুলিশ সুপার আরও জানান, সাইফুল ওই রাতে ফেনীর মহিপালে একটি হোটেলে এক নারীর সঙ্গে রাত কাটায়। তার পরিকল্পনা ছিল, রাত গভীর হলে ওই ঘর থেকে লাশ তুলে অন্যত্র ফেলে দেবে; কিন্তু এর আগেই লাশ উদ্ধার হয়ে যাওয়ায় সে পরদিন চট্টগ্রাম আত্মীয়ের বাড়িতে পালিয়ে যায়। প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেফতার করে পিবিআই। সাইফুল হক চোছনা গ্রামের জমিদার বাড়ির আবুল খায়েরের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের শিকার রিনা আক্তার ওই গ্রামের সৌদি প্রবাসী মানিক মিয়ার স্ত্রী।
