গুলি করে ও কুপিয়ে বালুমহালের ম্যানেজারকে হত্যা

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a single, recent incident on 3 April 2026 in which unidentified attackers arrived by speedboat, shot the sand depot manager Miraj Hossain and hacked him, killing him. A local resident, Jahangir, was also shot and wounded, so this is a concrete act of deadly violence.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
03/04/26•তেওতা আলোকদিয়া চর, যমুনা নদী

Killed

1

Injured

1

Summary

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে তেওতা বালুমহালের ম্যানেজার মিরাজ হোসেন (৪০) ২০২৬ সালের ৩ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যায় স্পিডবোটে আসা দুর্বৃত্তদের গুলি ও কুপিয়ে হত্যার শিকার হন। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 9

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

মিরাজ হোসেন (বালুমহালের ম্যানেজার, নিহত)জাহাঙ্গীর (গুলিবিদ্ধ স্থানীয় ব্যক্তি)কাওছার হোসেন (বালুমহালের ইজারাদার)শিবালয় থানার ওসিমানবেন্দ্র বালো (শিবালয় থানার পরিদর্শক তদন্ত)মঞ্জু (স্থানীয় ইউপি সদস্য)আমিনুল ইসলাম (প্রত্যক্ষদর্শী)

Tags

MurderExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 04/04/26open original ↗

যমুনার চরে গুলি করে বালুমহালের ম্যানেজারকে হত্যা

বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্ব যমুনার চরে গুলি করে বালুমহালের ম্যানেজারকে হত্যা ফাইল ছবি মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ | ২২:৪৩ মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় যমুনা নদীর দুর্গম চরাঞ্চলে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে বালুমহালের ম্যানেজার নিহত হয়েছেন। নিহত মিরাজ হোসেন (৪০) পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তেওতা বালুমহালের ম্যানেজার। এ ছাড়া গুলিতে জাহাঙ্গীর নামের আরেকজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় যমুনার দুর্গম চরাঞ্চল আলোকদিয়ায় এ ঘটনা ঘটে। শিবালয় উপজেলার তেওতা বালুমহালের ইজারাদার কাওছার হোসেন জানান, গত বৃহস্পতিবার তাঁর মোবাইল ফোনে অজ্ঞাত ব্যক্তি হুমকি দেয়– নদী থেকে বালু উত্তোলন করে তা বাল্কহেড জাহাজে বিক্রি করলে তাঁকে খুন করা হবে। এ ব্যাপারে তিনি বৃহস্পতিবারই শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে নদীপারে ম্যানেজার মিরাজসহ তাঁর লোকজন ড্রেজারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় স্পিডবোটে দুর্বৃত্তরা এসে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে। ম্যানেজার মিরাজকে গুলি করে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এরপর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত মিরাজ ও জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে শিবালয় নিয়ে আসেন। মিরাজকে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। গুলিবিদ্ধ জাহাঙ্গীরকে শিবালয় উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শিবালয় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মানবেন্দ্র বালো জানান, খবর পেয়ে থানার ওসি নেতৃত্বে ১২ সদস্যের পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে গেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন। - বিষয় : - গুলি করে হত্যা - বালুমহাল

Source 2: Jugantor · 03/04/26open original ↗

গুলি করে ও কুপিয়ে বালুমহালের ম্যানেজারকে হত্যা

গুলি করে ও কুপিয়ে বালুমহালের ম্যানেজারকে হত্যা Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন ও মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৬ পিএম মানিকগঞ্জের শিবালয়ের তেওতা বালুমহালের ম্যানেজার মিরাজ হোসেনকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে বালুমহালের ইজারাদারকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি ছিল, জিডিও হয়েছিল- তবু ঠেকানো গেল না হত্যাকাণ্ড। প্রকাশ্যে গুলি, এরপর কুপিয়ে নিশ্চিত করা হয় মৃত্যুকে। তারপর হামলাকারীরা চলে যায় স্পিডবোটে, যেন সব ফিল্মি স্টাইলে। শুক্রবার সন্ধ্যায় যমুনা নদীর দুর্গম চরাঞ্চল আলোকদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিরাজ হোসেন (৪০) পাবনা সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তেওতা বালুমহালের ম্যানেজার ছিলেন। জানা যায়, বিকাল ৫টার দিকে নদীপাড়ে ড্রেজারে বসে মিরাজসহ তার লোকজন হিসাব-নিকাশ করছিলেন। ঠিক তখনই স্পিডবোটে করে এসে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। মিরাজকে লক্ষ্য করে গুলি করার পর তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এরপর হামলাকারীরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা মিরাজকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরও তেওতা আলোকদিয়া ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর (৪২) গুলিবিদ্ধ হয় বলে যুগান্তরকে জানান স্থানীয় ইউপি সদস্য মঞ্জু ও প্রত্যক্ষদর্শী আমিনুল ইসলাম। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিকাল ৫টার দিকেই শুরু হয় এই হামলা। বালুমহালের ইজারাদার কাওছার হোসেন জানান, গত বুধবার অজ্ঞাত ব্যক্তি ফোনে হুমকি দেয় বাল্কহেড জাহাজে বালু বিক্রি করলে খুন করা হবে। বিষয়টি শিবালয় থানার ওসিকে জানানো হয় এবং তার পরামর্শে বৃহস্পতিবার থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়। কিন্তু সেই হুমকি যে মোবাইলে আর কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা প্রমাণ হতে সময় লাগেনি। একদিন যেতে না যেতে প্রকাশ্যে অতর্কিত গুলিতে প্রাণ হারায় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার। জানা গেছে, ইফতি এন্টারপ্রাইজ ইজারাদার হিসেবে বালুমহালটি পরিচালনা করে আসছিল। তবে গত মাসে নতুন দরপত্রে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান ইজারা বন্দোবস্ত পান। শিবালয় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মানবেন্দ্র বালো জানান, খবর পেয়ে ওসির নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি পুলিশ দল ঘটনাস্থলে গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। মিরাজের লাশ বর্তমানে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।