‘বাহার গেছে যে পথে, আপনিও যাবেন সে পথে’
Why this classification
The article describes a concrete physical altercation and beating involving a political figure and local residents over an election billboard.
Killed
0
Injured
0
Summary
২০২৬ সালের ৫ অক্টোবর নড়িয়া উপজেলার নোয়াদ্দা বাংলাবাজারে নির্বাচনী বিলবোর্ড স্থাপনকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা মতিউর রহমান সাগর ও স্থানীয়দের মধ্যে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
‘বাহার গেছে যে পথে, আপনিও যাবেন সে পথে’
ওসিকে বিএনপি নেতার হুমকি ‘বাহার গেছে যে পথে, আপনিও যাবেন সে পথে’ নড়িয়া থানায় ওসি ও বিএনপি নেতা মতিউর রহমান সাগর শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১০:৪২ | আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১০:৪৩ শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেনকে ‘বাহার যে পথে গেছে, আপনিও যাবেন সে পথে’ বলে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরের বিরুদ্ধে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচনী বিলবোর্ড স্থাপনকে কেন্দ্র করে জুলাই শহীদ মিরাজুল ইসলাম অর্ণবের বাবা আবু তালেবের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনার পর নড়িয়া থানায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় অর্ণবের চাচা আব্দুস সালামকে ‘ফ্যাসিস্ট’ ও ‘যুবলীগ’ আখ্যা দিয়ে থানায় নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে সাগর ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় আব্দুস সালামকে ছেড়ে দেয়। স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার বিকেলে নড়িয়া উপজেলার নোয়াদ্দা বাংলাবাজার এলাকায় নির্বাচনী বিলবোর্ড স্থাপন করতে যান ঘড়িষার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর। এ সময় জমির মালিক আবু তালেব বিলবোর্ড স্থাপনে বাধা দেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেখানে যান আবু তালেবের ভাই আব্দুস সালাম। অভিযোগ উঠেছে, পরে সাগর ও তার অনুসারীরা আব্দুস সালামকে মারধর করেন এবং তাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ ও ‘যুবলীগ’ আখ্যা দিয়ে থানায় নিয়ে যান। সাগর তার নির্বাচনী ব্যানার ছেঁড়া ও পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগে আব্দুস সালামকে গ্রেপ্তারের দাবি করেন। পাশাপাশি তার দায়ের করা আগের একটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আব্দুস সালামকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারের দাবিও জানান। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাগর ওসি আনোয়ার হোসেনকে উদ্দেশ করে ওই হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আব্দুস সালাম বলেন, তার বড় ভাইয়ের জায়গায় সাইনবোর্ড টাঙানোকে কেন্দ্র করে সাগরের সঙ্গে তার ভাইয়ের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তার ভাইকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। পরে সেখান থেকে চলে আসেন। কিছুক্ষণ পর তার বাড়ির সামনে ৮ থেকে ১০ জন লোক গিয়ে তাকে মারধর করেন। পরে তাকে ‘যুবলীগ’ ট্যাগ দিয়ে থানায় আটকের চেষ্টা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে মতিউর রহমান সাগরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। নড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, ‘আমাদের কাছে যে অভিযোগটি এসেছিল, সেটি ভেরিফাই করেছি। এটি সাধারণ হাতাহাতির ঘটনা। হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল আব্দুস সালামের ভাইয়ের সঙ্গে। তাই আব্দুস সালামকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।’ ওসিকে হুমকির বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। তারা রাষ্ট্রের জন্য কাজ করেন। কোনো ভুল হলে রাষ্ট্র বিষয়টি দেখবে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গিয়ে কেউ হয়রানির শিকার হলে সেটিও রাষ্ট্র দেখবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সেখান থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, সাগরের বিরুদ্ধে এর আগেও প্রশাসনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল। ইউএনও, এসিল্যান্ড ও পুলিশ সুপারকে নিয়েও তিনি আপত্তিকর কথা বলেছিলেন। এসব ঘটনায় দলের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং সাগর দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে ক্ষমাও চেয়েছিলেন। শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, ‘তিনি যেভাবে উচ্চস্বরে কথা বলেছেন, এটা মোটেও কাম্য নয়। আমরা যারা সমাজে বাস করি এবং রাজনীতি করি, আমাদের এভাবে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করার ক্ষমতা নেই। বিষয়টি আগামী দুই দিনের মধ্যে দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করব। তদন্ত করে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের কাছে বিষয়টি পাঠাব।’
‘বাহার যে পথে গেছে, আপনিও যাবেন সে পথে’
ওসিকে বিএনপি নেতা ‘বাহার যে পথে গেছে, আপনিও যাবেন সে পথে’ Advertisement শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার ওসি আনোয়ার হোসেনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরের বিরুদ্ধে। হুমকিতে ওসিকে উদ্দেশ করে সাগর বলেছেন, ‘বাহার যে পথে গেছে, আপনিও যাবেন সে পথে’। ইতোমধ্যে এই কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার সূত্রপাত সোমবার বিকালে নড়িয়া উপজেলার বাংলা বাজার এলাকায়। সেখানে নির্বাচনি বিলবোর্ড লাগানো কেন্দ্র করে সাগরের সঙ্গে জুলাই শহীদ মিরাজুল ইসলাম অর্ণবের বাবা আবু তালেবের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ সময় সাগরের লোকজন অর্ণবের চাচা আব্দুস সালামকে মারধর করে এবং তাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ ও ‘যুবলীগ’ আখ্যা দিয়ে থানায় ধরে নিয়ে যায়। সাগর দাবি করেন, আব্দুস সালাম তার নির্বাচনি ব্যানার ছিঁড়ে ও পুড়িয়ে ফেলেছেন, তাই তাকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আসামি হিসাবে গ্রেফতার দেখাতে হবে। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে সালামের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দিতে চাইলে সাগর ক্ষুব্ধ হন এবং ওসির সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান ও হুমকি দেন। নড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন মিরাজ জানান, পুলিশ অভিযোগটি যাচাই করে দেখেছে এবং এটি সাধারণ হাতাহাতির ঘটনা বলে প্রতীয়মান হয়েছে। হাতাহাতির ঘটনাটি সালামের ভাইয়ের সঙ্গে ঘটেছিল, যে কারণে সালামকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওসিকে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। এ বিষয়ে সাগরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। জেলা বিএনপির সভাপতি ও শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ-সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ জানান, এর আগেও সাগরের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সঙ্গে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ ছিল। এমনকি ইউএনও, এসিল্যান্ড ও পুলিশ সুপারকে নিয়েও তিনি আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, এসব ঘটনায় দলীয়ভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং সাগর দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে ক্ষমা চেয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি দলের কাছে একটি প্রতিবেদনও দিয়েছেন। আমরা চাইলেই যে কোনো সময় একজন কর্মীকে বহিষ্কার করার ক্ষমতা রাখি না। তদন্ত করে বিষয়টি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের কাছে পাঠানো হবে। এর আগে নড়িয়া থানার সাবেক ওসি বাহার মিয়াকে হুমকি-ধমকি দিয়েছিলেন সাগর। এর পরপরই ওসি বাহার বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান।
আগের ওসি গেছেন যেই পথে, আপনিও যাবেন সেই পথে—বলে ওসিকে বিএনপি নেতার হুমকি
শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে বসে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য চাপ দেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান। এ সময় তিনি ওসিকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছেছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে। ওই ওসির কক্ষে বসে হুমকি দেওয়ার ৩৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে গতকাল মঙ্গলবার মতিউরকে দলীয় সব পদ থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে শরীয়তপুর জেলা বিএনপি। গত সোমবার রাতে নড়িয়া থানার ওসির কক্ষে ওই ঘটনা ঘটে। পরের দিন মঙ্গলবার জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুল হাসানের সই করা চিঠিতে মতিউরকে সাময়িক বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ, অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মতিউরের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে নড়িয়া উপজেলার নোয়াদ্দা বাংলাবাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার বিলবোর্ড স্থাপন করতে যান মতিউর। তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান। বিলবোর্ড স্থাপনের সময় জমির মালিক আবু তালেব এতে বাধা দেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির পর হাতাহাতি হয়। পরে আবু তালেবের ভাই আবদুস সালাম ঘটনাস্থলে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়। তবে আবদুস সালামকে গ্রেপ্তারের জন্য চাপ দিতে থাকেন মতিউর রহমান। এর আগে মতিউর বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করেন। ওই মামলায় সালামকে গ্রেপ্তারের জন্যও তিনি পুলিশকে চাপ দিতে থাকেন। পুলিশ রাজি না হলে ওসি আনোয়ার হোসেনকে তিনি হুমকি দেন। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মতিউর রহমানকে ওসির কক্ষে বসে বলতে শোনা যায়, ‘বাহার (বাহার মিয়া, নড়িয়া থানার সাবেক ওসি) গেছেন যে পথে, আপনিও যাবেন সে পথে।’ ভিডিওতে মতিউরকে আরও বলতে শোনা যায়, তাঁর দেওয়া মামলায় সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তার না করে পুলিশ নিজেদের ইচ্ছেমতো লোকজনকে গ্রেপ্তার করছে। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) ও উপমহাপরিদর্শককে (ডিআইজি) জানানোর কথা বলেন তিনি। একপর্যায়ে মতিউর রহমান ওসির টেবিল চাপড়ে কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। এরপর দরজার কাছে গিয়ে তিনি আবার বলেন, ‘আপনি যদি ওরে (আবদুস সালাম) ছাইড়া দেন, ওই বাহার গেছে যেই পথে, আপনিও যাইবেন হেই পথে—বইলা দিলাম।’ বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হুমকি দেওয়ার বিষয়টি মোটেও সঠিক হয়নি। ইতিমধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শাহ আবদুস সালাম, শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মতিউর রহমানছবি: সংগৃহীত ভিডিওতে ওসি আনোয়ার হোসেনকে বলতে শোনা যায়, তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে এবং ওই ঘটনায় আবদুস সালামের সম্পৃক্ততা থাকলে তাঁকে মামলায় চালান দেওয়া হবে। তবে এ বিষয়ে পরে জানতে ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করে বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত, এর আগে নড়িয়া থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন বাহার মিয়া। প্রায় দুই মাস আগে তাঁকে সেখান থেকে বদলি করা হয়েছিল। মতিউর রহমানের এ ধরনের আচরণের নিন্দা জানিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আবদুস সালাম। আবু তালেব ও আবদুস সালামকে মারধর এবং পুলিশ দিয়ে হয়রানির চেষ্টার অভিযোগ তুলে গতকাল বিকেলে ঘড়িষার বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা। আমাদের কাছে যে অভিযোগ এসেছিল, সেটি যাচাই করেছি। এটি সাধারণ হাতাহাতির ঘটনা। হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল আবদুস সালামের ভাইয়ের সঙ্গে। তাই আবদুস সালামকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি। মহিউদ্দিন মিরাজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি শাহ আবদুস সালাম বলেন, ‘বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হুমকি দেওয়ার বিষয়টি মোটেও সঠিক হয়নি। ইতিমধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ অভিযোগের বিষয়ে জানতে মতিউর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, ‘আমাদের কাছে যে অভিযোগ এসেছিল, সেটি যাচাই করেছি। এটি সাধারণ হাতাহাতির ঘটনা। হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল আবদুস সালামের ভাইয়ের সঙ্গে। তাই আবদুস সালামকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।’ ওসিকে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন রাজনীতিপুলিশবিএনপিনড়িয়াশরীয়তপুরঢাকা বিভাগঅভিযোগ
