চোরাইপণ্য নিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষ, বিএনপি নেতাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

This is a specific, recent incident: on 3 June 2026, accused persons armed with sticks, rods and machetes attacked Border Guard Bangladesh personnel who were seizing a pickup carrying smuggled Indian goods in Kasba, Brahmanbaria, injuring several members. A police case was filed on 7 June naming 15 people, including BNP local leaders, though the BNP union president disputes the list of accused. The report describes a physical attack with weapons and injuries, so it qualifies as violence.

Reported by:JugantorSingle source
03/06/26•নয়নপুর এলাকা, বায়েক ইউনিয়ন, কসবা

Killed

0

Injured

4

Summary

গত ৩ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার নয়নপুর এলাকায় ভারতীয় চোরাই পণ্যবাহী একটি পিকআপ আটকের সময় অভিযুক্তরা লাঠি, রড ও দা নিয়ে বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলা চালালে কয়েকজন সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে ৭ জুন মামলা দায়ের করা হয়েছে, যদিও বিএনপির বায়েক ইউনিয়ন শাখার সভাপতি অভিযুক্তদের তালিকা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

88% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

Law Enforcement

Other actors

Subedar Md. Masud (Salda BGB camp, complainant)Monir Hossain (General Secretary, Bayek Union BNP)Swapan Miah (President, Bayek Union Sramik Dal)Humayun Miah (BNP leader)Md. Nazmul Hasan (President, Bayek Union BNP, objected to case)Md. Nurul Amin (Investigation Officer, Kasba Police Station)Didar Hossain, Ferdous, Tareq, Mostafiz (injured Border Guard members)

Affected infrastructure

pickup van

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 4

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 08/06/26open original ↗

চোরাইপণ্য নিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষ, বিএনপি নেতাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চোরাইপণ্য নিয়ে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষ, বিএনপি নেতাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা Advertisement ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম জব্দ প্রক্রিয়ার সময় অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিজিবি সদস্যদের কাজে বাধা দেয় এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে বলে অভিযোগে জানা গেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভারতীয় চোরাইপণ্য আটককে কেন্দ্র করে বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার (৭ জুন) বিকালে সুলতানপুর ৬০ বিজিবির অধীন সালদা বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার মো. মাসুদ বাদী হয়ে কসবা থানায় এ মামলা করেন। মামলায় বায়েক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, বায়েক ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি স্বপন মিয়া এবং বিএনপি নেতা হুমায়ুন মিয়াসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ জুন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় চোরাইপণ্য বহনকারী একটি পিকআপ আটক করে বিজিবি। পিকআপটিতে বাসমতি চালসহ বিভিন্ন চোরাইপণ্য ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। জব্দ প্রক্রিয়ার সময় অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিজিবি সদস্যদের কাজে বাধা দেয় এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা লাঠি, রড, দা ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে বিজিবির কয়েকজন সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে দিদার হোসেন, ফেরদৌস, তারেক ও মোস্তাফিজের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আহতদের উদ্ধার করে সুলতানপুর বর্ডার গার্ড হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের পরিচয় যাচাই-বাছাই এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করতে সময় লাগায় মামলা দায়ের কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। মামলার বাদী সুবেদার মো. মাসুদ বলেন, ঘটনার পর অনুসন্ধান চালিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করা হয়েছে। এজাহারে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা চোরাকারবারির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। কসবা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নূরুল আমিন বলেন, নয়নপুর এলাকায় ভারতীয় চোরাইপণ্য আটককে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনার বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে মামলায় বিএনপির স্থানীয় নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন বায়েক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান। তিনি দাবি করেন, প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে জড়িত অনেককে বাদ দিয়ে দলের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।