বাবাকে গালাগালি, প্রতিবাদ করায় ঢাবি ছাত্রকে মারধর

AI-classifiedconfidence 96%

Why this classification

বুধবার সন্ধ্যায় নগরকান্দায় আরমান হোসেন ও তার সহযোগীরা ঢাবি শিক্ষার্থী নিশানকে বাঁশ ও লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে আহত করে, যার ফলে মাথায় সেলাই লাগে। ঘটনাটি একটি সাম্প্রতিক, সুনির্দিষ্ট শারীরিক হামলা, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে গণ্য হয়েছে।

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
03/06/26•মধ্যজগদিয়া মহল্লা, নগরকান্দা পৌরসভা

Killed

0

Injured

2

Summary

৩ জুন সন্ধ্যায় ফরিদপুরের নগরকান্দায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার ছেলে ও ঢাবি শিক্ষার্থী মলয় কান্তি বিশ্বাস নিশানকে আরমান হোসেনের নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা বাঁশ ও লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। মাথায় গুরুতর আঘাতে তিনটি সেলাই লাগে এবং তার বন্ধু বিকাশ পালকেও মারধর করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

96% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আরমান হোসেনমলয় কান্তি বিশ্বাস নিশানবিকাশ পালনলিনী কান্তি বিশ্বাস

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 05/06/26open original ↗

বাবাকে গালাগালি, প্রতিবাদ করায় ঢাবি ছাত্রকে মারধর

বাবাকে গালাগালি, প্রতিবাদ করায় ঢাবি ছাত্রকে মারধর ফরিদপুরের নগরকান্দায় হামলার শিকার নিশান (বাঁয়ে)। বুধবার সন্ধ্যায় হামলার চিত্র (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত ফরিদপুর অফিস প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ | ২০:২৯ ফরিদপুরের নগরকান্দায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছিলেন স্থানীয় কিছু যুবক। এর প্রতিবাদ করেন ভুক্তভোগীর ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র মলয় কান্তি বিশ্বাস নিশান (২৬)। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর ওপর হামলা হয়েছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় নগরকান্দা পৌরসভার মধ্যজগদিয়া মহল্লায় মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি (এম.এন. একাডেমি) সংলগ্ন সড়কে এই হামলা হয়। আহত নিশান মধ্যজগদিয়া মহল্লার বাসিন্দা সোনালী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা নলিনী কান্তি বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রাচ্যকলা বিভাগের মাস্টার্স প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, গত ২৬ মে বিকেলে নলিনী কান্তি বিশ্বাসের এক প্রতিবেশীর গাছ থেকে দলবল নিয়ে তাল পাড়তে যান নগরকান্দা পৌরসভার জুঙ্গুরদী মহল্লার বাসিন্দা আরমান হোসেন (৩২)। এ সময় নলিনী বিশ্বাস এতে নিষেধ করলে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে আরমান ও তাঁর সহযোগীরা নলিনী বিশ্বাসকে গালাগালি শুরু করেন। এ সময় নিশান ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর বাবার অসদাচরণের কারণ জানতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আরমান হোসেন তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। নিশান বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় দুই বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বের হচ্ছিলেন। এ সময় বাড়ির সামনের সড়কে একটি হাইয়েস মাইক্রোবাসে করে আসা দুর্বৃত্তরা তাঁর পথরোধ করে। পরে আরমান হোসেন ও তাঁর সহযোগীরা বাঁশ ও লাঠিসোটা নিয়ে পেটাতে থাকে। এতে মাথা, হাত, পিঠসহ শরীরের নানা জায়গায় আঘাত পেয়েছেন। হামলাকারীরা তাঁর বন্ধু বিকাশ পালকেও পিটিয়েছে। নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তাসমিমা আক্তার বলেন, ওই যুবকের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মাথার গুরুতর আঘাতে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে। তাঁকে অন্তত দুই দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকতে বলেছিলেন। কিন্তু বাসা কাছে হওয়ায় চলে গেছেন। এ অভিযোগের বিষয়ে বৃহস্পতিবার আরমানের মোবাইল ফোনে কল দিলে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘আপনি আমার সামনে এসে বক্তব্য নিয়ে যান।’ নগরকান্দা থানার ওসি গোলাম রসুল সামদানি আজাদ বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী থানায় মৌখিক অভিযোগ করেছেন। তাঁকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। ছবি ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। - বিষয় : - ফরিদপুর - ঢাবি শিক্ষার্থী

Source 2: Jugantor · 23/05/26open original ↗

প্রতিবাদে থানায় গিয়ে এমপির বিক্ষোভ

ভাঙ্গুড়ায় জামায়াত নেতাকে মারধর প্রতিবাদে থানায় গিয়ে এমপির বিক্ষোভ Advertisement পাবনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ দলীয় নেতাকে পিটিয়ে আহত করার প্রতিবাদে ও দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে থানা চত্বরে বিক্ষোভ করলেন পাবনা-৩ আসনের সংসদ-সদস্য আলী আছগার। বৃহস্পতিবার রাতে ভাঙ্গুড়া থানা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। একই দিন পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে জিল্লুর রহমান নামের এক জামায়াত নেতাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। ভাঙ্গুড়ার খানমরিচ কালিনজিরা ব্রিজের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত জিল্লুর রহমান ভাঙ্গুড়া উপজেলার দাসমরিচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ওই গ্রামের নজির উদ্দিনের ছেলে। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি। এ ঘটনায় আহত জিল্লুর রহমানের ভাই হাছেন আলী প্রামাণিক বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গুড়া থানার (এসআই) আলামিন হোসাইন জানান, দাসমরিচ এলাকার নিষিদ্ধ কার্যক্রম আওয়ামী লীগ সমর্থিত আয়নাল গংদের সঙ্গে জামায়াত নেতা জিল্লুর রহমানের পূর্ব বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে জিল্লুর রহমানের সঙ্গে তাদের (আয়নাল গং)কথা-কাটাকাটি হয় এবং জিল্লুর রহমান আয়নালের ছেলে হাফিজুর রহমানকে মারধর করেন। এ ঘটনার রাত সাড়ে ৮টার দিকে জিল্লুর রহমান বাড়ি ফেরার পথে কালিনজিরা ব্রিজের ওপর পৌঁছলে তার হামলা চালানো হয়। ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আজম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় রাতেই থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দু’জনকে এরা গ্রেফতার দু’জন হলেন, দাসমরিচ এলাকার আয়নাল ও তার ছেলে হাফিজুর রহমান। গ্রেফতার বাবা-ছেলেকে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।