দাঁড়িপাল্লা হেরে যাওয়ায় সবজি ক্ষেতের ওপর ক্ষোভ যুবকের
Why this classification
This is a single, specific incident in which a man cut down about 80 fruit trees and pumpkin plants in his yard on 13 February 2026, after his preferred candidate lost the election. It is classified as vandalism, a destructive act. No injuries or deaths were reported, and the damage was to his own property.
Killed
0
Injured
0
Summary
খুলনা-৫ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হেরে যাওয়ার ক্ষোভে ডুমুরিয়ার রানাই গ্রামের কৃষক জিন্নাত আলী বিশ্বাস ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে নিজের বাড়ির ৭টি আমগাছ, ২টি পেয়ারা, ১টি লিচু, ৬টি সুপারি, কলাগাছ ও ৬৫টি লাউগাছের গোড়া কেটে ফেলেন। ঘটনার পর তিনি অনুতপ্ত হয়েছেন এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য তাঁর এই কাজকে নির্বাচনী ফলাফলের কষ্টের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
80% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
দাঁড়িপাল্লা হেরে যাওয়ায় সবজি ক্ষেতের ওপর ক্ষোভ যুবকের
দাঁড়িপাল্লা হেরে যাওয়ায় সবজি ক্ষেতের ওপর ক্ষোভ যুবকের ছবি: সমকাল ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:২০ খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হেরে যাওয়ায় কৃষক জিন্নাত আলী বিশ্বাস নামে এক যুবক নিজের বাড়ির আঙিনার ফলদ বৃক্ষ ও মাঠের লাউগাছের গোড়া কেটে রাগ ও ক্ষোভ মিটিয়েছেন বলে জানা গেছে। উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নে রানাই গ্রামে শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কৃষক জিন্নাত আলী বিশ্বাস লেখাপড়া না জানা এক সহজ-সরল যুবক। তাঁর পরিবার ও প্রতিবেশী প্রায় সকলেই বিএনপির সমর্থক। অনেক আগে থেকেই জিন্নাত জামায়াতে ইসলামের প্রতি অনুগত হয়ে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন। ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি জানতে পারেন. দাঁড়িপাল্লা হেরে গেছে। এ কারণে মন খারাপ করেন জিন্নাত। শুক্রবার বিকেলে রাগে-ক্ষোভে বাড়ির আঙিনায় ৭টি ফলন্ত আমগাছ, ২টি পেয়ারা ও ১টি লিচু, ৬টি সুপারি, কিছু কলাগাছসহ ৬৫টি ফলন্ত লাউগাছের গোড়া কেটে ফেলেন। এ প্রসঙ্গে জিন্নাত আলী বিশ্বাস বলেন, “মন খারাপ করে শখের ফলন্ত বৃক্ষ ও লাউগাছের গোড়াগুলো কেটে নষ্ট করা ঠিক হয়নি। জামায়াতের লোকজন বলেছিলেন, দাঁড়িপাল্লার সঙ্গে সরাসরি ‘আল্লাহ’ যুক্ত আছেন! তাই দাঁড়িপাল্লাকে সমর্থন করেছিলাম। তাহলে দাঁড়িপাল্লা কেন হারল?” এভাবে প্রশ্ন রেখেছেন ওই যুবক। দাঁড়িপাল্লার লোকজন আমাকে আরও নানা কথা শুনিয়েছিলেন। কিন্তু কী কথা বলেছিলেন– বলতে রাজি হননি জিন্নাত। লাজুক স্বভাবের অনুতপ্ত জিন্নাত আরও বলেন, ‘রাগ করে নিজের ক্ষতি করা ঠিক হয়নি। জীবনে আর কোনোদিন জামায়াতের লোকজনের কথা শুনব না। এখন বুঝলাম– সব মিথ্যা কথা বলেছিল তারা!’ জিন্নাতের স্ত্রী নাজমা বেগম জানান, তাঁর স্বামী খুবই সহজ-সরল। তাদের পরিবারে কোনো ঝগড়া বা বিরোধ নেই। মানসিকভাবেও সম্পূর্ণ সুস্থ। কষ্ট-রাগ-ক্ষোভে হয়তো এমন কাজ করে ফেলেছেন। এখন তিনি অনুতপ্ত। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোল্লা আবুল কাশেম বলেন, ‘আমার বাড়ি থেকে জিন্নাতের বাড়ি ২০০ থেকে ৩০০ গজ দূরে। তাঁর কোনো মানসিক সমস্যা হয়নি। তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিএনপির সমর্থক। হঠাৎ শুনলাম, জিন্নাত জামায়াতকে সমর্থন দিয়েছে। দাঁড়িপাল্লা হেরে যাওয়ার কষ্টে এমন ঘটনা ঘটাতে পারেন তিনি।’
