ফেনীতে ব্যবসায়ীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a single specific incident in Feni on the night of 27 March 2026 in which a businessman was allegedly taken at gunpoint by about 15 to 20 men and four drivers were beaten, followed by a road blockade. The accused deny the allegations, but the event is reported as a concrete attack with a weapon and is recent, so it qualifies as violence.

Reported by:JugantorSingle source
27/03/26•পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন (কাশিমপুর এলাকা সংলগ্ন), ফেনী সদর

Killed

0

Injured

0

Summary

২৭ মার্চ ২০২৬ (শুক্রবার) রাতে ফেনীর সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নে চাঁদা না দেওয়ার অভিযোগে ব্যবসায়ী আজাদ হোসেনকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তুলে নেওয়া এবং চালকদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে ফেনী-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করা হয়, পরে আজাদকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং অভিযুক্ত রিসাল সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Azad Hossain (business owner, victim)Rajia Siddika (victim's wife, complainant)Rissal (nephew of Union BNP president Delowar Hossain Delu)ShahinAshrafDidarSumon (driver, beaten)Sujon (driver, beaten)Alamgir (driver, beaten)Selim (driver, beaten)Delowar Hossain Delu (BNP leader, denied involvement)Alal Uddin Alal (Feni District BNP Member Secretary)Golam Mostafa (Sub-Inspector, Feni Model Police Station)

Affected infrastructure

Feni-Noakhali regional road (blockaded by protesters)pickup and tractor vehicles

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 27/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 29/03/26open original ↗

ফেনীতে ব্যবসায়ীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

ফেনীতে ব্যবসায়ীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ Advertisement ফেনী প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফেনীতে অস্ত্র ঠেকিয়ে এক ব্যবসায়ীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধরা ফেনী-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। অপহরণের শিকার ব্যবসায়ী আজাদ হোসেনের স্ত্রী রাজিয়া সিদ্দিকা শনিবার ফেনী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ব্যবসায়ী আজাদ জানান, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বিপরীতে আজাদ ট্রেডার্স নামে তার ইট-বালু বিক্রি ও পিকআপ-ট্রাক্টর ভাড়া দেওয়ার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। শুক্রবার রাতে তার কয়েকটি গাড়ি ভাড়ায় কাশিমপুর এলাকায় যায়। সেখান থেকে মাটি নিয়ে অন্যত্র যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েকজন যুবক গাড়িচালক সুমন, সুজন, আলমগীর, সেলিমকে মারধর শুরু করে। তারা পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলুর ভাতিজা রিসালের সহযোগী শাহীনের নেতৃত্বে মারধর করে। আজাদ বলেন, একপর্যায়ে শাহীন, আশ্রাফ, দিদারসহ ১৫-২০ জন মিলে আমাকে অস্ত্র ঠেকিয়ে মোটরসাইকেলে রিসালের কাছে নিয়ে যায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য চালক ও ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করেন। রিসাল বিষয়টি বুঝতে পেরে ‘এ বিষয়ে পরে কথা হবে’ বলে আমাকে ছেড়ে দেয়। সড়ক অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। আজাদ অভিযোগ করে বলেন, এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। মাটি বহনকারী গাড়ি চললে প্রতি গাড়ি থেকে ৭০ টাকা করে দেলুর ভাতিজা রিসালকে দিতে হয়। আজাদের স্ত্রী থানায় লিখিত অভিযোগে জানান, চাঁদা না দেওয়ায় তার স্বামীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে। তিনি রিসাল, শাহীন, আশ্রাফ ও দিদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রিসাল। তিনি বলেন, আজাদ যা বলেছেন, সব মিথ্যা। আমার কাছে সিসিটিভি ফুটেজ আছে। রিসালের চাচা বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দেলু যুগান্তরকে বলেন, এসব বিষয়ে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ঘটনা শুনেছি। এটি ফৌজদারি অপরাধ। থানাকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। ফেনী মডেল থানার উপপরিদর্শক গোলাম মোস্তফা জানান, থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।