শ্রীপুরে তালাবদ্ধ ঘরে অগ্নিদগ্ধ যুবকের মৃত্যু, পেট্রল ছিটিয়ে আগুনের অভিযোগ
Why this classification
The article reports a recent arson attack linked to a land dispute that resulted in one death, meeting the definition of relevant violence and occurring within the 14‑day window in Bangladesh.
Killed
1
Injured
0
Summary
শ্রীপুরের রাজাবাড়ী ইউনিয়নের সাঁটিয়াবাড়ী গ্রামে জমি বিরোধের কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, যেখানে ১৮ বছর বয়সী দেলোয়ার হোসেন মারা গেছেন। পুলিশ তদন্ত করছে যে পেট্রল ছিটিয়ে আগুন লাগানো হয়েছে কিনা।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
93% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
শ্রীপুরে তালাবদ্ধ ঘরে অগ্নিদগ্ধ যুবকের মৃত্যু, পেট্রল ছিটিয়ে আগুনের অভিযোগ
গাজীপুরের শ্রীপুরে বিরোধপূর্ণ জমির একটি জরাজীর্ণ তালাবদ্ধ ঘরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে দেলোয়ার হোসেন (১৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার সকালে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের দাবি, ঘরে পেট্রল ছিটিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের সাঁটিয়াবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীনুর আলম।নিহত দেলোয়ার হোসেন জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর গ্রামের মো. বুধু মিয়ার ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের সাঁটিয়াবাড়ী গ্রামের খাসপাড়া এলাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন। দেলোয়ারের বাবা বুধু মিয়া বলেন, ‘ওই ঘরে ছেলে কীভাবে গেল বলতে পারব না। আমার ছেলের শরীর আগুনে পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছে দাবি, যারা আমার ছেলেকে পুড়িয়ে মেরেছে, তাদের বিচার হোক।’বুধু মিয়া জানান, প্রথমে ছেলেকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। জমির মালিক হুরমত আলী শেখ বলেন, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাচাতো ভাই ফাইজুদ্দিনদের সঙ্গে বিরোধ চলছে। জমিতে একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করে পাহারা দেওয়া হয়। ঘরটি দিনের বেলায় তালাবদ্ধ থাকে। তিনি প্রতিদিন রাত ১০টার দিকে ঘরে এসে ঘুমান।হুরমত আলী শেখ বলেন, ‘গতকাল শনিবার রাতে রাজেন্দ্রপুর বাজারে দুধ বিক্রি করছিলাম। হঠাৎ একজন ফোন করে জানায়, আমার ঘরে আগুন লেগেছে। দৌড়ে ঘরের পাশে গিয়ে দেখি, দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। ঘরের ভেতর একজনের চিৎকার শুনে শত শত মানুষ জড়ো হয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় সে মারাত্মক অগ্নিদগ্ধ হয়। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।’হুরমত আলী শেখ আরও বলেন, ‘ঘরটি সব সময় তালাবদ্ধ থাকে। শুধু রাতের বেলায় ঘরের তালা খুলে প্রবেশ করা হয়। এই ছেলেকে আমি চিনি না। সে কেন এখানে এসেছে, কীভাবে আগুন লেগেছে, কিছুই বলতে পারব না। ঘরে পেট্রল ও কেরোসিনের গন্ধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পেট্রল ছিটিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে।’শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশের নির্দেশনায় মরদেহের ময়নাতদন্ত চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, ‘কীভাবে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং পেট্রল ছিটিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।’
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর হামলা: হ্যান্ডকাফসহ আটক ৪
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর হামলা: হ্যান্ডকাফসহ আটক ৪ Advertisement শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৩ এএম শ্রীপুরে পুলিশের ওপর হামলা: হ্যান্ডকাফসহ আটক ৪। প্রতীকী ছবি গাজীপুরের শ্রীপুরে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাফসহ দুই আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে হ্যান্ডকাফসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ) রাতে উপজেলার ২নম্বর গাজীপুর ইউনিয়নের নিজ মাওনা ‘ইসমাইল মোড়’ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শ্রীপুর থানার ওসি জাফর আলী খান জানান, শ্রীপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশ একটি অপহরণ মামলার আসামিকে ধরতে গেলে স্থানীয়রা ডাকাত ও ভুয়া পুলিশ প্রচার করে কর্তব্যরত পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে দুই থানার এগারো পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় হামলাকারীরা হ্যান্ডকাফ পরিহিত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা হতে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া দুই আসামিসহ চার জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আটককৃতারা হলেন, মো. মনিরুজ্জামান, আহসান (পিতা. মৃত মোতালেব), আদিল (পিতা মনিরুজ্জামান), লিপি আক্তার (স্বামী. মনিরুজ্জামান)। এ হামলায় আহত পুলিশ সদস্যদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
