কর্মকর্তা-কর্মচারীর ধস্তাধস্তির ভিডিও ভাইরাল
Why this classification
This is a physical fight in which two government office staff members grabbed each other by the collar and punched each other inside a locked office room on 25 March 2026. The article reports the event as a specific, recent incident with no deaths or injuries stated, and it took place in Bangladesh, so it qualifies as a physical clash.
Killed
0
Injured
0
Summary
সিলেটের গোয়াইনঘাটের তোয়াকুল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ২০২৬ সালের ২৫ মার্চ (বুধবার) বেলা সাড়ে ১১টায় উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও অফিস সহায়ক আয়াত উদ্দিন দরজা বন্ধ করে একে অপরের কলার ধরে কিলঘুসি মারেন। ঘটনার ভিডিও শুক্রবার (২৭ মার্চ) ভাইরাল হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে, তবে কারণ নিয়ে অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ এবং হাজিরা খাতা চাওয়ার বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ভূমি অফিসের কাণ্ড নিয়ে থামছে না সমালোচনা
ভূমি অফিসের কাণ্ড নিয়ে থামছে না সমালোচনা সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬ | ০৮:১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও অফিস সহায়কের মারামারির ঘটনায় তোলপাড় গোটা অধিদপ্তর। গত বুধবারের এই ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকে নেটিজেনদের সমালোচনা, টিপ্পনী আর মিমের ঝড় থামছেই না। এমন ঘটনায় বিব্রত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও অফিস সহায়ক আয়াত উদ্দিনের এই মারামারির ঘটনা তদন্তে গঠন করা হয়েছে কমিটি। এরই মধ্যে অফিস সহায়ক আয়াতকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমি অফিসের ভেতরে দরজা লাগিয়ে মারামারির ঘটনায় জেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। একই সঙ্গে অফিস সহায়ক আয়াত উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় সিলেটজুড়ে তোলপাড় চলছে। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার জাহিন শাকিল ভূঞা জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন পেশ করতে বলেছেন। জানা যায়, বুধবার সকালে অফিস সহায়ক আয়াত উদ্দিন দেরিতে আসায় উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে গড়ায়। মারামারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, দুজন একে অপরের কলার ধরে কিল-ঘুসি মারছেন। বাইরে থেকে সেবাগ্রহীতারা দরজা খোলার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। পরে এক যুবক ভেতরে গিয়ে আয়াত উদ্দিনকে বের করে দেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, ভূমি অফিস দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সেবা নিতে গেলে অতিরিক্ত ফি ছাড়া কাজ হয় না বলেও জানান অনেকে। তবে অভিযোগ থাকলেও কেউ আমলে নেয় না। বেপরোয়া চলাফেরা সবার। এরই পরিণতিতে এই ঘটনা। - বিষয় : - ভূমি
কর্মকর্তা-কর্মচারীর ধস্তাধস্তির ভিডিও ভাইরাল
গোয়াইনঘাটের ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্মকর্তা-কর্মচারীর ধস্তাধস্তির ভিডিও ভাইরাল Advertisement সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল গোয়াইনঘাটের একটি ভিডিও। ভিডিওটি গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের। এতে দেখা যাচ্ছে, উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও অফিস সহায়ক আয়াত উদ্দিনের মধ্যে অফিসের দরজা লাগিয়ে মারামারির ঘটনা। ভিডিওটি শুক্রবার ভাইরাল হলেও ঘটনা বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার। উপজেলার ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের তোয়াকুল ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তার (তহশিলদার) রুমে দরজা লক অবস্থায় এ ঘটনা ঘটে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, তহশিলদারের রুমের দরজা বন্ধ করে দুজন একে অপরের কলার ধরে কিলঘুসি মারছেন। বাইরে থাকা সেবাগ্রহীতারা দরজা খোলার আহ্বান জানান। পরে দরজা খুললে এক যুবক ভেতরে ঢুকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অফিস সহায়ককে বাইরে বের করে দেন। ঘটনার পর সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করছেন, অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধ থেকে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। এ বিষয়ে তহশিলদার দেলোয়ার হোসেন মন্তব্য করতে রাজি হননি। অন্যদিকে অফিস সহায়ক আয়াত উদ্দিন দাবি করেন, হাজিরা খাতা চাওয়া নিয়ে তহশিলদার তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ ও হামলা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী বলেন, ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
