ছেলের অত্যাচার সইতে না পেরে থানায় অভিযোগ মায়ের
Why this classification
A drug-addicted son physically beat his mother and father, injuring them, damaged household furniture, and threatened to kill family members if they did not give him money. The incident took place on Wednesday, 22 April 2026, within the recent window, and the mother has filed a police complaint.
Killed
0
Injured
2
Summary
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধুলজুড়ি গ্রামে ২২ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার) দুপুরে মাদকাসক্ত ছেলে রাজু মোল্লা নেশার টাকার জন্য মা চায়না বেগম ও বাবা অলিয়ার সরদারকে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে জখম করেন এবং বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। টাকা না দিলে খুনের হুমকি দেওয়ায় ভুক্তভোগী মা থানায় ছেলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
আলফাডাঙ্গায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন আসামি গ্রেপ্তার
আলফাডাঙ্গায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন আসামি গ্রেপ্তার প্রতীকী ছবি ফরিদপুর অফিস ও আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ | ১৬:২৯ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ২৩ বছরের তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের কটুরাকান্দি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তাররা হলেন, উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামের মো. লিটন মোল্লা (৩৩), একই ইউনিয়নের কটুরাকান্দি গ্রামের সবুজ মোল্লা (২৩) ও টাবনী গ্রামের আলী শরীফ (২০)। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৩ বছরের ওই তরুণীর সঙ্গে মো. লিটন মোল্লার গত দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে লিটন মোল্লা বিয়ের কথা বলে ওই তরুণীকে মোটরসাইকেলে করে সবুজ মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে ওই তরুণীকে লিটন, সবুজ ও আলী শরীফ মিলে ধর্ষণ করেন। আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে ওই তরুণী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই তিন ব্যক্তিকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর বৃহস্পতিবারই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামিকে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ছেলের অত্যাচার সইতে না পেরে থানায় অভিযোগ মায়ের
ছেলের অত্যাচার সইতে না পেরে থানায় অভিযোগ মায়ের Advertisement ফরিদপুর ব্যুরো প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মাদকাসক্ত ছেলের অসহনীয় অত্যাচার ও নির্যাতন সইতে না পেরে অবশেষে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন এক মা। নেশার টাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগে ছেলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার ধুলজুড়ি গ্রামের পিয়ার আলীর স্ত্রী চায়না বেগম। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী চায়না বেগম। এছাড়াও তিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বুধবার দুপুরে উপজেলার ধুলজুড়ি গ্রামে ভুক্তভোগী চায়না বেগমের বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ছেলে রাজু মোল্লা (১৮) দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। অভিযুক্ত রাজু মোল্লা নেশার টাকার জন্য তার মা, বৃদ্ধ বাবা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ওপর প্রতিনিয়ত অত্যাচার চালিয়ে আসছিলেন। বুধবার দুপুরে নেশার টাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং মা-বাবাকে এলোপাথাড়ি কিল, ঘুসি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। টাকা না দিলে পরিবারের সদস্যদের খুনের হুমকিও দেন। এ সময় বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। ভুক্তভোগী চায়না বেগমের বাবা অলিয়ার সরদার (৭২) বলেন, রাজু মোল্লা নেশায় আসক্ত হয়ে টাকার জন্য আমার মেয়ে ও জামাইকে মারধর করে। বাধ্য হয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী চায়না বেগম আক্ষেপ করে বলেন, ছেলে আমার গর্ভজাত হলেও তার অত্যাচারে আজ আমরা অতিষ্ঠ। সে অত্যন্ত চরিত্রহীন ও লোভী হয়ে পড়েছে। নেশার ঘোরে সে যেকোনো সময় আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। পরিবারের মান-সম্মান ও জীবনের নিরাপত্তা রক্ষায় আমি তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ওসি ফকির তাইজুর রহমান বলেন, আমি আজই থানায় যোগদান করেছি। ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) একেএম রায়হানুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
