সকালে টানানো পতাকা নামানো হলো দুপুরেই
Why this classification
Two youths tore down Awami League and Chhatra League banners and flags at an abandoned party office in Jhenaidah on 25 February 2026, which counts as vandalism. No injuries or deaths were reported, so the severity is low.
Killed
0
Injured
0
Summary
ঝিনাইদহ শহরের রেজিস্ট্রি অফিস-সংলগ্ন আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পতাকা ও ব্যানার টানানো হয়, যা দুপুরে দুই যুবক ছিঁড়ে ফেলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, পতাকাগুলো বাঁশসহ মাটিতে পড়ে ছিল এবং জাতীয় পতাকাও দেয়ালের পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
62% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সকালে টানানো পতাকা নামানো হলো দুপুরেই
সকালে টানানো পতাকা নামানো হলো দুপুরেই ঝিনাইদহ জেলা আ.লীগ কার্যালয় ঝিনাইদহ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৪৮ | প্রিন্ট সংস্করণ ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ের দেয়ালে টানানো হয়েছিল ব্যানার। বাঁশ দিয়ে টানানো হয়েছিল আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পতাকা, সঙ্গে ওড়ানো হয় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও। গতকাল বুধবার সকালে শহরের রেজিস্ট্রি অফিস-সংলগ্ন কার্যালয়ে ঘটে এ ঘটনা। এদিন দুপুরেই ব্যানার ও পতাকা ছিঁড়ে ফেলেন দুই যুবক। স্থানীয় লোকজনের ধারণা, বুধবার সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে পতাকা টানানো ও ব্যানার সাঁটানোর ঘটনা ঘটে। এই কার্যালয়টি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। গতকাল সকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা ছাত্রলীগের জেলা সভাপতি সজীব হোসেনের ফেসবুক পেজে ৩৯ সেকেন্ডের ভিডিও পোস্ট করেন, সঙ্গে ছিল কয়েকটি ছবি। ভিডিওতে দেখা গেছে, পাঁচজন যুবক পরিত্যক্ত কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের ব্যানার ও পতাকা টানাচ্ছেন। যুবকদের বলতে শোনা গেছে, ‘সজীব হোসেন ভাইয়ের নেতৃত্বে আজকে এই দলীয়, ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের পতাকা উত্তোলন ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পোস্টারসংবলিত ব্যানার প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে কর্মসূচি পালন করেছি।’ তারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে স্লোগান দেন। পাশাপাশি তাদের বলতে শোনা যায়, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’, ‘শেখ হাসিনা কথা দিলাম, পার্টি অফিস দখল নিলাম’। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ের দেয়ালে গিয়ে ব্যানার দেখা গেছে। পাশেই উড়ছিল জাতীয় পতাকা, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পতাকা। এরপর দুপুর ১টার দিকে গিয়ে দেখা গেছে, ব্যানারটি ছিঁড়ে নিয়ে গেছে কেউ। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পতাকা বাঁশসহ মাটিতে পড়ে আছে। পাশের দেয়ালে ফেলে রাখা হয়েছে জাতীয় পতাকা। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, দুই যুবক এসে এগুলো ছিঁড়ে ফেলেছে। বক্তব্য জানতে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও সংযোগ মেলেনি। ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে একই কার্যালয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়ে সেখানে ফুল দেওয়া হয়। ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা ২১ মিনিটে একটি ভিডিও ও কয়েকটি ব্যানার টাঙানোর ছবি পোস্ট করেন সোহেল মেহেদী নামের এক ব্যক্তি। এতে তিনি লেখেন, দেশের সব কারাবন্দি ও দেশ-বিদেশে আশ্রয় নেওয়া আওয়ামী লীগ পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের অফিস অবমুক্ত ঘোষণা করা হলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির আহ্বায়ক সাইদুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বর্তমান সরকারের কাছে এটি প্রত্যাশিত নয়। এখনও বিচারকাজ শেষ হয়নি, আবার সাংগঠনিকভাবে নিষিদ্ধের বিষয় রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে গেলে সেটা সামাল দেওয়া কঠিন হবে।’ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা বলেন, নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় কেউ প্রকাশ্যে দলীয় কার্যক্রম চালাতে পারে না। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের ওপর থেকে যদি নিষেধাজ্ঞা উঠে যেত, তাহলে কার্যক্রম চালাতে পারত, কোনো বাধা আসত না। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘ভিডিও ও ছবি আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ - বিষয় : - আওয়ামী লীগ
