প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের হাতাহাতি, সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ
Why this classification
প্রবন্ধে কুমারখালীতে দুই ছাত্রদলের মধ্যে শারীরিক হস্তক্ষেপ এবং সাংবাদিকের ওপর হামলা বর্ণিত হয়েছে, যা ১৪ অক্টোবর ২০২৬-এ ঘটেছে এবং বাংলাদেশের সীমার মধ্যে, তাই এটি একটি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক হিংসা ঘটনা হিসেবে স্বীকৃত।
Killed
0
Injured
2
Summary
কুষ্টিয়া কুমারখালীতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের অনুষ্ঠানে দুই ছাত্রদলের মধ্যে হাতাহাতি হয় এবং সাংবাদিকদের ওপর শারীরিক হামলা ও ফোন চুরি করা হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 4
Perpetrator side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League, BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের হাতাহাতি, সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনে সেই দৃশ্যের ভিডিও ধারণকালে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। পরে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির হোসেন রাব্বির হস্তক্ষেপে ফোন ফেরত দেন হামলাকারীরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, দুপুরে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গড়াই নদের ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে যান। এর আগে তিনি রায়ডাঙ্গা আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে প্রতিমন্ত্রী তার গাড়িতে উঠতে গেলে সেখানে বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয়। এ সময় হাতাহাতি বেধে যায় ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে। এ সময় স্টার নিউজের কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম মোবাইল ফোনে সেই ভিডিও ধারণ করলে জেলা ছাত্রদলের কর্মীরা তার ওপর হামলা চালিয়ে তার ফোন ছিনিয়ে নেন। তিনি সাংবাদিক পরিচয় দিলেও ভিডিও করার কারণে তাকে অস্রাব্য ভাষায় গালাগালি করেন। অন্য আরেকজন ছাত্রদল কর্মী স্টার নিউজের প্রতিনিধিকে ধরে নিয়ে যান। এই ভিডিও ধারণ করছিলেন মোহনা টেলিভিশনের কুমারখালী প্রতিনিধির ক্যামেরাম্যান মোমিন ইসলাম। ছাত্রদল কর্মীরা তাকে কিল-ঘুসি মেরে তার ফোনও ছিনিয়ে নেযন। পরে জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাক্কির হোসেন রাব্বির হস্তক্ষেপে মোবাইল দুটি ফেরত দেন হামলাকারীরা। স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রতিমন্ত্রী গাড়িতে ওঠার পরপরই ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় আমি ভিডিও করলে তারা আমার ওপরে চড়াও হন। পরে আমার ফোন কেড়ে নেন এবং আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। বিষয়টি টের পেয়ে মোহনা টেলিভিশনের কুমারখালী প্রতিনিধির ক্যামেরাম্যান মোমিন ইসলাম সেই ঘটনা ভিডিও করতে গেলে তাকেও কিল-ঘুসি মারেন ছাত্রদলের কর্মীরা। পরে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমানের হস্তক্ষেপে আমরা মোবাইল ফেরত পাই। মোহনা টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান মোমিন ইসলাম জানান, স্টার নিউজের জহুরুল ভাইয়ের ওপর যখন হামলার ঘটনা ঘটে এ সময় আমি ভিডিও ধারণ করছিলাম। ছাত্রদলের কর্মীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে আমাকে মারধর করেন। তারা আমার মাথায় এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারেন। এ সময় সমকাল পত্রিকার কুমারখালি উপজেলা প্রতিনিধি নয়ন ভাইকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন তারা। এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমানকে একাধিকবার ফোন দিল তিনি রিসিভ করেননি। এই বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ ও সদস্য সচিব জাকির হোসেন সরকারকে একাধিক বার ফোন দেওয়া হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। চ্যানেল ২৪-এর সিনিয়র রিপোর্টার শরীফ বিশ্বাস জানান, কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর প্রোগ্রামে সংবাদ কভারেজ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা এর আগে কখনো ঘটেনি। আমরা চাই অবশ্যই জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এই ঘটনায় জেলায় কর্মরত সংবাদ কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোবের সৃষ্টি হয়েছে। রবিউল আলম ইভান/এএমকে
