‘ভাড়াটিয়া মাস্তান’ দিয়ে ৭৮ শতাংশ জমির ধান লুট
Why this classification
A concrete incident occurred on Tuesday, 12 May 2026, when hired men allegedly cut and took the paddy from 78 decimals of disputed land while threatening the farmers with murder. Because the crops were forcibly seized under threats, the report describes real violence, and the 'Incident Type' is set to Other because no person was physically injured.
Killed
0
Injured
0
Summary
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কায়েমপুর ইউনিয়নের খারুয়াজংলায় মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে দুই কৃষকের ৭৮ শতাংশ জমির পাকা ধান জোর করে কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, হত্যার হুমকি দিয়ে জমির মালিকানা দাবিদার আব্দুল আজিজ এ কাজ করিয়েছেন, যদিও তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
‘ভাড়াটিয়া মাস্তান’ দিয়ে ৭৮ শতাংশ জমির ধান লুট
‘ভাড়াটিয়া মাস্তান’ দিয়ে ৭৮ শতাংশ জমির ধান লুট শাহজাদপুরে খারুয়াজংলা এলাকায় জমির আধা পাকা ধান কেটে লুটে নেয় দুর্বৃত্তরা সমকাল শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬ | ০৭:৫৮ | প্রিন্ট সংস্করণ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ভাড়াটিয়া মাস্তান দিয়ে দুই কৃষকের ৭৮ শতাংশ জমির পাকা ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, বৈধ মালিকানা না থাকলেও ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে আব্দুল আজিজ নামে এক ব্যক্তি তাঁর সহযোগীদের নিয়ে জোর করে ধান কেটে নিয়ে গেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের খারুয়াজংলা মৌজায়। ভুক্তভোগী কৃষক সকিম প্রামাণিক ও ফটিক প্রামাণিক জানান, এসএ ১৪৭৩ দাগের ৩০ শতাংশ, ১১৭৯ দাগের ১৬ শতাংশ এবং ১১৭২ দাগের ৩২ শতাংশসহ মোট ৭৮ শতাংশ জমি তাদের মা শুকুরন নেছা ১৯৭৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি দুই ছেলের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। সেই থেকে তারা জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি কায়েমপুর ইউনিয়নের বাড়াবিল গ্রামের আব্দুল আজিজ ওই জমির মালিকানা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে শাহজাদপুর আইনজীবী সমিতিতে উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশ বৈঠক হয়। সেখানে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও যুক্তিতর্ক শেষে তারা প্রকৃত মালিক হিসেবে প্রমাণিত হন বলে দাবি করেন দুই ভাই। সকিম প্রামাণিক বলেন, ‘সালিশে আমরা জমির বৈধ মালিক প্রমাণিত হওয়ার পরও আব্দুল আজিজ তা মানেননি। মঙ্গলবার সকালে ভাড়াটিয়া গুন্ডাবাহিনী নিয়ে এসে জোর করে জমির সব ধান কেটে নিয়ে গেছে।’ ফটিক প্রামাণিক অভিযোগ করে বলেন, ‘সুলতান, শাহ আলম, মমিন, সাগর, জোমেরসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী ধান কাটার সময় আমাদের ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেয়। আমরা বাধা দিতে পারিনি।’ এ ঘটনায় তারা শাহজাদপুর আমলি আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। তবে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘জমিটি আমার। আমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছি। নিজের জমির ধান নিজেই কেটে নিয়েছি।’ এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল কাদের বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ - বিষয় : - ধান
