অবৈধ সার উদ্ধার অভিযানে কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগ
Why this classification
This is classified as a violent incident because it involves physical assault and confinement of government agricultural officials and journalists by traders and locals during an official raid.
Killed
0
Injured
5
Summary
গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি বন্দরে অবৈধ সার উদ্ধারে অভিযানে গেলে কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও অবরুদ্ধ করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৫০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
অবৈধ সার উদ্ধার অভিযানে কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগ
অবৈধ সার উদ্ধার অভিযানে কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগ ১৫০ বস্তা সার জব্দ গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের কামারজানি বন্দরে এ ঘটনা ঘটে। ছবি: সমকাল গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৫:২৩ গাইবান্ধায় অবৈধভাবে মজুত করা সার উদ্ধারে গিয়ে কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের হামলা ও অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় ১৫০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের কামারজানি বন্দরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামারজানি বন্দরের কীটনাশক ব্যবসায়ী সানোয়ার মুন্সী জেলার বাইরে থেকে এনে তার দোকানে প্রায় ৪০০ বস্তা ইউরিয়া সার মজুত করেছেন-এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালায় কৃষি বিভাগ। জেলা কৃষি বিভাগের উপপরিচালক মো. আসাদুজ্জামান ও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল আলমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় সানোয়ার মুন্সীর গুদামে মজুত করা ইউরিয়া সার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় সানোয়ার মুন্সীর ছোট ভাই জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে কয়েকজন কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেন এবং তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় কৃষি বিভাগের উপপরিচালক, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং সময় টেলিভিশনের প্রতিবেদক বিপ্লব ইসলাম, সোহেল রানাসহ স্থানীয় পাঁচ সাংবাদিককে লাঞ্ছিত ও অবরুদ্ধ করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান। পরে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস শাহাদাত ফাহিম ও কামারজানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কামারজানি বন্দরের খুচরা সার ও কীটনাশক বিক্রেতা সানোয়ার মুন্সীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তার গুদাম থেকে ১৫০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। কামারজানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এ ধরনের ঘটনা মোটেই ঠিক হয়নি। তিনি বলেন, কামারজানি ইউনিয়নে ভুট্টার চাষ বেশি হওয়ায় সারের বাড়তি চাহিদা থাকে। নির্ধারিত ডিলারের মাধ্যমে পাওয়া সার দিয়ে সবার চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় না। এ কারণে হয়তো বাইরে থেকে সার আনা হয়েছিল। তবে অবৈধভাবে সার আনা ঠিক হয়নি। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুস শাহাদাত ফাহিম বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে গুরুতর কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে যা হয়েছে, তা মোটেও ঠিক হয়নি। তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে সার মজুতের অভিযোগে ব্যবসায়ী সানোয়ার মুন্সীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ১৫০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা সার পরদিন নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে। - বিষয় : - গাইবান্ধা - সার সংকট - হামলার অভিযোগ
