১৩ মাসের শিশুকে ২ লাখ টাকায় বিক্রি, দাদা-দাদিসহ গ্রেপ্তার ৫

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

ঘটনাটি একটি শিশুকে বিক্রি করার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, যা মানব পাচার আইনের অধীনে পড়ে। পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করেছে এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যা একটি সুনির্দিষ্ট সহিংস অপরাধের ঘটনা।

Reported by:SamakalDhaka PostJugantorProthom AloCorroborated · 4 sources
08/10/26•ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ

Killed

0

Injured

0

Summary

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ১৩ মাস বয়সী এক শিশুকে দুই লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগে শিশুটির দাদা-দাদিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে ঢাকার দোহার থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 7

Perpetrator side

Family Members

Victim side

Child

Other actors

উজ্জ্বল মিয়া (দাদা)আয়েশা খাতুন (দাদি)শরিফা খাতুন (ফুফু)আবেদ মোল্লাশিখা (আবেদের স্ত্রী)নাঈম মিয়া (বাবা)রোজিনা বেগম (মা)

Tags

Child TraffickingFamily DisputeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Family Members

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Child

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 08/10/26open original ↗

১৩ মাসের শিশুকে ২ লাখ টাকায় বিক্রি, দাদা-দাদিসহ গ্রেপ্তার ৫

১৩ মাসের শিশুকে ২ লাখ টাকায় বিক্রি, দাদা-দাদিসহ গ্রেপ্তার ৫ গ্রেপ্তার ৫ জন নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ০৬:৩৮ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ১৩ মাস বয়সী এক শিশুকে দুই লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বাবা ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ঢাকার দোহার থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে শিশুটির দাদা-দাদিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার ভোররাতে দোহার উপজেলার চর মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচণ্ডী এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার ও তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- শিশুটির দাদা উজ্জ্বল মিয়া (৫০), দাদি আয়েশা খাতুন (৪৫), ফুফু শরিফা খাতুন (৩৫) এবং দোহারের হরিচণ্ডী এলাকার বাসিন্দা আবেদ মোল্লা (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী শিখা (৩৫)। আবেদ ও শিখার কাছ থেকেই শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে ঈশ্বরগঞ্জের মাইজহাটি এলাকার নাঈম মিয়ার (২৫) সঙ্গে রোজিনা বেগমের (২১) বিয়ে হয়। তাঁদের একমাত্র সন্তান মোজাহিদের বয়স ১৩ মাস। পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় পাঁচ মাস আগে রোজিনাকে মারধর করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তখন শিশুটিকে নিজের কাছে রেখে দেন নাঈম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। বর্তমানে জীবিকার তাগিদে গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন রোজিনা। রোজিনা স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে তাঁর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন দুই লাখ টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। পরদিন রাতে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে সন্তানের সন্ধান চাইলে তাঁকে গালাগাল ও মারধর করে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। সন্তানের সন্ধান না পেয়ে গত সোমবার ঈশ্বরগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন রোজিনা। পরে জিডির সূত্র ধরে তদন্তে নামে পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় শিশুটির অবস্থান দোহারে শনাক্ত করার পর বুধবার ভোররাতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় শিশুটিকে উদ্ধার এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় রোজিনা বেগম বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করেছেন। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন বলেন, যে দম্পতির কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাঁদের কোনো সন্তান ছিল না। লালন-পালনের উদ্দেশ্যেই তাঁরা শিশুটিকে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে শিশুটিকে হস্তান্তরের আইনগত প্রক্রিয়া সঠিক ছিল না। ওসি বলেন, শিশুটি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে নিরাপদ রয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বুধবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে। - বিষয় : - ময়মনসিংহ - সন্তান বিক্রি - গ্রেপ্তার

Source 2: Dhaka Post · 07/10/26open original ↗

দুই লাখ টাকায় ১৩ মাসের শিশুকে বিক্রি, দাদা-দাদিসহ গ্রেপ্তার ৫

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দুই লাখ টাকায় ১৩ মাস বয়সী এক শিশুকে পাচারের উদ্দেশ্যে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তার বাবা ও স্বজনদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিশুটিকে ঢাকার দোহার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) ভোরে ঢাকার দোহার থানার চর মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচণ্ডী এলাকা থেকে শিশু মোজাহিদকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া শিশু মোজাহিদ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজহাটি (সুতি ভরট) এলাকার বাসিন্দা উজ্জল মিয়ার ছেলে। তার বয়স ১৩ মাস। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে উজ্জল মিয়ার সঙ্গে রোজিনা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিরোধের জেরে রোজিনার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগ করেন তিনি। প্রায় পাঁচ মাস আগে রোজিনাকে মারধর করে তার শিশুসন্তানকে স্বামীর বাড়িতে রেখে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে রোজিনা গার্মেন্টসে চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন। এর মধ্যে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ থানার মাইজহাটি (সুতি ভরট) এলাকায় উজ্জল মিয়া ও তার স্বজনরা অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে তাদের কাছে শিশু মোজাহিদকে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে পাচারের উদ্দেশ্যে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শিশুটির মা। খবর পেয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রোজিনা স্বামীর বাড়িতে গিয়ে সন্তানকে বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে আসামিরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত সোমবার (৫ অক্টোবর) শিশুটির মা রোজিনা বেগম বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে বুধবার (৭ অক্টোবর) শিশুটিকে উদ্ধারের পরে মামলাটি রুজু করা হয়। মামলায় মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬-এর ৬/৮ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মামলার পর দ্রুত তদন্তে নেমে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে ঢাকার দোহার থানার চর মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচণ্ডী এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এজাহারনামীয় আসামি শিশুর দাদা উজ্জল মিয়া (৫০), দাদি আয়শা খাতুন (৪৫) ও ফুফু শরিফা খাতুন (৩৫) এবং তদন্তে সন্দেহভাজন আবেদ মোল্লা (৩৫) ও তার স্ত্রী শিখাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজ্জাদ রোমন বলেন, মামলা রুজুর দ্রুত সময়ের মধ্যে পাচারকৃত ১৩ মাস বয়সী শিশু মোজাহিদকে ৭ অক্টোবর ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার দোহার থানার চর মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচণ্ডী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাচ্চাটি পুলিশ হেফাজতে আছে। আদালতের সিদ্ধান্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সাখাওয়াত সুমন/আরএআর

Source 3: Jugantor · 07/10/26open original ↗

ময়মনসিংহে যুবককে গলা কেটে হত্যা, গ্রেফতার ১

ময়মনসিংহে যুবককে গলা কেটে হত্যা, গ্রেফতার ১ Advertisement ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া ভাঙ্গারপুল এলাকায় এক যুবককে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। ভিকটিমের নাম সাদ্দাম হোসেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা অন্তর নামে ঘাতককে হাতেনাতে ধরে কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করেছে। মঙ্গলবার দুপুর ১টায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সাদ্দামকে রক্তাক্ত উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম জানান, সাদ্দাম এলাকায় মাদকসেবী হিসাবে পরিচিত। অন্তর সাদ্দামকে তার নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাত ও গলা কেটে হত্যা করে। সাদ্দামের ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে দরজা ভেঙে অন্তরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। ওসি জানান, অন্তর নিজেও এলাকায় বখাটে, মাদকসেবী ও লুচ্চা হিসাবে পরিচিত। সম্প্রতি এক নারীকে জড়িয়ে ধরায় গত দুদিন আগে সাদ্দাম তাকে মারধর করে। এরই জেরে মঙ্গলবার নিজ বসতঘরে ডেকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাদ্দাম নগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুদ্দীনের সম্বন্ধী। এলাকার চিহ্নিত মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী। পাশাপাশি অন্তরও নুরুদ্দীন গ্রুপের সদস্য, মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী। এলাকায় নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত এরা। মাদককে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা। এদের দুজনের বিরুদ্ধে মাদকসহ নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

Source 4: Prothom Alo · 10/10/26open original ↗

ময়মনসিংহে দুই বছরের শিশুকে বিষ পান করিয়ে হত্যা, আদালতে সৎমায়ের স্বীকারোক্তি

আসামি আকলিমা আক্তারছবি: সংগৃহীত ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় দুই বছরের শিশু ওয়াসকুরুনি ইসলামকে বিষ পান করিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন সৎমা আকলিমা আক্তার। সতিনের ছেলে হওয়ায় ‘রাস্তা ক্লিয়ার’ করতে তিনি শিশুটিকে হত্যা করেন বলে জবানবন্দির বরাতে পুলিশ জানিয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তাহমিনা আক্তারের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আকলিমা। বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান ও গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান। মোস্তাছিনুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শিশু ওয়াসকুরুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায় স্বীকার করে সৎমা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এর আগে মঙ্গলবার গৌরীপুর উপজেলার বীরপুর দত্তবাড়ি গ্রামের বাড়িতে শিশু ওয়াসকুরুনিকে বিষ পান করানো হয়। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা শেফালী বেগম লিখিত অভিযোগ করেন। পরে সেটি মামলা হিসেবে নিয়ে শিশুটির বাবা আবদুল কাদির ও সৎমা আকলিমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শিশুটির মা শেফালী বেগম অভিযোগ করেন, তাঁকে না জানিয়ে সৎমাকে আসল মা সাজিয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ এনে গোপনে দাফনের চেষ্টাও করেছিলেন। সৎমায়ের জবানবন্দির বরাত দিয়ে ওসি মো. হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সতিনের ছেলে হওয়ায় শিশুটিকে নিজের পথের কাঁটা মনে করতেন আকলিমা। নিজের ‘রাস্তা ক্লিয়ার’ করতে তিনি এ কাজ করেছেন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে শিশুটির বাবাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে, যা শুনানির অপেক্ষায় আছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে গৌরীপুরের বীরপুর দত্তবাড়ি গ্রামের আবদুল কাদিরের সঙ্গে একই উপজেলার বড় কালীহর গ্রামের শেফালী বেগমের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে দুই সন্তান জয়নাল আবেদীন (৮) ও ওয়াসকুরুনি (২)। গত বছরের নভেম্বর মাসে তাঁদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। বিচ্ছেদের এক সপ্তাহ পর আবদুল কাদির আকলিমা আক্তারকে বিয়ে করেন। আগের সংসারের দুই সন্তান ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন তিনি। শিশুটির মা শেফালী বেগম অভিযোগ করেন, তাঁর সন্তানকে বিষ পান করিয়ে হত্যা করেছেন কাদির ও তাঁর বর্তমান স্ত্রী। তাঁকে না জানিয়ে সৎমাকে আসল মা সাজিয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ এনে গোপনে দাফনের চেষ্টাও করেছিলেন। পরে লোকজন তাঁকে বিষয়টি জানায়। তিনি ছেলে হত্যার বিচার চান। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ময়মনসিংহ বিভাগশিশুআদালতময়মনসিংহগৌরীপুরহত্যা