চার দিনে অপহৃত ২৮ জেলে সুন্দরবনসংলগ্ন সাগরে আতঙ্ক
Why this classification
This is a specific, recent incident in which armed gangs seized 28 fishermen at gunpoint near Dublarchar and Narikelbaria char in Bagerhat, and are still holding 20 of them and beating them to extract ransom. Because it involves armed abduction, physical violence and death threats, it counts as violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
১৩ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সুন্দরবনসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জাহাঙ্গীর বাহিনী ও শরীফ বাহিনীর সদস্যরা অস্ত্রের মুখে ২৮ জেলেকে অপহরণ করে। আটজন মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেও ট্রলারসহ ২০ জেলে এখনও জিম্মি, যাদের নিয়মিত মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jahangir Bahini, Sharif Bahini
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চার দিনে অপহৃত ২৮ জেলে সুন্দরবনসংলগ্ন সাগরে আতঙ্ক
চার দিনে অপহৃত ২৮ জেলে সুন্দরবনসংলগ্ন সাগরে আতঙ্ক মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:০৭ | প্রিন্ট সংস্করণ সুন্দরবনসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে চার দিনের মধ্যে দুই দফায় জলদস্যুদের হাতে অপহরণের শিকার হয়েছেন ২৮ জেলে। তাদের মধ্যে আটজন মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এলেও ট্রলারসহ ২০ জেলে এখনও জিম্মি। এ অবস্থায় দুই দিন ধরে সমুদ্রে যাওয়া বন্ধ রেখেছেন জেলেরা। এতে করে মাছ আহরণ, শুঁটকি উৎপাদন ও বাজার সরবরাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন, প্রথম দফায় শুক্রবার রাতে সুন্দরবনসংলগ্ন পশ্চিমাঞ্চলের সাগরে একটি ট্রলারসহ আট জেলেকে অপহরণ করে জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা। সোমবার মধ্যরাতে দুবলারচরসংলগ্ন পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রে জেলেদের বহরে অতর্কিত হামলা চালায় শরীফ বাহিনী। তারা দুটি ট্রলার, জালসহ আরও ২০ জেলেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়। বন বিভাগের দুবলা টহল ফাঁড়ির কর্মকর্তা মিল্টন রায় বুধবার জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে অপহরণের শিকার আট জেলে মাথাপিছু ৭০-৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে দুবলারচরের শুঁটকিপল্লিতে ফিরেছেন। তবে সোমবার রাতে অপহৃত নারিকেলবাড়িয়া চরের শংকর বিশ্বাস ও বিমল বিশ্বাসের দুটি ট্রলারসহ ২০ জেলে এখনও জিম্মি। ফিরে আসা জেলেরা তাদের কাছে অভিযোগ করেছেন, মুক্তিপণ চেয়ে জলদস্যুরা জিম্মিদের নিয়মিত মারধর করছে। তারা দ্রুত টাকা না দিলে হত্যারও হুমকি দিচ্ছে। দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বুধবার দুপুরে মোবাইল ফোনে বলেন, সোমবার রাতে নারিকেলবাড়িয়া চরসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে আটটি ট্রলার থেকে আট জেলেকে তুলে নিয়ে যায় দস্যুরা। অপহৃত জেলেরা হলেন– হরিদাস বিশ্বাস (৫০), গোপাল বিশ্বাস (৪৫), রমেশ বিশ্বাস (৫০), প্রশান্ত বিশ্বাস (৪৮), শংকর বিশ্বাস (৩৫), তুষার বিশ্বাস (৪০), মনিরুল বিশ্বাস (৪৮) ও উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস (৪৫)। একই রাতে আমবাড়িয়ার খাড়ি এলাকায় ১২টি ট্রলার থেকে আরও ১২ জেলেকে তুলে নেয় দস্যুরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন– কালিদাস বিশ্বাস, কাশেম মোড়ল, সাধন বিশ্বাস, শিবপদ বিশ্বাস, রশিদ সরদার, প্রকাশ বিশ্বাস, ইয়াসিন মোড়ল, শিমুল, রূপ কুমার বিশ্বাস, গণেশ বিশ্বাস, উত্তম বিশ্বাস ও বাটু বিশ্বাস। দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপ সূত্রে জানা গেছে, চরাঞ্চলে বর্তমান শুঁটকি মৌসুমে অবস্থান করছেন প্রায় ১০-১২ হাজার জেলে। সাম্প্রতিক অপহরণ ও দস্যু তৎপরতায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। যে কারণে দুই দিন ধরে জেলেরা সমুদ্রে যাচ্ছেন না। এতে করে শুঁটকি উৎপাদন ও বাজার সরবরাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। জেলেরা দ্রুত সময়ের মধ্যে যৌথ বাহিনীর অভিযান জোরদার ও সাগরে স্থায়ী নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন। কোস্টগার্ড পশ্চিম (মোংলা) জোনের মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তাকে কয়েক দফায় কল দিলেও তিনি ধরেননি। তবে কোস্টগার্ডের একটি সূত্রে জানা গেছে, জিম্মি জেলেদের উদ্ধার ও সাগর এলাকায় দস্যু দমনে দ্রুতই অভিযানের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। - বিষয় : - সুন্দরবন
