কসবায় বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

AI-classifiedconfidence 98%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Brahmanbaria. Parties reported: Influential Local Group, Former UP Member Abdul Awal and associates. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 3 sources.

Reported by:Ajker PatrikaProthom AloJugantorCorroborated · 3 sources
24/03/26•Shimrail, Kasba

Killed

1

Injured

0

Summary

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ‘তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি’ পেজের পরিচালক দ্বীন ইসলামকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মাদক ও অপরাধবিরোধী ভিডিও তৈরির জেরে স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

98% · severity 8

Parties involved

Influential Local GroupFormer UP Member Abdul Awal and associates

Tags

MurderLand DisputeGang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 24/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 24/03/26open original ↗

কসবায় বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দ্বীন ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে অপহরণের পর পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে একটি সংঘবদ্ধ দল দ্বীন ইসলামকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বুড়ি নদী পার করে কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার গাঙ্গেরকুট এলাকায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। কসবা থানা-পুলিশ নদীর পাড়ে গিয়ে জানতে পারে ঘটনাস্থলটি কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার আওতাধীন। পরে বাঙ্গরা থানার সিদ্ধিরগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ দ্বীন ইসলামকে উদ্ধার করে কসবা থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহত দ্বীন ইসলাম কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের সফিকুর ইসলাম ও পারুলী বেগমের ছেলে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ‘তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি’ নামে একটি পেজ পরিচালনা করতেন। মাদক সেবন ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে ভিডিও তৈরি করে তিনি এলাকায় পরিচিতি লাভ করেন।নিহতের পিতা সফিকুল ইসলামের দাবি, অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেছে। তাঁরা এ ঘটনায় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল আওয়াল ও তাঁর সহযোগীদের জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক ইউপি সদস্য মো. আবদুল আওয়াল বলেন, তিনি শুনেছেন দ্বীন ইসলামকে মারধর করে মেরে ফেলা হয়েছে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। ষড়যন্ত্র করে একটি চক্র তাঁকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার করছে। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, কয়েক ব্যক্তি তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মারধর করে হত্যা করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Source 2: Jugantor · 25/08/26open original ↗

কসবায় গণধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গণধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় জাহাঙ্গীর আলম (৪২) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে র্যাব-৯, সিপিসি-১ ব্রাহ্মণবাড়িয়া তাকে কসবা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। গ্রেফতার জাহাঙ্গীর আলম কসবা উপজেলার ভল্লবপুর গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কসবা থানায় ২১ জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতার জাহাঙ্গীর আলম ওই মামলার ২ নম্বর আসামি। মামলার বাদী তিন সন্তানের জননী নিলুফা বেগম। তার স্বামী জাহের মিয়া। বাদী, আসামি ও সংশ্লিষ্টরা একই গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। কসবা থানা পুলিশ জানায়, বাদী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে মামলা করার জন্য আবেদন করেন। পরে আদালত কসবা থানা পুলিশকে এফআইআর করার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশের পর মামলাটি থানায় নথিভুক্ত করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কসবা থানার ওসি (তদন্ত) নুরুল আমিন জানান, গ্রেফতার আসামিকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বুধবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। অপর আসামিদের গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Source 3: Prothom Alo · 26/03/26open original ↗

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে তুলে নিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা, বিএনপি নেতাসহ আসামি ১৫

দ্বীন ইসলামছবি: সংগৃহীত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে নিহত দ্বীন ইসলামের (৩০) বাবা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কসবা থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, প্যানেল চেয়ারম্যানসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, নিহত ব্যক্তির বাবা বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। তবে তিনি আসামিদের নাম প্রকাশ করেননি। নিহত দ্বীন ইসলাম কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ‘তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি’ নামের একটি পেজ পরিচালনা করতেন। মাদকসেবন, মাদকের ব্যবসা, সীমান্তে মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে ভিডিও তৈরি করতেন। জায়গাজমি নিয়ে আগে থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ ছিল। দুই সপ্তাহ আগে নিহত ব্যক্তির মা পারুল বেগম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছিলেন। আরও পড়ুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা ২৪ মার্চ ২০২৬ নিহত ব্যক্তির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মামলায় মেহারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল আওয়াল (৪৮), আক্তার হোসেন (৪২), ওমর ফারুক (৩৭), মেহারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম (৪০), জুলহাস মিয়া (৪৭), বাবুল মিয়া (৫২), ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হান্নান (৫৪), স্থানীয় মো. হারুন মিয়া (৫৫), মো. জিলানী মিয়া (৪০), আলমগীর হোসেন (৪২), শহিদ মিয়া (৫০), মোসলেম মিয়া (৪৫), জানু মিয়া (৪৯), নুরুল হক (৩৫) ও সুমন মিয়াকে (৩৫) আসামি করা হয়েছে। আসামিরা সবাই মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামের বাসিন্দা। নিহত দ্বীন ইসলামের ছোট বোন জোনাকি আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যায় আমার ভাইরে কে যেন থ্রেট দিছে। ভাই সন্ধ্যায় মাদক নিয়ে ভিডিও ছাড়ছে। মঙ্গলবার সকালে বাড়িতে আইসা কইছে, “নাশতা দাও।” ভাত দেওনের জন্য পানি আনতে আমি টিউবওয়েলের দিকে যাই। হঠাৎ দেখি, কিছু পোলাপাইন ও মানুষ বাড়ির দিকে আইতাছে। ভাইরে কওয়ার পর ঘরের কারে (সিলিংয়ে) গিয়া লুকাইছে। পোলাপাইন ও মানুষগুলো আইসা ঘরের দরজা ভাইঙ্গা ভাইরে খুঁইজা বাইর কইরা চোহের সামনে মারধর করে। বাড়ি থেইক্যা টেনে হিঁচড়াইয়্যা রাস্তা নিয়ে অটো গাড়িতে তুইল্যা গাঙের পাড়ের দিকে লইয়্যা গেছে।’ বাবা শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘মেহারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল আওয়াল ও মেহারী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে একটি দল বাড়িতে এসে ঘরে ঢুকে ভাঙচুর করে এবং ছেলে দ্বীন ইসলামকে মারধর করে। তাদের ভয়ে ছেলে ঘরের সিলিংয়ের ওপর উঠেও রক্ষা পায়নি। সেখান থেকে ছেলেকে নামিয়ে মারধর করে অটোতে (ইজিবাইক) তুলে ছেলেকে নিয়ে যায়। মাদকের ব্যবসা নিয়ে লেখালেখি করায় এবং লাইভে এসে বিএনপি নেতার নাম বলায় তাঁরা খেপে ছেলেকে হত্যা করেছে।’ ওসি নাজনীন সুলতানা প্রথম আলাকে বলেন, মামলার কপি আদালতে না পাঠানো পর্যন্ত আসামিদের নাম বলা যাবে না। তিনি বলেন, সম্পত্তি নিয়ে ও পারিবারিক বিষয়ে মামলাসহ স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে বিরোধের জেরে দ্বীন ইসলামকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল দ্বীন ইসলামকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বুড়ি নদ পার করে কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার গাঙ্গেরকুট এলাকায় নদের পাড়ে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল বুধবার রাতে শিমরাইল গ্রামে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ব্রাহ্মণবাড়িয়াবিএনপিমামলাকনটেন্ট ক্রিয়েটরচট্টগ্রাম বিভাগ