ধর্ষণ চেষ্টা, অভিযুক্তের হাত কামড়ে বাঁচলেন কিশোরী

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

প্রতিবেদনটি একটি নির্দিষ্ট যৌন আক্রমণ ঘটনার বর্ণনা, যার মধ্যে কোনো রাজনৈতিক পার্টি বা দল জড়িত নয়; তাই এটি রাজনৈতিক হিংসা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় না।

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
10/07/26•ধানখুনিয়া (রথেরবাজার) এলাকা

Killed

0

Injured

0

Summary

১০ জুলাই রাতে গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে আশরাফ প্রধান ধর্ষণ করার চেষ্টা করে, তবে কিশোরী লাথি ও কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে কিশোরীর পরিবার গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আশরাফ প্রধানরুলী বেগমমোজাম্মেল হকমাসুম বিল্লাহ

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 16/07/26open original ↗

ধর্ষণ চেষ্টা, অভিযুক্তের হাত কামড়ে বাঁচলেন কিশোরী

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নামের ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে। রীতিমতো যুদ্ধ করে সাহসিকতার সাথে অভিযুক্তের হাতে কামড় দিয়ে নিজেকে রক্ষা করেছে ওই ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার। বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক ঢাকাপোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ঘটনাটি ঘটে ১০ জুলাই রাতে, উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের ধানখুনিয়া (রথেরবাজার) এলাকায়। পরে মামলা হয় ১৩ জুলাই। বিষয়টি ধামাচাপ দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হলে আজ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঘটনাটি জানাজানি হয় এবং পরে গণমাধ্যমকর্মীদের নজরে আসে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামির নাম আশরাফ প্রধান (৪২)। তিনি একই এলাকার আবজার আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে কিশোরী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ির পেছনের টয়লেটে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত আশরাফ প্রধান তার মুখ চেপে ধরে বাগানে নিয়ে যায়; সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় কিশোরী নিজেকে সামলে অভিযুক্তকে লাথি দিলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে কিশোরীর গলা চেপে ধরে। একপর্যায়ে কিশোরী তার হাতে কামড় দিলে কিশোরীকে ছেড়ে দেয় আশরাফ। সুযোগ পেয়ে কিশোরী দৌঁড়ে নিজেকে রক্ষা করেন। তবে, কিশোরী দৌঁড় দিলে তার ওড়না ধরে তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় অভিযুক্ত আশরাফ। পরে কিশোরী বাড়ি এসে ঘটনাটি তার নানীকে জানায়, ততক্ষণে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় মাতব্বরা বিষয়টি বিচারের নামে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত গত সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগীর মামি বাদি হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ভুক্তভোগী কিশোরীর মামি ও মামলার বাদি রুলি বেগম জানান, আমরা অসহায় মেয়েটাকে নানীর কাছে বাড়িতে রেখে ঢাকায় গার্মেন্টেসে কাজ করি। কিন্তু মেয়েটার সর্বনাশ করার চেষ্টা করে লম্পট আশরাফ। বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে কয়েকজন বিচারের নামে প্রহসন শুরু করে। আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি, আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে এর সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। ভুক্তভোগী কিশোরী বলেন, আমার বাবা-মা নেই, আমি অসহায়। কেন আমার সাথেই এমন করা হলো? আমি এর কঠিন বিচার চাই। এই কিশোরী শঙ্কা প্রকাশ করে আরও বলেন, এ ঘটনার বিচার না হলে আমাকে মেরেও ফেলতে পারে। আমি এর বিচার চাই। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, অনেক সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে ভিকটিম। ওই ঘটনায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে, আমরা গ্রেপ্তারে চেষ্টা করছি। মাসুম বিল্লাহ/ডিএ

Source 2: Jugantor · 25/06/26open original ↗

খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ রেস্টুরেন্টে আগুন

খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশু ধর্ষণ রেস্টুরেন্টে আগুন Advertisement গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ছয় বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আমির উদ্দিন (৪০) নামে এক রেস্টুরেন্ট মালিককে পিটুনি দিয়েছে জনতা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে পেছনের দরজা দিয়ে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলা সদরের ভেড়ামারা ব্রিজ এলাকার ‘জাফলং চাইনিজ’ রেস্টুরেন্টে এ ঘটনা ঘটে। পরে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রেস্টুরেন্টে আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয় বাহিরবন্দ ও ভেড়ামারা এলাকার লোকজন জানায়, বছরখানেক আগে মানিক নামের এক ব্যক্তি ঘাঘট নদীর পাড়ে নির্জন স্থানে রেস্টুরেন্টটি তৈরি করেন। চারপাশে ছোট ছোট খুপড়ি ঘরের মতো বিভিন্ন রঙের গোপনঘর তৈরি করা হয়। বর্তমানে ভাড়া নিয়ে সেটি চালাচ্ছিলেন আমির উদ্দিন। জানা যায়, রেস্টুরেন্ট মালিক আমির উদ্দিন বুধবার সকালে ওই শিশুকে ফুসলিয়ে চাইনিজ ও ফাস্ট ফুড খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে রেস্টুরেন্টের গোপনঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে ধর্ষক আমির উদ্দিনকে ধরে ফেলে। পরে তারা রেস্টুরেন্টটিতে ভাঙচুর চালায় এবং আমির উদ্দিনকে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ জনতার রোষানল থেকে কৌশলে পেছনের দরজা দিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাস্ট ফুড ও চাইনিজ খাবার বিক্রির নামে রেস্টুরেন্টটিতে দূর-দূরান্ত থেকে নারীদের এনে অসামাজিক কার্যকলাপ করানো হয়। অবাধে চলে মদ, জুয়া ও মাদকের কারবার। গাইবান্ধা শহরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মাদকাসেবীরা রাতদিন আসর জমায়। পাশাপাশি চলে অসামাজিক কার্যকলাপ। গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ধর্ষককে বাঁচাতে কৌশলে উদ্ধার করার বিষয়টি স্বীকার করেন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।