রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ, স্থানীয়দের দাবি ডাকাত

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

This is a valid, recent report of a man shot dead in the Nayapara Rohingya camp in Teknaf, Cox's Bazar, with police suspecting a gang feud. The article also reports a stabbing in Keraniganj and a body found in Jibannagar, but this record covers the Teknaf shooting, which is the first and most clearly violent incident.

Reported by:SamakalSingle source
14/01/26•নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিকাশ মোড়

Killed

1

Injured

0

Summary

কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিকাশ মোড় এলাকা থেকে ২০২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি (বুধবার) ভোরে আবদুর রহিম (৪০) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ক্যাম্পবাসীর দাবি, তিনি সক্রিয় ডাকাত দল সালমান শাহ গ্রুপের সদস্য ছিলেন এবং পুলিশ ডাকাত দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে ধারণা করছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

88% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

আবদুর রহিম ওরফে রইক্ষ্যা (৪০)সালমান শাহ গ্রুপ (ক্যাম্পবাসীর দাবি অনুযায়ী ডাকাত দল)টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম

Tags

MurderGang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 15/01/26open original ↗

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ, স্থানীয়দের দাবি ডাকাত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ, স্থানীয়দের দাবি ডাকাত সমকাল ডেস্ক প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৩০ | প্রিন্ট সংস্করণ কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিকাশ মোড় থেকে আবদুর রহিম ওরফে রইক্ষ্যা (৪০) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার ভোরে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ক্যাম্পের লোকজনের দাবি, রহিম নামে ওই যুবক ক্যাম্পে সক্রিয় ডাকাত দল সালমান শাহ গ্রুপের সদস্য। তিনি হ্নীলা ইউনিয়নের মোছনী গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে। ক্যাম্পের বাসিন্দারা জানান, ফজরের নামাজের জন্য ভোরে ঘর থেকে বের হয়ে তারা বিকাশ মোড় এলাকায় রহিমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হলে এপিবিএন ও টেকনাফ মডেল থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার এবং শনাক্ত করে। টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাত দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এদিকে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অজ্ঞাতদের ছুরিকাঘাতে আহমেদ দেওয়ান (৬০) নামে এক নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন। গতকাল সকালে কোন্ডা ইউনিয়নের পানগাঁও এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত আহমেদ দেওয়ান মৃত নসা দেওয়ানের ছেলে। নিহতের মেয়ে রেখা আক্তার জানান, তাঁর বাবা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বসুন্ধরা রিভারভিউ পানগাঁও এলাকায় হক ডক ইয়ার্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা রক্ষী। সকালে বাসা থেকে চাকরিতে যাওয়ার সময় পানগাঁও এলাকায় অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি আমার বাবাকে পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক বাবাকে মৃত ঘোষণা করেন। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, এখনও মামলা হয়নি। কি কারণে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জাহিদ হাসান (২৭) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের পিয়ারাতলা গ্রামের হারু শাহের মাজারের পাশের একটি ঘাসের জমি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি জাহিদকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। জাহিদ জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের খয়েরহুদা গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে। জাহিদের ফুফাতো ভাই আব্বাস উদ্দিন জানান, গত মঙ্গলবার রাত থেকে জাহিদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে ফোনে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পাই জাহিদের লাশ। তিনি অভিযোগ করেন, পিয়ারাতলা গ্রামের প্রবাসী মো. পারভেজের স্ত্রী উর্মির সঙ্গে জাহিদের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এ কারণে পারভেজের পরিবার প্রায়ই জাহিদকে মেরে ফেলার হুমকি দিত। আমাদের ধারণা তাকে হত্যা করা হয়েছে। জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ জানান, সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। (সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর) - বিষয় : - খুন