বাকিতে পণ্য কেনাকে কেন্দ্র করে দোকানে ভাঙচুর-গুলি
Why this classification
A group of 30 to 40 people led by Rana Bhandari and his brother Mamun attacked a shop in Sreepur, Gazipur, on the night of 12 May 2026, vandalising and looting it. Gunshots were fired during the attack and five people were injured, which makes this a concrete, recent act of violence.
Killed
0
Injured
5
Summary
গাজীপুরের শ্রীপুরে মাওনা চৌরাস্তায় ১২ মে (মঙ্গলবার) রাত ৮টার দিকে বাকিতে পণ্য কেনাকে কেন্দ্র করে রানা ভান্ডারি ও তার ভাই মামুনের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন একটি দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে দোকান মালিকের ছেলেসহ পাঁচজন আহত হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বাকিতে পণ্য কেনাকে কেন্দ্র করে দোকানে ভাঙচুর-গুলি
বাকিতে পণ্য কেনাকে কেন্দ্র করে দোকানে ভাঙচুর-গুলি Advertisement গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম ছবি: যুগান্তর গাজীপুরের শ্রীপুরে বাকিতে দোকানের পণ্য কেনাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির পর তিন রাউন্ড গুলি ছুড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাওনা চৌরাস্তায় হাজী কাছম আলী ফকির সুপার মার্কেটের নিউ জামালপুর গ্লাস অ্যান্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ফেক্সিকেটর নামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মার্কেটের মালিক হাজী কাছম আলী ফকিরের ছেলে কামাল ফকির, তার ভাগিনা সিয়াম, দোকানের ব্যবস্থাপক শাহিন, কর্মচারী শান্ত ও শ্যামল। অভিযুক্তরা হলেন- রানা ভন্ডারি (৪০) ও তার ছোট ভাই মামুন (৩০)। তারা কেওয়া গ্রামের নুরু কসাইয়ের ছেলে। দোকান মালিক ফয়সাল আহমেদ জানান, রানা ভান্ডারি বিভিন্ন সময় তার দোকান থেকে থাইসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল ক্রয় করতেন। আগেই তার কাছে টাকা পাওনা আছে৷ শনিবার (৯ মে) রানা ভান্ডারি ৭২ হাজার টাকার থাই মালামালের ক্রয়ের জন্য আসেন। এ সময় তিনি ৩০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেন। মঙ্গলবার বাকি ৪২ হাজার টাকা পরিশোধ করে মাল নেওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার বিকালে থাই গ্লাস নিতে এলে ৪২ হাজার টাকা চাওয়া হলেই উত্তেজিত হয়ে দোকানের কর্মচারী শ্যামলকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি মীংমাসা করে দেন। পরে রাত ৮টার দিকে রানা ভান্ডারি ও তার ভাই মামুনের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জন একত্রিত হয়ে দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় তাদের বাধা দিতে গেলে মার্কেট মালিক কামাল ফকির ও তার ভাগিনা সিয়াম, দোকানের ম্যানেজার শাহিন ও শান্ত আহত হন। এ সময় দোকান মালিক ফয়সালকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছুড়েন। গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাছির আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
