জামায়াত না করায় বিএনপি কর্মীর দুই মেয়েকে নির্যাতন
Why this classification
Two women were beaten by their husbands and in-laws, who are linked to Jamaat, because their father supports BNP and they would not follow the in-laws' political views. One woman was also verbally divorced with triple talaq and the other was beaten and sent back to her father's house, so this is a concrete physical attack and not just a statement.
Killed
0
Injured
2
Summary
শ্যামনগরে জামায়াতকে সমর্থন না করা এবং বিএনপি সমর্থক বাবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে দুই গৃহবধূকে শ্বশুরবাড়িতে মারধর ও নির্যাতন করা হয়েছে। এক ভুক্তভোগীকে মুখে মুখে তিন তালাক দিয়ে বাড়ি ছাড়তে বলা হয় এবং অন্যজনকে বাবার বাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে বাধ্য করে পিটিয়ে বাবার বাড়ি পাঠানো হয়।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 19/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
জামায়াত না করায় বিএনপি কর্মীর দুই মেয়েকে নির্যাতন
জামায়াত না করায় বিএনপি কর্মীর দুই মেয়েকে নির্যাতন শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৪০ | প্রিন্ট সংস্করণ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থন না করার অভিযোগ তুলে দুই গৃহবধূকে শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতন করা হয়েছে। তাদের বাবা বিএনপির সমর্থক হওয়ায় এমন নির্যাতন চালানো হয় বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী জোসনা খাতুন (২৫) ও সুলতানা আক্তার (২০) উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের গাইনবাড়ি এলাকার আব্দুর রশিদের মেয়ে। তাদের মধ্যে জোসনার শ্বশুরবাড়ি একই ইউনিয়নের চণ্ডীপুরে, সুলতানার শ্বশুরবাড়ি পাতাখালী গ্রামে। জোসনা খাতুনের ভাষ্য, তাঁর স্বামী এনামুল হোসেনসহ পুরো পরিবার জামায়াতের রাজনীতিতে জড়িত। তাঁর বাবা ও বোনেরা বিএনপির সমর্থক। নির্বাচনের আগে তিনি বাবার বাড়িতে যেতে চাইলে অত্যাচার-নির্যাতন শুরু হয়। এক পর্যায়ে ইটভাটায় কাজে যাওয়ার আগে এনামুল তাঁকে মারধর করেন। এ সময় বিএনপি কর্মী বাবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ তুলে এনামুল তাঁকে মুখে মুখে তিন তালাক দিয়ে বাড়ি ছেড়ে যেতে বলেন। আব্দুর রশিদের দাবি, আহত মেয়েকে আনতে গেলে জোসনার মামাশ্বশুর জামায়াতে ইসলামীর নেতা গোলাম মোস্তফা তাঁকে গালাগাল করে ‘বিএনপি করার সাধ মেটানো’র হুমকি দেন। তাঁর অভিযোগ, জোসনার স্বামী এনামুলের সঙ্গে নির্যাতনেও অংশ নেন গোলাম মোস্তফা। এনামুল হোসেনের নম্বরে কল করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মামা গোলাম মোস্তফা বলেন, পারিবারিক বিষয়কে রাজনৈতিক রং দেওয়া হচ্ছে। তবে তিনি বলেন, বিয়ের পর স্বামীর পরিচয়ে স্ত্রীকে চলতে ও পরিচয় দিতে হয়। তাই স্বামীর পরিবারের আদর্শ মেনে চলতে তাঁকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। সুলতানার অভিযোগ, তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ি সবাই জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বাবার বাড়িতে গেলে বিএনপিকে ভোট দেবেন– এ জন্য স্বামী ইমাম হোসেন তাঁকে বেদম মারধর করেন। এমনকি বাবার বাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দেন। তা না মানায় পিটিয়ে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেন। ইমাম হোসেনের দাবি, স্বামী হিসেবে কথা না শোনায় স্ত্রীকে বাপের বাড়িতে চলে যেতে বলেছিলেন। রাগের মাথায় দু-চারটি চড়-থাপ্পড় মারা হয়েছিল কিনা, খেয়াল নেই। তাঁর শ্বশুর ‘বিএনপি-বিএনপি’ করে তাদের সংসার করতে দিলেন না। তিনিও স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন বলে স্বীকার করেন। পদ্মপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদুল ইসলাম বলেন, মেয়ে দুটির বাবা বিএনপি করেন। তাদের বিয়ে দিয়েছেন জামায়াতের রাজনীতিতে যুক্ত পরিবারে। - বিষয় : - নির্যাতন
