বিয়ের দুই মাস পরই ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নববধূ! সাবেক প্রেমিক গ্রেপ্তার
Why this classification
ঘটনাটি ধর্ষণের অভিযোগ, যা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত। রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা নেই, তাই রাজনৈতিক সহিংসতা নয়।
Killed
0
Injured
0
Summary
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় দুই মাস আগে বিয়ে হওয়া এক নববধূ ৭ মাস ১৯ দিনের অন্তঃসত্ত্বা পাওয়ার পর ধর্ষণের অভিযোগে নিহাদ ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর মায়ের মামলায় পুলিশ তাকে আটক করে এবং মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: নিহাদ ইসলাম
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: ভুক্তভোগী
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
বিয়ের দুই মাস পরই ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নববধূ! সাবেক প্রেমিক গ্রেপ্তার
বিয়ের দুই মাস পরই জানা গেল নববধূ ৭ মাস ১৯ দিনের অন্তঃসত্ত্বা। চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নববধূর মায়ের করা মামলায় উয়ারুক গ্রামের লুতু মিয়ার ছেলে নিহাদ ইসলামকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে শাহরাস্তি মডেল থানার পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, শাহরাস্তি উপজেলার ওই মেয়ের দুই মাস আগে বিয়ে হয়। এরপর অসুস্থতা অনুভব করলে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানা যায়, তিনি ৭ মাস ১৯ দিনের অন্তঃসত্ত্বা। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটি জানান, উপজেলার উয়ারুক গ্রামের নিহাদ ইসলামের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে নিহাদ তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। কিন্তু মেয়েটি যখন বিয়ের জন্য চাপ দেন, তখন নিহাদ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।অভিযোগে বলা হয়, কিছুদিন আগে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে নিহাদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মেয়েটি এবং তাঁর পরিবারের কাছ থেকে জোরপূর্বক একটি খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে নেন। নিহাদের পরিবারের ভয়ে তারা আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেনি। পরে বিষয়টি শাহরাস্তি মডেল থানার নজরে এলে থানা-পুলিশ মেয়েটির পরিবারকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেয়। এরপর মেয়েটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।মামলার বাদী জানান, তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। হুমকি-ধমকির কারণে ভয়ে তিনি বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেননি। তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও আটক করা হবে। ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
দুই মাসের নববধূ ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, প্রাক্তন প্রেমিক গ্রেফতার
দুই মাসের নববধূ ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, প্রাক্তন প্রেমিক গ্রেফতার Advertisement শাহরাস্তি (চাঁদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম গ্রেফতার প্রাক্তন প্রেমিক নিহাদ ইসলাম। ছবি: যুগান্তর চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বিয়ের দুই মাসের মাথায় নববধূর সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) রাতে এ ঘটনায় উপজেলার উয়ারুক এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রাক্তন প্রেমিক নিহাদ ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গেছে, চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার বাসিন্দা ওই নারীর দুমাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের দুমাস অতিবাহিত হওয়ার পর জানা যায়, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিশ্চিত হতে উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরীক্ষা শেষে জানা যায়, মেয়েটি ৭ মাস ১৯ দিনের অন্তঃসত্ত্বা। এরপর মেয়েটিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী উয়ারুক গ্রামের লুতু মিয়ার ছেলে নিহাদ ইসলামের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হওয়ার পর সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এরপর বিয়ের জন্য চাপ দিলে অভিযুক্ত নিহাদ ইসলাম তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। কয়েকদিন আগে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে নিহাদ ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা ভুক্তভোগী এবং তার পরিবারের নিকট থেকে জোরপূর্বক একটি খালি স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়। প্রভাবশালী নিহাদের পরিবারের ভয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার আইনি ব্যবস্থা নিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। বিষয়টি শাহরাস্তি থানার নজরে আসলে থানা পুলিশ মেয়েটির পরিবারকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেয়। পুলিশের আশ্বাস পেয়ে মেয়েটির মা বাদী হয়ে গতকাল শাহরাস্তি থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার বাদী জানান, তার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়াও তারা হুমকি-ধমকি দেওয়ার কারণে সে ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেনি। শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান জানান, প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত বাকিদের গ্রেফতার করা হবে।
