ভৈরবে খেলাফত মজলিস প্রার্থীর নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ
Why this classification
This incident was classified as political violence in Nilphamari. Parties reported: Bangladesh Khelafat Majlis, BNP. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
0
Summary
কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে খেলাফত মজলিস প্রার্থী আতাউল্লাহ আমিনের নারী কর্মীদের ওপর ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেলে ভৈরবপুর উত্তরপাড়ায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে যে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে উপহার বিতরণের সময় স্থানীয়রা তা প্রতিরোধ করেছে মাত্র।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 3
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ভৈরবে বাবাসহ মাদ্রাসাছাত্রী অপহরণের চেষ্টা, ২ ব্যক্তি আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ১৬ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রী ও তার বাবাকে অপহরণচেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে শহরের কমলপুর নিউটাউন এলাকায় স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটক করে ভৈরব থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।আটক ব্যক্তিরা হলেন, শহরের গাছতলাঘাট এলাকার বাসিন্দা মো. জসিম মিয়া (৪৮) ও তাঁর সহযোগী অটোরিকশাচালক মো. রনি মিয়া (৩২)। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, আটক জসিম মিয়া বিভিন্ন সময়ে নিজেকে রাজনৈতিক নেতা ও সাংবাদিক পরিচয়ে দিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতেন।থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসায় যাতায়াতের পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন জসিম মিয়া। শনিবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে নিউটাউন এলাকার ভাই ভাই ভিলার সামনে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ছাত্রীকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ছাত্রীর বাবা হারুনুর রশীদ বাধা দিলে তাঁকেও অপহরণের চেষ্টা করা হয়। ছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। ছাত্রীর বাবা হারুনুর রশীদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার শরিফা বেগম নামের এক নারী তাঁর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা চেক জালিয়াতির মামলা করেন। ওই মামলায় তিনি এখন জামিনে রয়েছেন। পরবর্তীকালে জসিম মিয়া ওই নারীর সঙ্গে যোগসাজশ করে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তাঁর কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় তাঁকে নিয়মিত হয়রানি করছিলেন জসিম মিয়া। ঘটনার দিন জসিম মিয়া এক রাজনৈতিক নেতার নাম ব্যবহার করে তাঁকে ও তাঁর মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জ-৬ এ খেলাফত মজলিসের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ
কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে (ভৈরব-কুলিয়ারচর) ১১ দলীয় জোট প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী আতাউল্লাহ আমিনের গণসংযোগের সময় নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার ( ৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভৈরব পৌর শহরের ভৈরবপুর উত্তরপাড়ায় হামলার ঘটনা ঘটে। সোমবার রাতে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কেএম মামুনুর রশীদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অপরদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভৈরব উপজেলা বিএনপি। নারী ভোটারদের প্রলোভন দেখিয়ে কম্বল, বোরকা, চাদর বিতরণ করা হচ্ছিল বলে জানান তারা। এ বিষয়ে এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল হক জয় বলেন, সকাল থেকে আমাদের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমিনকে নিয়ে গণসংযোগে ছিলাম। তার বাড়ির পাশে আমানত ইসলামী স্কুল। এটি ওই প্রার্থীর পরিবারের সদস্যরা পরিচালনা করেন। ট্রাস্টি বোর্ডের অর্থায়নে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে কম্বল বিতরণ করা হয়। কম্বলের কিছু সেখানে রয়ে যায়। আজ বেলা আড়াইটার দিকে আতাউল্লাহ আমিনের বাড়ির সামনে থেকে কিছু নারী তার পক্ষে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় যুবদলের কয়েকজনের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে তারা আমাদের প্রার্থীর বোন ও ভগিনীপতির গায়ে হাত তোলেন। পরে পুলিশ ও সেনাসদস্যরা সেখানে আসার পর হামলাকারী স্থান ত্যাগ করে। অভিযোগ অস্বীকার করে ভৈরব উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো.রফিকুল ইসলাম বলেন, আতাউল্লাহ আমিনের বাড়ি থেকে ভোটারদের বোরকা, চাদর, টাকা ও কম্বল দেওয়া হচ্ছিল। এর মাধ্যমে ভোটারদের রিকশা প্রতীকের পক্ষে ভোট দিতে প্ররোচিত করা হয়। পরে এলাকার স্থানীয় কয়েকজন সেখানে গিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এ সময় প্রার্থীর ভাইসহ কয়েকজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। নির্বাচনের তিনদিন আগে ভোটারদের উপহার প্রদান করে নির্বাচনি আইন লঙ্ঘন করেছে তারা। ভৈরব উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বলেন, ভোটের আগে কোনো প্রার্থীর বাড়ি থেকে কাউকে নগদ অর্থ, বোরকা ও কম্বল দেওয়া আচরণবিধির লঙ্ঘনের শামিল। অথচ রিকশার প্রার্থীর বাড়ির লোকজন তাই করছিলেন। এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কেএম মামুনুর রশীদ বলেন, একজন প্রার্থীর নারী কর্মীদের ওপর হামলার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আবার বিএনপির প্রার্থীর পক্ষ থেকে কম্বল, চাদর, বোরকা, টাকা বিতরণের মৌখিক অভিযোগও পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, আতাউল্লাহ আমীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব। এবারের নির্বাচনে তিনি রিকশা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, আসনটিতে ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ অঞ্চল) শরিফুল আলম।
