স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনে যুবকের মৃত্যু
Why this classification
A 27-year-old man, Rubel Mia, was tied up and severely beaten by his wife, her brother, and others at his in-laws' house on 22 April 2026, and he died in hospital on 24 April. A murder case was filed, and the accused are absconding.
Killed
1
Injured
0
Summary
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ২২ এপ্রিল স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধরে গুরুতর আহত রুবেল মিয়া (২৭) ২৪ এপ্রিল রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল ভূরুঙ্গামারী থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে এবং স্ত্রী জেসমিন বেগমসহ অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনে যুবকের মৃত্যু
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের মাহিগঞ্জ এলাকায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে রুবেল মিয়া (২৭) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শনিবার (২৫ এপ্রিল) ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মৃত রুবেল মিয়া ওই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে রুবেল মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রী জেসমিন বেগমের কলহ চলে আসছিলে গত বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রুবেল মিয়া তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে যান। অভিযোগ উঠেছে, সেখানে যাওয়ার পর স্ত্রী জেসমিন বেগম, তার বড় ভাই মিজানুর রহমানসহ আরও কয়েকজন মিলে রুবেল মিয়ার হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রুবেলের পরিবারের সদস্যরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ভূরুঙ্গামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্ত্রী জেসমিন ও তার বড় ভাই মিজানুর রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা পলাতক রয়েছে। পরে শনিবার ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। রুবেলের বাবা আব্দুল জলিলের বলেন, আমার ছেলেকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই। স্ত্রী জেসমিন বেগমের পরিবার লোকজন পলাতক থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। আসামি আটকে পুলিশের তৎপরতা চলমান রয়েছে। মমিনুল ইসলাম বাবু/আরকে
ভূরুঙ্গামারীতে প্রবাসীর বাড়িতে লুটপাট
ভূরুঙ্গামারীতে প্রবাসীর বাড়িতে লুটপাট Advertisement ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভূরুঙ্গামারীতে সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর বাসায় ঢুকে লুটপাট ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জয়মনিরহাট ইউনিয়নের শিংঝাড় গ্রামের চায়না প্রবাসী ডা. রোকনুজ্জামান কিরণের ডুপ্লেক্স বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ব্যক্তিগত কাজে তিনি ২৪ থেকে ২৭ এপ্রিল সপরিবারে রংপুরে অবস্থান করেন। এর মধ্যে বাসায় লুটপাট হয়। কেয়ারটেকার আলেপ উদ্দিন বলেন, রোববার রাতে আমি ওই বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে চলে যাই। পরদিন সকাল ১০টার দিকে ধান মাড়াই করতে আসা শ্রমিকরা আগুন লাগার বিষয়টি টের পায় এবং বাড়ির মালিককে জানানো হয়। পরে এলাকাবাসী জানালার গ্লাস ভেঙে আগুন নেভায়। ডা. রোকনুজ্জামান বলেন, রোববার বাড়িতে কেউ ছিল না। রাতে দুষ্কৃতকারীরা বাড়ি থেকে মূল্যবান বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। এছাড়া তাদের লাগিয়ে দেওয়া আগুনে বাড়ির বিভিন্ন আসবাব, দলিলপত্র ও দেশি-বিদেশি ডকুমেন্ট পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ওসি আজিম উদ্দিন বলেন, আগুন লাগানোর কারণ বের করার চেষ্টা চলছে। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
