চুনারুঘাটে দুই কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন
Why this classification
The article reports a concrete incident of two teenagers being tied to a tree and beaten by locals on suspicion of theft. This is a mob justice incident, not a political or criminal gang event.
Killed
0
Injured
2
Summary
চুনারুঘাটের ডুলনা গ্রামে বাটন মোবাইল চুরির সন্দেহে দুই কিশোরকে গাছে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। ২৩ জুন বিকালে এ ঘটনা ঘটে; পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
95% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চুনারুঘাটে দুই কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন
বাটন মোবাইল চুরির অভিযোগ চুনারুঘাটে দুই কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন Advertisement চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চুনারুঘাটে বাটন মোবাইল চুরির অভিযোগে দুই কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ডুলনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে মাঠে নেমেছে পুলিশ। পরে ওই দুই কিশোরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা যায়, উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ডুলনা গ্রামে ওই দুই কিশোর স্থানীয় একটি জমিতে মাছ ধরতে যায়। এ সময় ওই গ্রামের রুবেল মিয়া এবং ছয়শ্রী গ্রামের হাছন আলী তাদের ডেকে নেয়। পরে বাটন মোবাইল চুরির সন্দেহে দুই কিশোরকে দড়ি দিয়ে গাছে বাঁধেন। এরপর আরও কয়েকজনকে জড়ো করে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের পরিবারের দাবি, মাছ ধরার সময় ওই দুই কিশোরকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ‘চোর ধরেছি’ বলে স্থানীয় লোকজন জড়ো করা হয়। এরপর তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
