শ্বশুরবাড়ির পাশে নদীর ধারে যুবকের লাশ
Why this classification
This is a single, concrete incident in which a young man was reportedly strangled with a belt and his body was hung from a tree near his in-laws' house in Parbatipur, Dinajpur, on 12 March 2026. Police are investigating, and the local union chairman believes it was a planned killing, so it counts as a murder.
Killed
1
Injured
0
Summary
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে তিলাই নদীর পাড়ে শ্বশুরবাড়ির কাছে মোজাম্মেল হক (২৮) নামে এক যুবকের লাশ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গলায় কোমরের বেল্ট পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ একটি আম গাছে অর্ধেক ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, এবং পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শ্বশুরবাড়ির পাশে নদীর ধারে যুবকের লাশ
শ্বশুরবাড়ির পাশে নদীর ধারে যুবকের লাশ Advertisement পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩১ পিএম দিনাজপুরের পার্বতীপুরে শ্বশুরবাড়ির পাশে তিলাই নদীর পাড়ে পড়ে ছিল মোজাম্মেল হক (২৮) নামে এক যুবকের লাশ। বৃহস্পতিবার সকালে লাশটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, উপজেলার হাবড়া চন্ডিপুর গ্রামের মোখছেদুল হকের জামাতা মোজান্মেল হককে কে বা কারা গলায় কোমরের বেল্ট প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর নদীর পাড়ে ছোট একটি আম গাছে অর্ধেক ঝুলন্ত করে রাখে। সকালে লোকজন দেখতে পেলে জানাজানি হয়। মৃত মোজাম্মেল হক বিরামপুর উপজেলার কাঠলা ইউনিয়নের কাটাপুর গ্রামের আজিবর রহমানের ছেলে। প্রায় দুবছর পূর্বে পার্বতীপুরের চন্ডিপুর গ্রামের মোখছেদুল হকের মেয়ে মনিরা খাতুন মনির (২৫) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। মনিরার এর আগে একবার বিয়ে হয়েছিল এবং সেই ঘরের প্রায় ৬ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। অপর দিকে নিহত মোজাম্মেল হকেরও এটি ছিল দ্বিতীয় বিয়ে। আগের স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মনিরা খাতুন মনিরকে বিয়ে করেন মোজাম্মেল হক। লাশ উদ্ধারের সময় পুলিশের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হাবড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রফেসর আনিছুর রহমান। তিনি জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে তার ধারণা। পার্বতীপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন জানান, মৃতের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। তার স্ত্রী মনিরা খাতুন মনিসহ শ্বশুরবাড়ির কাউকে পাওয়া যায়নি। মডেল থানার ওসি আব্দুল ওয়াদুদ জানান, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
