নিরাপত্তার দাবিতে রোববার থেকে সাজেকে সড়ক অবরোধ

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports that on 29 September 2026 the JS Santu armed group fired shots that injured a child in Sajek, Rangamati. This concrete violent act occurred within Bangladesh and within the 14‑day window, so it is classified as a violence incident.

Reported by:SamakalDhaka PostCorroborated · 2 sources
29/09/26•Sajek

Killed

0

Injured

1

Summary

সাজেক এলাকায় জেএসএস সন্তু গোষ্ঠীর গুলিতে ২৯ সেপ্টেম্বর কস্মিতা ত্রিপুরা নামের একটি শিশুর আঘাত হয়। স্থানীয় সংগঠনগুলো এই গোষ্ঠীর উপস্থিতি ও হুমকির প্রতিবাদে রোববার সকাল ৬টায় সড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

কস্মিতা ত্রিপুরানতুন জয় চাকমাবাবুধন চাকমা

Tags

Gang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 29/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 11/10/26open original ↗

নিরাপত্তার দাবিতে রোববার থেকে সাজেকে সড়ক অবরোধ

নিরাপত্তার দাবিতে রোববার থেকে সাজেকে সড়ক অবরোধ ছবি: ফাইল রাঙামাটি অফিস প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ | ২৩:০১ রাঙামাটির সাজেকে একটি সশস্ত্র সংগঠনের তৎপরতা ও সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে আগামীকাল রোববার সকাল ৬টা থেকে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ডেকেছে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন। ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়ার পরও দাবি পূরণ না হওয়ায় এ কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এ দুটি সংগঠন। আজ শনিবার সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমার যৌথ বিবৃতিতে এই অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, জেএসএস সন্তু গ্রুপের নামে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সাজেকের সাধারণ মানুষকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। ৮ অক্টোবরের এক সমাবেশ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হলেও প্রশাসন এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বরং প্রতিবাদকারীদের দোকান ও বাসাবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ওই সশস্ত্র গোষ্ঠী সাজেকের ভুয়োছড়ি, চাইল্যাতলী ও মাচলং ক্যাম্পের আশপাশে অবস্থান করছে এবং স্থানীয়দের হুমকি দিচ্ছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ওই গোষ্ঠীর ছোড়া গুলিতে কস্মিতা ত্রিপুরা নামে এক শিশু আহত হয়েছে। তাই এ সশস্ত্র গ্রুপটি যতদিন সাজেকে অবস্থান করবে, ততদিন এলাকায় অশান্তি বিরাজ করবে এবং কারোর জীবনের নিরাপত্তা থাকবে না বলে দাবি করা হয়েছে। বিবৃতিতে অবরোধ কর্মসূচি সফল করতে সাজেক ইউনিয়নসহ বাঘাইছড়ি ও দীঘিনালা উপজেলার যানবাহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। তবে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও সংবাদকর্মীদের যানবাহন অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। - বিষয় : - রাঙামাটি

Source 2: Dhaka Post · 11/10/26open original ↗

সাজেকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ, ভোগান্তিতে পর্যটকরা

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে যাতায়াতের সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হয়েছে। এতে সাজেকে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের মধ্যে ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় সাজেকে অবস্থানরত অনেক পর্যটক আটকা পড়েছেন। রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকেই সাজেক-দীঘিনালা সড়কের গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছেন অবরোধকারীরা। এতে সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালাগামী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর আগে গত শনিবার (১০ অক্টোবর) সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমার দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সাজেকের উজোবাজার এলাকায় আয়োজিত সমাবেশ থেকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিল সংগঠন দুটি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু গ্রুপ) নামে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সাজেকে অবস্থান নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এতে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে দাবি সংগঠন দুটির। সশস্ত্র গোষ্ঠীটিকে সরিয়ে নেওয়া, স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সংগঠন দুটির নেতারা আরও অভিযোগ করেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাজেকের চাইল্যাতলী এলাকায় গুলিতে কস্মিতা ত্রিপুরা (৮) নামে এক শিশু আহত হয়। তাদের দাবি, এসব ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এদিকে অবরোধের কারণে সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে নেওয়া এবং নতুন পর্যটকদের সেখানে প্রবেশের বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, অবরোধের কারণে আগের মতো দুই দফার পরিবর্তে দুপুর ২টায় একবার স্কর্ট চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে। ওই স্কর্টে সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের নামিয়ে আনা এবং নতুন পর্যটকদের প্রবেশের ব্যবস্থা হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে অবরোধ চলাকালে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, মরদেহ বহনকারী গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন, সংবাদপত্র বহনকারী গাড়ি এবং সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকদের যানবাহন কর্মসূচির আওতামুক্ত রাখার কথা জানানো হয়েছে। মোস্তফা কামাল রাজু/এসএইচএ