কর্মচারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, থানায় লিখিত অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a specific, recent incident in which the owner of a fish enclosure, Shekhar Bosu, tied up his employee Narayan Halder, beat him, shaved his head and urinated in his mouth, leaving him seriously injured and hospitalised. The incident happened on the night of 24 February 2026, within the 14-day window, and it is a severe physical assault rather than a simple arrest or a reaction to an earlier event.

Reported by:JugantorSingle source
24/02/26•কদমবাড়ি গ্রামের মাছের ঘেরের পাড়ের ঘর

Killed

0

Injured

1

Summary

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদক সংশ্লিষ্টতার তথ্য পুলিশকে দেওয়ার সন্দেহে ঘেরের মালিক শেখর বসু কর্মচারী নারায়ণ হালদারকে রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করেন, মাথার চুল কেটে দেন এবং পানি চাইলে মুখে প্রস্রাব করেন। ঘটনাটি ২০২৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘটে এবং ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

শেখর বসু (ঘের মালিক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান)নারায়ণ হালদার (ভুক্তভোগী কর্মচারী)আগৈলঝাড়া থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন

Affected infrastructure

মাছের ঘেরের ঘর

Tags

Drug War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 24/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 28/02/26open original ↗

কর্মচারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, থানায় লিখিত অভিযোগ

কর্মচারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, থানায় লিখিত অভিযোগ Advertisement আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:১১ পিএম নির্যাতনের শিকার নারায়ণ হালদার। অভিযুক্ত নির্যাতনকারী শেখর বসুর। (বাম পাশ থেকে) বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে মাছের ঘেরের মালিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পুলিশকে দেওয়ার সন্দেহে এক কর্মচারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ঘের মালিক শেখর বসুর বিরুদ্ধে। ঘের মালিক জেল থেকে বের হয়ে কর্মচারী নারায়ণ হালদারকে রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করে মাথার চুল কেটে দেয়। নারায়ণ পানি চাইলে মুখে প্রস্রাব করে শেখর বসু। এ ঘটনায় শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগী কর্মচারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কোদালধোয়া গ্রামের মৃত নরেন বসুর ছেলে শেখর বসুর (৪৫) কদমবাড়ি গ্রামে একটি মাছের ঘের রয়েছে। ওই ঘেরে একাধিক কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি শেখর বসুকে মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। শেখর বসু ১২ দিন জেল খেটে ২২ ফেব্রুয়ারি জামিনে বের হন। এরপর ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজের ঘেরপাড়ের ঘরে সব কর্মচারীকে ডেকে তার গ্রেফতারের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে সব কর্মচারীকে ছেড়ে দেয়। এ সময় বাকাল গ্রামের মৃত হরলাল হালদারের ছেলে নারায়ণ হালদারকে গ্রেফতারের তথ্য দেওয়ার সন্দেহে ঘরে আটক করে রশি দিয়ে বাঁধা হয়। এরপর তাকে মারধর করে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। এ সময় নারায়ণ হালদার অসুস্থ হয়ে পড়লে পানি খেতে চাইলে শেখর বসু তার মুখে প্রস্রাব করে দেন। নির্যাতনের ঘটনার পর শেখর বসু নিজের মাকে ভিডিও কলে দেখালে তার মা নারায়ণ হালদারকে ছেড়ে দিতে বলেন। এ সময় নারায়ণ হালদারের মোবাইল, টাকা, টর্চলাইট রেখে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নারায়ণ হালদারকে পরিবারের লোকজন আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারায়ণ হালদার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শেখর বসু সাংবাদিকদের জানান, নারায়ণ হালদারকে নির্যাতনের সঙ্গে আমি জড়িত নই। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। অসুস্থ হয়ে বরিশালে চিকিৎসা নিচ্ছি। এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুরো ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।