মাইকে ঘোষণা দিয়ে বনভূমি উদ্ধার অভিযানে হামলা
Why this classification
প্রতিবেদনে ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে মহেশখালীতে বনভূমি উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে দখলদার চক্রের হামলায় সাত বনকর্মী আহত হওয়ার একটি নির্দিষ্ট, সাম্প্রতিক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। তাই এটি সহিংস ঘটনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
Killed
0
Injured
7
Summary
১৬ জুন ২০২৬ সকাল ১১টায় কক্সবাজারের মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের সময় দখলদার চক্র মাইকিং করে লোক জড়ো করে বনকর্মীদের ওপর লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রে হামলা চালায়। এতে সাত বনকর্মী আহত হন এবং অভিযান ব্যাহত হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 7
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Forest Department
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মাইকে ঘোষণা দিয়ে বনভূমি উদ্ধার অভিযানে হামলা
মাইকে ঘোষণা দিয়ে বনভূমি উদ্ধার অভিযানে হামলা মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬ | ০৮:২৯ | প্রিন্ট সংস্করণ কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নে সরকারি বনভূমি উদ্ধার অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন সাতজন বনকর্মী। অভিযোগ উঠেছে, অবৈধ দখলদারদের একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয়ভাবে মাইকিং করে লোকজনকে উস্কানি দিয়ে বন বিভাগের কর্মীদের ওপর এ হামলা চালায়। এতে কয়েকজন বনকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে শাপলাপুর ইউনিয়নের জেএমঘাট এলাকায় মহেশখালী রেঞ্জের উদ্যোগে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করার নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সেখানে গেলে দখলদার চক্র বাধা সৃষ্টি করে। তাদের হামলায় মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, বন প্রহরী তুষার সাহা, বন পাহারা দলের সদস্য আক্তার হোসেন, কেরুনতলী বিট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, বনকর্মী নজরুল হুদা, মো. আনোয়ার হোসেন ও নবায়ন চাকমা আহত হন। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে দখলদারদের পক্ষ থেকে স্থানীয় মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাধারণ মানুষকে জড়ো করা হয়। পরে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত একদল লোক সংঘবদ্ধভাবে বনকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে অভিযানরত কর্মকর্তারা আহত হন এবং অভিযান ব্যাহত হয়। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বন বিভাগ জানিয়েছে, সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে। মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘দখলদার চক্র পরিকল্পিতভাবে মাইকিং করে সাধারণ মানুষকে উস্কানি দেয় এবং বনকর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।’ মহেশখালী থানার ওসি আব্দুস সোলতান। তিনি বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে। - বিষয় : - হামলা
৭ বছরের শিশুকে নিপীড়নের পর হত্যা, আটক ৩
৭ বছরের শিশুকে নিপীড়নের পর হত্যা, আটক ৩ Advertisement চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম চকরিয়া থানা কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় সাত বছরের শিশুকে নিপীড়নের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিখোঁজ হওয়ার পরদিন মঙ্গলবার সকালে পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। তারা হলো- স্থানীয় দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মানিক ওরফে কাবিলা, আবদুল আজিজের ছেলে তারেক ও আরমান। মৃত শিশুর নাম ওয়াহিদুল ইসলাম। সে ওই এলাকার তৌহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে। নিপীড়ন করে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা থেকে ওয়াহিদুল নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান মেলেনি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ডোবায় তার লাশ দেখতে পেয়ে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করেন। পূর্ব বড়ভেওলা ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) হারুনুর রশিদ জানান, সকালে ফজুমিয়াজিরচর এলাকার একটি ছোট খালে শিশুটির লাশ দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদ যুগান্তরকে বলেন, শিশুটিকে তিনজন মিলে নিপীড়নে পর হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক তিন ব্যক্তি পুলিশের কাছে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
