চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ভাতিজাদের বিরুদ্ধে
Why this classification
The article reports a specific, recent incident in Faridpur where two nephews beat their uncle to death with a hammer and a wooden baton, and a third nephew was hacked while trying to stop them. The death and the injury are concrete violent acts, so the report qualifies as a violence incident.
Killed
1
Injured
1
Summary
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চর চাঁদপুর গ্রামে ২০২৬ সালের ২৯ মে (শুক্রবার) সন্ধ্যায় বসতবাড়ির গাছ কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজা সুমন ও তুষার হাতুড়ি ও কাঠের বাটাম দিয়ে চাচা সিরাজুল ইসলামকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এ সময় ঠেকাতে গিয়ে অপর ভাতিজা মাসুদ রানা কুপিয়ে আহত হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ভাতিজাদের বিরুদ্ধে
গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ভাতিজাদের বিরুদ্ধে নিহত সিরাজুল ইসলাম ফরিদপুর অফিস প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬ | ১৭:৪৬ বসতবাড়ির গাছ কাটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সিরাজুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মাসুদ রানা (৪০) নামে অপর একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চর চাঁদপুর গ্রামে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজী সিরাজুল ইসলাম (৫৭) মানিকগঞ্জে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার বিকালে তিনি কর্মস্থল থেকে নিজ বাড়িতে আসেন বোনদের কোরবানির মাংস দেওয়ার জন্য। বাড়িতে আসার পর দেখতে পান বাড়ির কয়েকটি গাছ কাটা হয়েছে। এমনটি দেখতে পেয়ে ভাতিজা সুমনের কাছে গাছ কাটার বিষয়টি জানতে চাইলে ভাতিজা সুমন সদুত্তর দিতে না পারায় চাচা সিরাজুলের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে সুমন (৪০) ও তুষার (৩২) দুই ভাই চাচা সিরাজুলের উপর হাতুড়ি ও কাঠের বাটাম দিয়ে হামলা চালিয়ে বেদম মারপিট করে। এসময় অপর ভাতিজা মাসুদ রানা ঠেকাতে গেলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা গুরুতর আহত সিরাজুল ইসলামকে উদ্ধার করে ফরিদপুর শহরের হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল আল মামুন শাহ বলেন, নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, নিহত কাজী সিরাজুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা জানান, মামলার প্রস্তুতি চলছে।
ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম, সকাল-সন্ধ্যা সংঘর্ষে আহত ২১
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যা ও আজ শনিবার (৩০ মে) সকালে সংঘর্ষ হয়েছে। দুইদিনে উভয় পক্ষের অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম জানা সম্ভব হয়নি। তারা ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। অনেকে স্থানীয়ভাবেও চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই ইট-পাটকেলের আঘাতে আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে এবং শনিবার (৩০ মে) সকাল আটটার দিকে উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের চুমুরদী গ্রামের বাবলাতলা বাসস্ট্যান্ড ও তৎসংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহার আগে ভিজিএফের চাল কম দেওয়ার অভিযোগ তুলে আকরাম নামের এক যুবক ফেসবুকে লাইভ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল শুক্রবার বিকেলে চুমুরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল আলম সোহাগের সমর্থকদের সঙ্গে আকরামের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১২ জন আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত পেরিয়ে একই ঘটনা নিয়ে ওই দুই দল আজ শনিবার সকালেও বাবলাতলা বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল ছুড়ে সংঘর্ষে জড়ায়। চুমুরদি ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনারউদ্দিন মোল্লা বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় মারামারির পর পুলিশ এসে কয়েক ঘণ্টা এলাকায় ছিল। তখন পরিবেশ শান্ত ছিল। পরে আজ সকালে পুলিশ না থাকায় ওই দুই গ্রুপ আবারও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বাবলাতলা বাসস্ট্যান্ড এবং আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে অনেকে মাথায় হেলমেট পরে ঢাল-সরকি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. আক্তার হোসেন বলেন, গতকাল ও আজকের সংঘর্ষে ১৬ জন রোগী আমাদের হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। কেউ কেউ ভর্তি হয়েছেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, একই ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষ দুই দফায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ এই সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে। মহাসড়কের পাশে ও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এই সংঘর্ষ করায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে কোনো সমস্যা হয়নি। তিনি আরও বলেন, এলাকায় বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। পরিবেশ থমথমে থাকলেও এলাকায় নতুন করে আপাতত কোনো সংঘর্ষের সুযোগ নেই। জহির হোসেন/এসএইচএ
ঝড়ে গাছ পড়া নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২
ফরিদপুরের সালথায় ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ পড়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের পুরুরা সাধু পাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৭ মে) ঝড়ে মুন্নু মোল্লার একটি বড় গাছ তুহিন মোল্লার ঘরের ওপর পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে মুন্নু মোল্লা নিজ খরচে ঘরটি মেরামত করে দেন। তবে মেরামতের পরও ঘরের চালা দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়ে তুহিন মোল্লার সংরক্ষিত পেঁয়াজ ভিজে যায়। এ নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা। সংঘর্ষে উভয় পরিবারের অন্তত ১২ জন আহত হন। সালথা থানার ওসি বাবলুর রহমান খান বলেন, এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
