কোরবানির চামড়া রাখা নিয়ে রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ
Why this classification
This article reports a specific, recent physical clash between two local groups who fought with indigenous weapons for about an hour in Durgapur village, Ashuganj, Brahmanbaria, on the night of 28 May 2026. Ten people were injured, so it qualifies as a violent incident.
Killed
0
Injured
10
Summary
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের দুর্গাপুর গ্রামে ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) রাতে কুরবানির পশুর চামড়া রাখা নিয়ে বাঘারবাড়ি ও শরীয়তউল্লাহ গোষ্ঠীর মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়, যাতে ১০ জন আহত হন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 10
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কোরবানির চামড়া রাখা নিয়ে রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কুরবানির পশু চামড়া রাখা নিয়ে তর্কের জের ধরে দুই গোষ্ঠির মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। রাতের আঁধারে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের বাঘারবাড়ি ও শরীয়তউল্লাহর গোষ্ঠির মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঈদুল আজহার দিন বিকেলে বাঘারবাড়ি গোষ্ঠির মন মিয়ার দোকানের সামনে পশুর চামড়া রাখে শরীয়ত উল্লাহ গোষ্ঠির কামাল ও জয়নাল। এ সময় দোকানের সামনে পশু চামড়া থেকে রক্ত ছড়িয়ে পড়লে বাঘারবাড়ি গোষ্ঠির আক্তার মিয়া প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে উভয় গোষ্ঠির লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। রাতের আঁধারে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ঘণ্টাব্যাপী চলে এই সংঘর্ষ। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে, এ বিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইগত ব্যবস্থা নিচ্ছে। মো. জুয়েল রহমান/এসএইচএ
