শিশুকে খুনতির ছ্যাঁকা, পানিতে চুবিয়ে ধরাসহ নির্মম নির্যাতন
Why this classification
The report describes a specific incident: stepmother Asma Begum burned the child Tasniatul Mahi with a hot iron, drowned her in water, and subjected her to physical abuse. This is a recent, Bangladesh-based violent incident, so it is classified as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সৎমা আসমা বেগম তার সৎমেয়ে শিশু তাসনিয়াতুল মাহীকে গরম খুনতি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া, পানিতে চুবানোসহ নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির দাদা-দাদি ও ফুপু এই নির্যাতনের কথা গণমাধ্যমকে জানান।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 20/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শিশুকে খুনতির ছ্যাঁকা, পানিতে চুবিয়ে ধরাসহ নির্মম নির্যাতন
মঠবাড়িয়ায় সৎমায়ের কাণ্ড শিশুকে খুনতির ছ্যাঁকা, পানিতে চুবিয়ে ধরাসহ নির্মম নির্যাতন Advertisement মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মঠবাড়িয়ায় তাসনিয়াতুল মাহী নামে এক শিশুকে গরম খুনতি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সৎমা আসমা বেগমের বিরুদ্ধে। এছাড়া কারণে-অকারণে তাকে শারীরিক নির্যাতন, পুকুরে নিয়ে পানিতে চুবিয়ে ধরাসহ রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় খাটের নিচে ফেলে রাখার অভিযোগ করেন শিশুটির দাদা আ. রব গাজী, দাদি আয়শা বেগম ও ফুপু আসমা বেগম। মাহী উপজেলার দক্ষিণ মিরুখালী গ্রামের মাসুম গাজীর মেয়ে। সে উত্তর চালিতাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। শিশুটির ফুপু আসমা বেগম বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, মাহীর বয়স যখন দেড় বছর তখন ওর মায়ের সঙ্গে বাবার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে তাকে তিনি তার স্বামীর বাড়িতে নিয়ে লালন-পালন করেন। পরে মাহীর বাবা ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে দ্বিতীয় বিয়ে করলে তাকে বাবার বাড়িতে দিয়ে যান। সৎমা ছয় মাস তাকে কিছু না বললেও পরে তার ওপর নির্যাতন শুরু করেন। এদিকে শিশুটির বাবা চট্টগ্রামে জাহাজে চাকরি করায় দিন দিন এ নির্যাতনের মাত্রা বাড়তেই থাকে বলে জানান ফুপু আসমা বেগম। বৃদ্ধ দাদি আয়শা বেগম বলেন, ‘অসহায় নাতনি মাহীকে পুত্রবধূ আসমা কারণে-অকারণে মারধর করে। এমনকি গ্যাসের চুলায় খুনতি গরম করে ওর শরীরের বিভিন্ন স্থানে চেপে ধরে। আমি এর প্রতিবাদ করলে আমাকে একদিন জুতা দিয়ে আঘাত করে। তাছাড়া প্রায়ই ঝাড়ু নিয়ে আমাকে মারতে তেড়ে আসে।’ দাদা আ. রব গাজী জানান, ‘ছোট নাতনির ওপর এতো নির্যাতন করে যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আমরা কিছু বললে পুত্রবধূ নিজে নিজে আত্মহত্যা করতে যায়। আমাদের মামলা দিয়ে জেল খাটানোসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়।’ শিশু মাহী বলেন, ‘আমি মাঝে মধ্যে রাতে ঘুমের মধ্যে প্রস াব করি। এজন্য আমাকে খাটের নিচে ফেলে রাখতো। খুনতি গরম করে পিঠে ও রানে চেপে ধরে। ভাত খেতে গেলে গলা চেপে ধরে।’ অভিযুক্ত আসমা বেগম শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়ি চলে যাওয়ায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
