শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলা ও শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণ
Why this classification
The article describes armed attacks by Chhatra Dal members on students and Shibir activists at several campuses, resulting in approximately 25 injuries.
Killed
0
Injured
25
Summary
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলার মাধ্যমে ২০-২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এই হামলাগুলোতে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 25
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিবিরের ওপর হামলায় জামায়াতের নিন্দা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়া মাদরাসা এবং গত ৩ আগস্ট রাতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কর্তৃক ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপিসহ কার্যনির্বাহী সদস্য, ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ এনে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে ছাত্রদল সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল ইসলাম আহতদের উদ্ধার করতে গেলে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা বর্বর হামলা চালায়। এতে ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জকসুর জিএস ও ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি মো. আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ছাড়া, গতকাল ৩ আগস্ট রাতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত জুলাইয়ের একটি প্রদর্শনীতে হামলা চালায় ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। একইভাবে ঢাকা আলিয়া মাদরাসায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায় এবং হলের কক্ষ থেকে কয়েকটি ল্যাপটপ ও মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। ঢাকা কলেজেও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। আমি ছাত্রদলের এসব সশস্ত্র হামলা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও দেশবাসী প্রত্যাশা করেছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত হবে, সন্তানরা নিরাপদে থাকবে, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি বন্ধ হবে। শিক্ষার্থীরা তাদের রাজনৈতিক ও মৌলিক অধিকার ফিরে পাবে। ক্যাম্পাসগুলোয় সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের ঝনঝনানি আর শোনা যাবে না, কোনো শিক্ষার্থীকে আর নিপীড়নের শিকার হতে হবে না। কিন্তু বিএনপি সরকার গঠনের পর তাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার পরিবর্তে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সন্ত্রাসী পথ অনুসরণ করে আধিপত্য বিস্তারের হীন কৌশল অবলম্বন করেছে। যার ফলশ্রুতিতে আজ পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে শিক্ষার্থীদের ওপর, যা সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করে।’ তিনি বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির ও সাংবাদিকদের উপর ছাত্রদল সশস্ত্র হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করেছে, তা অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। আহত শিক্ষার্থীরা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে হাসপাতালের ভিতরে ঢুকেওও আহত শিক্ষার্থীদের ব্যাট ও রড দিয়ে আঘাত করেছে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। হামলার সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। তারা আহত শিক্ষার্থীদের রক্ষায় কোনো প্রকার পদক্ষেপ নেয়নি। আমরা প্রশাসনের এহেন ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানাই।’ গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে প্রত্যক্ষ করছি যে, দেশকে অস্থিতিশীল করতে যুবদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ও সন্ত্রাসীরা হেলমেট পরে দেশীয় অস্ত্র হাসুয়া ও লাঠি নিয়ে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মিছিল করছে। ঢাকার বকশীবাজারে হেলমেট পরে যুবদল নেতা নয়নের নেতৃত্ব সন্ত্রাসীরা মহড়া দিচ্ছে, মিছিল করছে। এসব কর্মকাণ্ড দেখে বলতে দ্বিধা নেই বিএনপির উপর ফ্যাসিবাদী শাসনের ছায়া ভর করেছে। তারা বিরোধী মতকে রাজনৈতিক ও আদর্শিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসের পথে হাঁটছে। যা জাতির জন্য অশনি সংকেত, যা শিক্ষাঙ্গণের জন্য একটি ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। চব্বিশের বিপ্লবী ছাত্র-জনতা এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিহত করবে, প্রত্যাখ্যান করবে, ইনশাআল্লাহ।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেসব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা এমন হামলা চালিয়েছে— অবিলম্বে তাদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে সংঘটিত এসব হামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অ্যাকাডেমিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় এবং ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।’ গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আজ ৩৫ জুলাইয়ে (৪ আগস্ট) জুলাই অভ্যুত্থানের বেনিফিশারি ছাত্রদলের এমন সন্ত্রাসী হামলা দেখে দেশবাসী হতবাক হয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করছি, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের এমন সন্ত্রাসের পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে এবং দেশ ও ক্যাম্পাসসমূহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিএনপি দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নেবে। পাশাপাশি স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের সব শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও দেশবাসীকে সব অন্যায় ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’ এমএসআই/এসএএস
