শিক্ষকের থাপ্পড়ে কানের পর্দা ফাটল শিক্ষার্থীর

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A school teacher, Shamim Reza, struck nine-year-old Rabbi Hossain several hard slaps on the left ear on 21 April 2026. The blows caused bleeding and a ruptured eardrum, and the child still has hearing difficulty, so this is a physical assault that counts as violence.

Reported by:JugantorSingle source
21/04/26•পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মহাদেবপুর

Killed

0

Injured

1

Summary

নওগাঁর মহাদেবপুরের পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২১ এপ্রিল সহকারী শিক্ষক শামীম রেজার সজোরে থাপ্পড়ে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাব্বি হোসেনের বাম কানের পর্দা ফেটে রক্তক্ষরণ হয় এবং সে এখনো ঠিকমতো শুনতে পাচ্ছে না। অভিযুক্ত শিক্ষক ১২ হাজার টাকা দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার পর স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Victim side

Locals

Other actors

শামীম রেজা (সহকারী শিক্ষক, অভিযুক্ত)রাব্বি হোসেন (৯ বছর বয়সী ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী, ভুক্তভোগী)মো. দেলোয়ার হোসেন (প্রধান শিক্ষক)মো. আনিসুর রহমান চঞ্চল (গ্রাম্য ডাক্তার)

Tags

AttackBackdated

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 21/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 28/04/26open original ↗

শিক্ষকের থাপ্পড়ে কানের পর্দা ফাটল শিক্ষার্থীর

শিক্ষকের থাপ্পড়ে কানের পর্দা ফাটল শিক্ষার্থীর Advertisement মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪০ পিএম নওগাঁর মহাদেবপুরে শিক্ষকের থাপ্পড়ে কানের পর্দা ফেটেছে রাব্বি হোসেন (৯) নামের ৫ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর। এ ঘটনার পর মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ১২ হাজার টাকায় আপস-মীমাংসা করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জানা যায়, ২১ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রাব্বি হোসেনের সঙ্গে তার এক সহপাঠীর বাগবিতণ্ডা হয়। এটা জানার পর ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামীম রেজা শিক্ষার্থী রাব্বি হোসেনকে ডেকে নিয়ে বাম কানের উপর সজোরে বেশ কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। সঙ্গে সঙ্গেই ওই শিক্ষার্থীর কান দিয়ে রক্ত পড়তে শুরু করে। এ সময় রাব্বি ছুটে বাড়িতে গেলে তার অভিভাবকরা গ্রাম্য ডাক্তার মো. আনিসুর রহমান চঞ্চলের কাছে নিয়ে যান। ডাক্তার তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার এক দিন পার হলেও তার কানের রক্ত পড়া বন্ধ না হওয়ায় ডাক্তারের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁর নাক-কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পরে তার কানের রক্ত পড়া বন্ধ হলেও এখনো কানে ঠিকমতো শুনতে পাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেনের মধ্যস্থতায় অভিভাবকদের ডেকে স্থানীয়দের মাধ্যমে ক্ষমা চেয়ে চিকিৎসার খরচ বাবদ ১২ হাজার টাকা দেন শিক্ষক শামীম রেজা। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থীর কান অপারেশন করতে হলে তার যাবতীয় খরচ দেবেন বলে অঙ্গীকার করেন শিক্ষক শামীম রেজা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষার্থী রাব্বি হোসেনের মা বলেন, ঘটনার পর ওই শিক্ষক আমার সন্তানের খোঁজখবর পর্যন্ত নেননি। আমার ছেলের চিকিৎসা এখনো চলমান রয়েছে। এর মধ্যে আমরা অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিলে বিষয়টি জানতে পেরে প্রধান শিক্ষক আমাদের ডেকে নিয়ে যান। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক শামীম রেজা ক্ষমা চেয়ে চিকিৎসা খরচ বাবদ ১২ হাজার টাকা দেন এবং ভবিষ্যতে অপারেশন করতে হলে সে খরচও দিতে চেয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক শামীম রেজা তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিদ্যালয়ে এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছোটখাটো একটি ঘটনা ঘটেছিল। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিটমাট করা হয়েছে।