ঢাকায় মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাতকড়া পরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পুনর্বাসন কেন্দ্রের দুই কর্মী আটক
Why this classification
মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদপুরের এক বাসায় ঢুকে ৪-৫ জন ব্যক্তি মানসিক রোগীকে হাতকড়া পরিয়ে জোর করে নিয়ে যান। এটি রিহ্যাব সেন্টার কর্মীদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক আটক/শারীরিক বলপ্রয়োগের ঘটনা, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
0
Summary
(৬ অক্টোবর) রাতে মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের একটি বাসা থেকে ৬৩ বছর বয়সী মানসিক রোগীকে হাতকড়া পরিয়ে জোর করে তুলে নিয়ে যায় রিহ্যাব সেন্টারের কর্মীরা। এ ঘটনায় উত্তরার লাইটহাউস রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের দুই কর্মীকে বুধবার রাতে আটক করে পুলিশ।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
80% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Lighthouse Rehabilitation Center Staff
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Mentally ill patient
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ব্যবসায়ীর ২৬ লাখ টাকা লুটে গ্রেপ্তার তিন
ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে র্যাব পরিচয়ে ২৬ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র ও ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
ঢাকায় মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাতকড়া পরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পুনর্বাসন কেন্দ্রের দুই কর্মী আটক
আটক হওয়া দুই ব্যক্তিছবি: পুলিশের সৌজন্যে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মানসিক রোগে আক্রান্ত এক ব্যক্তিকে হাতকড়া পরিয়ে বাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রের (রিহ্যাব সেন্টার) দুই কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাতে উত্তরার সেন্টারটিতে অভিযান চালিয়ে এই দুজনকে আটক করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. জুয়েল রানা প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান। আটক ব্যক্তিরা হলেন উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের লাইটহাউস রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের কর্মী মো. জসিম উদ্দিন ওরফে পলাশ (৪৭) ও মো. আমিনুর ইসলাম (৪২)। হাতকড়াটি জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ প্রেক্ষাপটে রিহ্যাব সেন্টারটির দুই কর্মীকে আটক করল পুলিশ। এ বিষয়ে সেন্টার কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঘটনার বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন। এতে বলা হয়, গত মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদপুর থানার স্যার সৈয়দ রোডের একটি বাসায় ৪-৫ জন ব্যক্তি প্রবেশ করেন। তাঁরা বাসাটি থেকে ৬৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে হাতকড়া পরিয়ে জোর করে নিচে নামিয়ে আসেন। তাঁরা তাঁকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান। এ ঘটনায় ভবনের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, যে ব্যক্তিকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছেন। তাঁর পরিবারের সদস্যরা পৃথক স্থানে থাকেন। তাঁর ছোট ভাই তাঁকে চিকিৎসার জন্য উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের লাইটহাউস রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। আগেও তাঁকে একই সেন্টারে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনার পর উত্তরা পশ্চিম থানার মাধ্যমে সেন্টারটির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়। মোহাম্মদপুর থেকে ওই ব্যক্তিকে এই সেন্টারে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। পুলিশ বলছে, তারা রিহ্যাব সেন্টারটির মালিকের কাছে হাতকড়া ব্যবহারের আইনগত বৈধতা সম্পর্কে জানতে চায়। কিন্তু তিনি এ ব্যাপারে কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। তবে তিনি স্বীকার করেন, কিছু ব্যক্তিকে রিহ্যাবে নেওয়ার সময় তাঁরা হাতকড়া ব্যবহার করেছেন। পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল রানা বলেন, অসুস্থ ব্যক্তিকে হাতকড়া পরানোর অনুমোদন রিহ্যাব সেন্টারের নেই। হাতকড়া পরিয়ে তুলে নেওয়ার ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। এরপর পুলিশ ব্যবস্থা নেয়। আটক ব্যক্তিদের ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। তারা বলছে, এই ব্যক্তিদের ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেবেন আদালত। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন অপরাধ থেকে আরও পড়ুন পুলিশঅপরাধচিকিৎসারাজধানীআটকআইন ও বিচার
