মন্দিরের সামনে গলাকাটা লাশ
Why this classification
A man was found dead with his throat cut in front of a cremation temple in Jalchhatra, Nilphamari, on the morning of 14 April 2026. This is a murder with a body discovered at the scene, and police are investigating, so it qualifies as violence. The attacker and motive are not yet known.
Killed
1
Injured
0
Summary
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের দোলাপাড়া সিংগীমারি শ্মশান কালী মন্দিরের সামনে থেকে প্রভাত চন্দ্র রায় (৫৫) নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং পুলিশ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত করছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মন্দিরের সামনে গলাকাটা লাশ
মন্দিরের সামনে গলাকাটা লাশ Advertisement জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় শ্মশান কালী মন্দিরের সামনে থেকে প্রভাত চন্দ্র রায় (৫৫) নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের দোলাপাড়া সিংগীমারি শ্মশান কালী মন্দিরের সামনে থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত প্রভাত চন্দ্র রায় একই এলাকার নীলকান্ত রায়ের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দিরের সামনে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী বিষয়টি জলঢাকা থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত ও সঠিক কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন। জলঢাকা থানার ওসি নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তিনি আরও বলেন, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
