জলমহাল ইজারা নিয়ে টর্চ জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৫০
Why this classification
A local dispute over leasing a fishing water body led to a night-time clash in which both sides used local weapons and torches. The clash injured at least 50 people, including police officers, so it is a concrete, recent act of physical violence in Bangladesh.
Killed
0
Injured
50
Summary
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে জলমহাল ইজারা নিয়ে বিরোধের জেরে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার) রাতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের পক্ষের লোকজন টর্চ জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ১২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 50
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals, Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
জলমহাল ইজারা নিয়ে টর্চ জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৫০
জলমহাল ইজারা নিয়ে টর্চ জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৫০ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০২:৪৩ হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে জলমহাল ইজারা নিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশসহ অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। পুুলিশ জানায়, উপজেলার উজান পাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ঈসমাইল হোসেন সরসের সঙ্গে একই ইউপি সদস্য মুজিবুর রহমানের মধ্যে জলমহাল ইজারা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে কয়েকদিন ধরে তাদের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। শুক্রবার রাতে বিরাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সরস মিয়ার পক্ষের মোতাহির মিয়ার ছেলে নীলয়ের সঙ্গে ইউপি সদস্য মুজিবুর রহমানের পক্ষের মোতালিব মিয়ার ছেলে বজলু মিয়ার বাগবিতণ্ডা হয়। এর জেরে দুপক্ষের লোকজন রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে আজমিরীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। আহতদের মধ্যে দিলকুশ মিয়া (৪০), মহিবুর মিয়া (৪৫), বারাম মিয়া (৪৮), জয়নাল আবেদীন (৫৫), সেকুল মিয়া (৪৮), রুমন মিয়া (২২), উজ্জ্বল মিয়া (২০), পাবেল মিয়া (২৪), হুসাইন মিয়া (২১), কাবিল হোসেন (৩৫), নিজাম উদ্দিন (৫৫), মহিবুল রহমানকে (৪৫) আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকবার হোসেন বলেন, ‘পূর্ব বিরোধ নিয়ে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এ নিয়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।’
