অস্ত্রসহ আটক কিশোরকে উদ্ধারে অবরুদ্ধ পুলিশ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a valid violent incident: on Friday night, 12-13 people allegedly tried to attack a house in a land dispute, and a teenager carrying a sharp weapon and chili powder was caught by locals. Police who went to rescue him were trapped by the crowd and had to be extracted by reinforcements, with allegations of lathi charges by police, so this involves a physical clash rather than a simple arrest.

Reported by:SamakalSingle source
17/04/26•বিনোদপুর মরাকুড়ি (Binodpur Marakuri), বাগমারা

Killed

0

Injured

0

Summary

রাজশাহীর বাগমারায় জমি বিরোধের জেরে ১২-১৩ জন লোক সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে ঢুকে হামলার চেষ্টা করে, স্থানীয়দের প্রতিরোধে তারা পালিয়ে যায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র ও মরিচের গুঁড়াসহ এক কিশোরকে আটক করা হয়; উদ্ধারে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা অবরুদ্ধ হন এবং পরে অতিরিক্ত পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

UnknownLaw Enforcement

Victim side

Locals

Other actors

Saddam Hossain (house owner)Rezaul Karim (land rival)SI D M Jahurul Islam, Hatgangopara Police Investigation CentreOC Jillur Rahman, Baghmara ThanaUnidentified group of 12-13 intrudersDetained teenager from Keshorhat village, Mohanpur upazila

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown, Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 19/04/26open original ↗

অস্ত্রসহ আটক কিশোরকে উদ্ধারে অবরুদ্ধ পুলিশ

অস্ত্রসহ আটক কিশোরকে উদ্ধারে অবরুদ্ধ পুলিশ ছবি: সংগৃহীত বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:০৮ | আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ রাজশাহীর বাগমারায় ধারালো অস্ত্র, মরিচের গুঁড়াসহ এক কিশোরকে আটক করে জনতা। তাদের কাছ থেকে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন পুলিশ সদস্যরা। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে অবরুদ্ধ সদস্যদের উদ্ধার করে এবং আটক কিশোরকে থানায় নিয়ে আসে। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার বিনোদপুর মরাকুড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ওই কিশোর জেলার মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট গ্রামের বাসিন্দা। জানা যায়, শুক্রবার রাতে বিনোদপুর মরাকুড়ি গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে ১২-১৩ জন প্রবেশ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে বসবাস করা জায়গা প্রতিপক্ষ রেজাউল ইসলামের দাবি করে জমিটি ছেড়ে দিতে বলে। এ নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তারা হামলার চেষ্টা করে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিরোধ গড়ে তুললে তারা পালিয়ে যায়। এ সময় ওই কিশোরকে ধরে স্থানীয়রা আটকে রাখে। পরে ৯৯৯-এ কল করলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই ডি এম জহুরুল ইসলামের নেতৃত্বে সাদা পোশাকে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুলিশ পৌঁছেই ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে লাঠিপেটা শুরু করে এবং গালাগাল করে। এতে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হয়। রাত ১১টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিনোদপুর গ্রামের দুই চাচাতো ভাই সাদ্দাম হোসেন ও রেজাউল করিমের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। সম্প্রতি ওই জমিতে সাদ্দাম হোসেন পাকা বাড়ি বানিয়ে বসবাস শুরু করেন। এতে রেজাউল করিম আদালতে মামলা করেন। সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমার জমিতেই বাড়ি তৈরি করেছি, বসবাসও শুরু করেছি। এখন ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে আমার পরিবারকে উচ্ছেদ করে বাড়ি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা প্রভাবিত হয়ে রাতে বাড়িতে ঢুকে লোকজনকে লাঠিপেটা শুরু করেন।  অন্যদিকে রেজাউল করিম মোবাইল ফোনে বলেন, ‘বাড়িটি আমার, সাদ্দাম দখল করে নিয়েছে। আমি বাড়িতে থাকার জন্য বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসছিলাম। সাদ্দাম হোসেন উল্টো লোকজন নিয়ে মব তৈরি করেছে।’ হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই ডিএম জহুরুল ইসলাম বলেন, রাতে একজনকে আটকে রাখা হয়েছে জানতে পেরে তাকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। সাদ্দাম হোসেনের লোকজন মব তৈরি করে। সাদা পোশাকে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তড়িঘড়ি করে যাওয়াতে ইউনিফর্ম পরা যায়নি। বাগমারা থানার ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, আটক কিশোরের জবানবন্দি নিয়ে কোর্টে চালান করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। - বিষয় : - পুলিশ