মাদক কারবার বন্ধের দাবি জানানোয় হামলা, সংঘর্ষ
Why this classification
১৬ মে সিংড়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে পাঁচজন আহত এবং বাড়ি ও বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে; এটি সাম্প্রতিক ও বাংলাদেশের একটি নির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা।
Killed
0
Injured
5
Summary
শনিবার (১৬ মে) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নাটোরের সিংড়ায় মাদক কারবার বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হন। নিহাল সমর্থকদের হামলায় জাহিদুলের বাড়ি ও সিংড়া এন্টারপ্রাইজ বাস ভাঙচুর করা হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মাদক কারবার বন্ধের দাবি জানানোয় হামলা, সংঘর্ষ
মাদক কারবার বন্ধের দাবি জানানোয় হামলা, সংঘর্ষ সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬ | ০৮:১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ সিংড়ায় মাদক কারবার বন্ধের দাবি জানানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। পৌর শহরের পার সিংড়া মহল্লায় গতকাল শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কয়েক দফায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি পার সিংড়া মহল্লার নেয়ামুল সরদার নিহাল এবং ওই ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। আহতরা হচ্ছেন অভিযুক্ত মাদক কারবারি নেয়ামুল সরদার নিহাল ও ছেলে নিজামুল সরদার এবং জাহিদুলের পক্ষের জহিদুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী অহেনা বিবি ও সুমন ইসলাম। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নেয়ামুল ইসলাম নিহাল পার সিংড়া মহল্লায় মাদকের কারবার করে আসছেন। গত ৭ মে মাদক কারবার বন্ধের দাবিতে মহল্লার ২২ জন মাতবরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এতে নিহাল, ছেলে নিজামুল হক সরদার ও ইনজামামুল হক সরদার এবং আসকান আলী, অমেদ আলী, হারুন সরদার, হৃদয় হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পার সিংড়া মহল্লায় দীর্ঘদিন ধরে নিহালের নেতৃত্বে ৩০ জন ব্যক্তি মাদক কারবার করছে। ফলে মহল্লার জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। মাঝে মাঝে চুরি, ডাকাতির ঘটনাও ঘটছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান মহল্লাবাসী। অভিযোগের খবরে অভিযুক্ত নিহাল ক্ষিপ্ত হয়ে গতকাল শনিবার অভিযোগকারী জাহিদুল ইসলামের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহালের ছেলে নিজামুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পূর্ব বিরোধের জেরে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। বাবাসহ আমি নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি আছি। থানায় অভিযোগকারী সাবেক কাউন্সিলর সাবেক ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের পর দাপট দেখিয়ে নিহাল ও তাঁর দুই ছেলে তিন বোনসহ মাদক ব্যবসা করছে। মহল্লার মুরব্বিরা নিষেধ করলেও তোয়াক্কা করে না। মহল্লায় দিন রাত বাইরে থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে মাদক কিনতে আসে লোকজন। তাদের অত্যাচারে মহল্লার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গত ৭ তারিখ থানায় গিয়ে ২২ জন মহল্লা প্রধানের স্বাক্ষরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের খবর পেয়ে মাদক ব্যবসায়ী ৩০ জন মিলে আমার বাড়িতে হামলা চালায়। আমার ছোট ভাই জহিদুল এবং তাঁর স্ত্রী অহেনা বিবি, ছোট ভাই সুমন গুরুতর আহত হয়ে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। মহল্লা প্রধান মোবারক হোসেন বলেন, মহল্লার মাতবরেরা মাদক কারবারের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে নিহাল আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে। গতকাল সকালে মাদক কারবারিরা মিলে আমার সিংড়া এন্টারপ্রাইজ বাস ভাঙচুর করে। সিংড়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে মহল্লায় গিয়ে সবাইকে ডেকে মাদক কারবার বন্ধ করতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আধিপত্য বিস্তার, স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার, এবং মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে পার সিংড়া মহল্লার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সাবেক কাউন্সিলর এর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - সংঘর্ষ
