পেশাদার খুনি দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ: নিরাপত্তা চাইলেন জামায়াতের এমপি
Why this classification
This article reports a specific, recent attack in which a Jamaat MP's car was assaulted, his supporters were beaten, and attackers tried to break into a mosque with weapons to reach him. The MP alleges the attackers were BNP-affiliated and that professional killers were brought in, and police have arrested nine people. The incident is a concrete physical attack, not just a reaction or statement, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মাছুম মোস্তফার গাড়ি ও মসজিদের দরজায় বিএনপির নামধারী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে বলে সংসদে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি হত্যার উদ্দেশ্যে পেশাদার খুনি আনার অভিযোগ তুলে নিরাপত্তা দাবি করেন, এবং পুলিশ এ ঘটনায় নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
75% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 24/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
এমপির গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ৬০ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৯
নেত্রকোনা এমপির গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ৬০ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৯ ছবি-সংগৃহীত নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ২১:০৩ নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফাকে অবরুদ্ধ করা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী আল আমিন পূর্বধলা থানায় মামলাটি করেন। পরে অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় এক আসামিসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলায় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে মাছুম মোস্তফার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী পূর্বধলা উপজেলার বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করে ৬০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ জনকে। সবাই স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। এজাহারভুক্ত আসামির মধ্যে আছেন– উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক আহমেদ (বাবু), যুবদল নেতা মো. আনার, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সোলাইমান কবির পাপ্পু। প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে এমপি মাছুম মোস্তফা একটি মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে উপজেলা সদরে ফিরছিলেন। সন্ধ্যায় পথে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উপজেলা সদরের আতকাপাড়া গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে যান গাড়িতে জ্বালানি তেল নেওয়ার জন্য। পরে গাড়ি রেখে ফিলিং স্টেশনেই নামাজখানায় মাগরিবের নামাজ আদায় করার জন্য যান। কিছুক্ষণ পর ১৫টির মতো মোটরসাইকেলে ২৫ থেকে ৩০ জন যুবক পাম্পে এসে মোটরসাইকেলে তেল নিতে চায় এবং সেখানে হট্টগোল শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা মাছুম মোস্তফার গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এ সময় মাছুম মোস্তফা নামাজ শেষ করে ঘর থেকে বের হতে চাইলে বিক্ষুব্ধ যুবকরা তাঁকে ধাওয়া করে অবরুদ্ধ করে রাখে। ঘটনার সময় ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য ছিলেন। তারা পরিস্থিত সামাল দিতে পারছিলেন না। খবর পেয়ে ঘণ্টাখানেক পর উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদারসহ পূর্বধলা থানা থেকে আরও পুলিশ সদস্য এসে এমপিকে উদ্ধার করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাঠানো গাড়িতে করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ১০টার দিকে মাছুম মোস্তফা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী। তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় ওইদিন রাত সোয়া ২টার দিকে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী মামলা করেন। এমপি মাছুম মোস্তফা বলেন, ‘আমি পাম্পে গাড়ি রেখে নামাজ আদায় করতে গেলে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা গাড়ি ভাঙচুর করে এবং আমার সঙ্গে থাকা উপজেলা জামায়াতের আমির জয়নাল আবেদিনসহ দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। অনেকক্ষণ পর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল আলমসহ পুলিশ সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করেন।’ জানতে চাইলে বিএনপি নেতা আবু তাহের তালুকদার বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। হামলার বিষয়টি মোবাইল ফোনে শোনার সঙ্গে সঙ্গে দলের বাবুল আলম তালুকদারকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এখন শুনছি, উল্টো আমাকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। হামলার বিষয়টি যেমন দুঃখজনক, তেমনি আমাকে আসামি করাতেও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ পূর্বধলা থানার ওসি দিদারুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার ৯ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পেশাদার খুনি দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ: নিরাপত্তা চাইলেন জামায়াতের এমপি
পেশাদার খুনি ভাড়া করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ তুলে নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা দাবি করেছেন নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাছুম মোস্তফা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২১তম দিন, রোববার (২৬ এপ্রিল) পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এই দাবি জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। সংসদে ফ্লোর নিয়ে মাছুম মোস্তফা ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, ‘মাগরিবের আজানের পর আমি সঙ্গীদের নিয়ে একটি ফিলিং স্টেশনের নামাজ পড়ার জায়গায় নামাজ পড়তে যাই। এই মুহূর্তে বিএনপির নামধারী কিছু সন্ত্রাসী আমার গাড়ির ওপর হামলা চালায়।’ তিনি অভিযোগ করেন, হামলার শব্দ শুনে আমার লোকজন এগিয়ে এলে তাদের ওপরও চড়াও হয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। আমি যে মসজিদে ছিলাম, তারা সেখানে গিয়ে আমাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। মুসল্লিরা মসজিদের দরজা বন্ধ করে দিলে, তারা বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে দরজা ভাঙার চেষ্টা চালায়। জামায়াতের এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে আমি জানতে পারি, আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সেখানে পেশাদার কিলার (খুনি) আনা হয়েছিল। মসজিদের মুসল্লিদের প্রতিরোধের মুখে তারা দরজা ভাঙতে ব্যর্থ হয়।’ স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘পরিস্থিতি এমন ছিল যে, হয়তো আজ আমার জন্য এই সংসদে শোক প্রস্তাব আনতে হতো এবং আমার রুহের মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করতে হতো।’ নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আপনার মাধ্যমে আমার এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তা চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমার এলাকার সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা চাই। জনগণ আমাকে জিজ্ঞেস করছে, কী অপরাধে আমার ওপর হামলা হলো? আমি সেই অপরাধের কথা বলতে পারিনি।’ এ সময় স্পিকার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনার কথা শুনলাম। আমি পত্রিকায় দেখেছি যে এই ঘটনা ঘটেছে এবং পুলিশ ইতোমধ্যে নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।’ জবাবে সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা বলেন, ‘পুলিশ যাদের গ্রেপ্তার করেছে, তাদের মধ্যে মাত্র একজন তালিকাভুক্ত আসামি। বাকিরা নিরপরাধ এবং আজ তারা জামিনে মুক্ত হয়েছে। অথচ মূল আসামিরা প্রকাশ্যে মিছিল-মিটিং করছে। তিনটার সময় আমার কাছে ফোন এসেছে যে তারা মিটিং করছে। আমি এসপি (পুলিশ সুপার) মহোদয়কে বলেছি যে অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কিন্তু তালিকাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। আমি আপনার মাধ্যমে নিরাপত্তা চাই এবং প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আপনার সহযোগিতা চাই।’ স্পিকার এ সময় বলেন, ‘ধন্যবাদ, আপনি দয়া করে বসুন। একজন সংসদ সদস্যের ওপর হামলার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।’ এর পরিপ্রেক্ষিতে সংসদে দাঁড়িয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সংসদ সদস্যের সঙ্গে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা সবাই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং আমরা এতে ব্যথিত। আমাদের সংসদ নেতা (প্রধানমন্ত্রী) পাশেই বসে আছেন। তিনি আমাকে নিশ্চিত করেছেন যে, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হবে। প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হবে।’ মন্ত্রী আরও বলেন, নয়জন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরো সংসদ এই বিষয়ে একমত। সবশেষে স্পিকার বলেন, ‘প্রকৃত অপরাধীদের ধরার ব্যাপারে মাননীয় মন্ত্রী ইতোমধ্যে আশ্বাস দিয়েছেন। আপনি দয়া করে ফলাফল দেখার জন্য অপেক্ষা করুন।’ এমএসআই/এমএআর/
জামায়াতের এমপির ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৯
জামায়াতের এমপির ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৯ Advertisement নেত্রকোনা ও পূর্বধলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অবরুদ্ধের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত সোয়া ২টার দিকে তার ব্যক্তিগত সহকারী মো. আল আমিন বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবু তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করে ৬০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এতে অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ইতোমধ্যে ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) মামলার তথ্যটি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, গ্রেফতার হওয়া নয়জনের মধ্যে মামলার এজাহারে উল্লেখিত ২০ নম্বর আসামি মো. খায়রুল ইসলাম রয়েছেন; অন্যরা সন্দেহভাজন। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
