আগুনে পুড়ে দম্পতির মৃত্যু ‘মা, তুমি কেন এতিম করে চলে গেলা’—আহাজারি মেয়ের

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Dhaka. Parties reported: Unknown. Reported casualties: 2 killed and 0 injured. Reported by 1 source.

Reported by:Prothom AloSingle source
08/05/26•Radhanagar, Bilashpur Union, Dohar

Killed

2

Injured

0

Summary

২০২৬ সালের ৮ মে দিবাগত রাতে ঢাকার দোহারে রাধানগর গ্রামে একটি বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে সালাম শিকদার ও নাসিমা বেগম নামে এক দম্পতি নিহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত নাশকতা তা খতিয়ে দেখছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

74% · severity 7

Parties involved

Unknown

Tags

MurderArson

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Prothom Alo · 09/05/26open original ↗

আগুনে পুড়ে দম্পতির মৃত্যু ‘মা, তুমি কেন এতিম করে চলে গেলা’—আহাজারি মেয়ের

অগ্নিকাণ্ডে মা–বাবার মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েন মেয়ে সাবিনা আক্তার। আজ শনিবার দুপুরে ঢাকার দোহারের বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামেছবি: প্রথম আলো ‘মা, তুমি কেন এতিম করে চলে গেলা, বাবাকেও নিয়ে গেলা।’ ঢাকার দোহারের বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে বসতঘরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া সালাম শিকদার ও নাসিমা বেগমের শিশুকন্যা জান্নাত বাবা–মাকে হারিয়ে এভাবেই আহাজারি করছিল। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে আগুন লেগে সালাম–নাসিমা দম্পতির পুরো ঘরটি ভস্মীভূত হয়। কোনোমতে দুই মেয়ে খাদিজা ও জান্নাত এবং নাতি নিশাতকে বাঁচাতে পারলেও আগুনে পুড়ে মারা যান ওই দম্পতি। আজ শনিবার দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, আগুনে পোড়া সালামের ঘরের খুঁটিগুলো দাঁড়িয়ে আছে। নেই কোনো আসবাব। সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রাধানগর গ্রাম ও আশপাশের লোকজন এই বাড়িতে ভিড় করেছেন। পাশেই সালামের চাচা আয়নাল শিকদারের বাড়ির উঠানে ওই দম্পতির চার মেয়ে কাঁদছিলেন। স্বজনেরা তাঁদের সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন। বিলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. সিদ্দিক বলেন, সালামের চার মেয়ে সাবিনা আক্তার, সোহেলী আক্তার, খাদিজা আক্তার ও জান্নাত। সাবিনা ও সোহেলী বিবাহিত। খাদিজা ষষ্ঠ ও জান্নাত সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। জান্নাত ও খাদিজা মা–বাবার সঙ্গেই ছিল। বাবার আয়েই তাঁদের সংসার চলত। চায়না জালের কারখানায় কাজ করে সংসার চলত সালামের। আরও পড়ুন তিন সন্তানকে বাঁচিয়ে আগুনে পুড়ে মারা গেলেন স্বামী–স্ত্রী ০৯ মে ২০২৬ প্রতিবেশী হাসিনা বেগম বলেন, আগুন লাগার পর দুই সন্তান ও নাতিকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন নাসিমা বেগম। তিনি একে একে দুই মেয়ে ও নাতিকে জানালা দিয়ে বাইরে ছুড়ে দেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজেদের আর বাঁচাতে পারেননি স্বামী-স্ত্রী। ঘরের আসবাব সামলাতে গিয়ে তাঁরা দেরি করে ফেলেন। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর দেওয়া হয় দোহার থানা ও ফায়ার সার্ভিসে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। লাশ উদ্ধারকারী স্থানীয় জামাল ফকির বলেন, আগুনে পুরো টিন ও কাঠের ঘর পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। মৃতদেহ দুটির কোনো চেহারা বোঝা যায় না। লাশ উদ্ধারের সময় নাসিমা বেগমের গায়ে থাকা কিছু গয়না পেয়ে তিনি পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছেন। দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে। এটি নাশকতা নাকি দুর্ঘটনা, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় শোক জানিয়ে ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক বলেন, তিনি খোঁজখবর নিয়েছেন। ঢাকায় জরুরি মিটিং থাকায় আসতে পারেননি। স্থানীয় প্রশাসনকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করার জন্য বলেছেন। তিনি শিগগিরই ওই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পুলিশলাশদোহারমৃত্যুআগুনঢাকাঢাকা বিভাগফায়ার সার্ভিস