বনরক্ষী-বনদস্যু গোলাগুলি, সুন্দরবনে উদ্ধার ৪ জেলে
Why this classification
This is a single, recent incident in Bagerhat district where armed forest bandits exchanged gunfire with forest guards on Wednesday, 13 May 2026, and held four fishermen hostage. The guards rescued the fishermen and seized a gun, cartridges, walkie-talkies and a trawler. No deaths or injuries were reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
বুধবার (১৩ মে ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের সিঙেরটেক বনাঞ্চলে বনরক্ষী ও শরীফ বাহিনীর বনদস্যুদের মধ্যে কয়েক মিনিট ধরে গোলাগুলি হয়। এ সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করা হয় এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, চারটি ওয়াকিটকি ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
93% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement, Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
বনরক্ষী-বনদস্যু গোলাগুলি, সুন্দরবনে উদ্ধার ৪ জেলে
বনরক্ষী-বনদস্যু গোলাগুলি, সুন্দরবনে উদ্ধার ৪ জেলে সুন্দরবনে দস্যুদের হাতে জিম্মি চার জেলেকে বুধবার উদ্ধার করেন বনরক্ষীরা। ছবি: সমকাল মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬ | ২০:৪১ পূর্ব সুন্দরবনে বনরক্ষীদের সঙ্গে বনদস্যু শরীফ বাহিনীর সদস্যদের গোলাগুলি হয়েছে। এ সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শেলারচর টহল ফাঁড়ির সিঙেরটেক বনাঞ্চল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গোলাগুলির পর দস্যুরা পালিয়ে গেলে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, চারটি ওয়াকিটকি সেট ও দস্যুদের ব্যবহৃত একটি ট্রলার জব্দ করা হয়। সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, শেলারচর টহল ফাঁড়ি ও স্মার্ট টিমের বনরক্ষীরা যৌথভাবে টহলে ছিলেন। এ সময় সিঙেরটেক এলাকার নদীতে একটি সন্দেহজনক ট্রলার দেখতে পান। বনরক্ষীরা ট্রলারটি থামানোর সংকেত দিলে সেটি না থামিয়ে বনদস্যুরা বনরক্ষীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে বনরক্ষীরাও পাল্টা গুলি চালান। উভয়পক্ষের মধ্যে কয়েক মিনিট গোলাগুলির পর দস্যুরা ট্রলারটি সুন্দরবনের তীরে ভিড়িয়ে দ্রুত বনে পালিয়ে যায়। বনরক্ষীরা ট্রলারটি তল্লাশি চালিয়ে একটি বন্দুক, এক রাউন্ড কার্তুজ, চারটি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করেন। ভেতরে শিকলবন্দি অবস্থা থেকে জিম্মি চার জেলেকে এ সময় উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন–হাসান (৩০), মাসুম (২৫), ইরাক শেখ (২৮) ও নাছিম (২৫)। তাদের বাড়ি বাগেরহাটের শরণখোলা ও খুলনার বটিয়াঘাটা এলাকায়। উদ্ধার জেলে ও জব্দ ট্রলারটি শেলারচর টহল ফাঁড়িতে নেওয়া হয়েছে। দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনায় মামলা এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের কালিয়ারখাল এলাকা থেকে আটক হরিণ শিকারীকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। তাদের কোপে দুই বনরক্ষী গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বনবিভাগ সূত্র জানায়, সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের চরখালী ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল জাবেরের নেতৃত্বে বনরক্ষীদের একটি দল মঙ্গলবার বিকেলে চরখালী বনাঞ্চলের শুয়োরগুদি এলাকায় নিয়মিত টহলে যান। এ সময় তারা কয়েকজন হরিণ শিকারীকে দেখতে পান। শিকারীরা ট্রলারে উঠে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বনরক্ষীরা তাদের ধাওয়া করে কালিয়ারখাল এলাকা থেকে চিহ্নিত হরিণ শিকারী কুদ্দুস রাজাকে (৩০) আটক করেন। কুদ্দুস রাজাকে নিয়ে ফেরার পথে তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে বনরক্ষীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা চরখালী ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল জাবের ও বনবিভাগের নৌকাচালক অপূর্ব কুমার সাহাকে কুপিয়ে রাজাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার রাতেই আহত দুজনকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় শরণখোলা থানায় মামলা হয়েছে। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় চলছে। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক বলেন, বনবিভাগের পক্ষ থেকে একটি মামলা হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বনদস্যুদের সঙ্গে বনকর্মীদের গোলাগুলি, হাত-পা বাঁধা ৪ জেলেকে উদ্ধার
সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে বন বিভাগের কর্মীদের গোলাগুলি হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সকালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের সিঙারটেক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। গোলাগুলির পরে ওই স্থান থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ৪ জেলেকে উদ্ধার করে বনকর্মীরা। বনদস্যুদের ব্যবহৃত একটি বন্ধুক ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বনরক্ষীরা। উদ্ধার হওয়া জেলরা হলেন- খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার নাছিম, দাকোপ উপজেলার ইরাক শেখ, শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আবদুল বারেক খান এবং একই উপজেলার মো. হাসান। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, শেলারচর টহল ফাঁড়ির সিঙারটেক এলাকায় যৌথ টহল চলাকালীন ডাকাতের উপস্থিতি টের পেয়ে সে দিকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডাকাতরা গুলি ছুঁড়তে শুরু করলে বনকর্মীরা পাল্টা গুলি ছুঁড়েন। তাদের দিকে ৭ রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়। ডাকাতরা পরবর্তীতে তাদের ট্রলার এবং ৪ জন জিম্মি জেলে রেখে পালিয়ে যায়। জিম্মিরা শেলারচর টহলফাঁড়ির হেফাজতে আছেন। উদ্ধার জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বনরক্ষীদের ওপরে গুলি করা দস্যুরা শরীফ বাহিনীর সদস্য বলে জানা গেছে। শেখ শামীম হাসান/এসএইচএ
বনদস্যুদের সঙ্গে বনকর্মীদের গোলাগুলি
বনদস্যুদের সঙ্গে বনকর্মীদের গোলাগুলি সুন্দরবনে উদ্ধার ৪ জেলে Advertisement বাগেরহাট প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে বনকর্মীদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের কোকিলমনি এলাকার সিঙারটেকে এ ঘটনা ঘটে। পরে অভিযান চালিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অপহৃত ৪ জেলেকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন-বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আবদুল বারেক খান ও মো. হাসান, খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার নাছিম এবং দাকোপ উপজেলার ইরাক শেখ। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, শেলারচর টহল ফাঁড়ি ও স্মার্ট টিমের সদস্যরা যৌথভাবে সিঙারটেক এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় বনদস্যুদের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযান চালানো হলে দস্যুরা বনকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষায় বনকর্মীরাও পালটা সাত রাউন্ড গুলি ছোড়েন।
